somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ট্যুর ডি বান্দারবন - থাঞ্চি - রেমাক্রি - নাফাখুম - জিন্নাপাড়া - থুসাইপাড়া - আমিয়াখুম - পদ্মমুখ (পর্ব ৩)

১০ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম পর্বের লিংক

দ্বিতীয় পর্বের লিংক

যাক ভালোয় ভালোয় রেমাক্রি এসে সবাই পৌছে গেছে। ওখানে নদীর পাড়ে খুব সুন্দর একটা বাড়ি পাওয়া গেল। দুটি রুম। একটাতে মেয়েরা আর অন্যটাতে ছেলেরা থাকবে। ছেলেদের রুমটা অনেক বড়। একসঙ্গে অনেকে ঘুমাতে পারবে। আসার সঙ্গে সঙ্গে নিঝু সবাইকে বলল নদীতে গোসল করতে যাবে কিনা। মান্নানের একটু একটু ভয় ভয় লাগলো কেননা নদীতে অনেক স্রোত। একবার ভাসাইয়া নিলে খবর আছে। সবার উৎসাহ দেখে মান্নান ঠিক করলো সেও নামবে। কিন্তু মাঝখানে যাবে না। সাবাই নামবার পর দেখা গেল এক একটার ছেলেমানুষি কাকে বলে। এ ওর গায়ে পানি ছিটিয়ে দিচ্ছে। এর মধ্যে রাশফিয়া নতুন খেলা বের করলো। খেলাটা হল একজন ভেসে যাবে তার সামনে আরো দুইজন থাকবে যারা তাকে ভেসে যাবার সময় ধরে ফেলবে, পুরাই ছেলেমানুষি খেলা। মান্নান এর ভিতরে আর একটা খেলা বের করে ফেললো তা হল দুই ধরে হাত পিছমোড়া করে ধরে রাখবে বাকি সবাই তার দিকে পানি ছিটাবে। সন্ধ্যা হয়ে গেল এখন আর পানিতে থাকা নিরাপদ না ভেবে আদি ভাই সবাইকে উঠতে বলল। কেউ না করলো না। এরপর যে যার মতো রুমে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে সবাই ফ্রেশ হয়ে নিলো।

এবার রেমাক্রি বাজার ঘুরে দেখতে হবে, বাজারে যাবার পর সবাই চা আর বিস্কুট খেয়ে নিলো আর ওদিকে ভোজন রসিক আদি আর নিঝু আর কে কে জানি পাহাড়ি কলা খাবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। মান্নান প্রতিযোগিতার ভিতরে গেল না আপন মনে কলা খাওয়া শুরু করে দিলো। একটা একটা করে আটটা কলা খাবার পর রাতের ভাত খাবার কথা মনে করে আপাতত কলা খাওয়া স্টপ করলো। এই কলা খাওয়ার ফাঁকে মান্নান আর রাশফিয়াকে নিয়ে ফান সমান তালে চলছে, মান্নান প্রচুর বিরক্ত অনুভব আর রাশফিয়ার মনে মনে কি ভাবছে সেটা আর জানা হল না, হয়তো সেও মনে মনে প্রচণ্ড বিরক্ত। তাই সে সিদ্দান্ত নিলো মান্নান থেকে দুরে দুরে থাকবে যাতে করে আর এই বিষয় নিয়ে কেউ যাতে আর ফান । সে ভাবল জুনিয়র গ্রুপের সাথে ভিড়লে মনে হয় এই ঝামেলা স্টপ হবে। পরে দেখা গেছে তার সেই ষ্টেটেজিও ফেল মারছে। মান্নান, রিটু ভাই আর মিঝু ভাই আলাদা হয়ে ঘুরতে গেল।

মূলত গ্রুপিং এখান থেকেই শুরু হয়ে গেলো, যে যার মতো আপন মনে ছোট ছোট গ্রুপ বানিয়ে আলাদা আলাদা হয়ে ঘুরতে লাগলো।

একসময় রাতের খাবারের ডাক এলো সবাই খেতে গেল রেমাক্রি বাজারের শেষ মাথায় একটা হোটেলে, সেই খাবারের সময় টুকুও বাদ গেলো না মান্নান আর রাশফিয়াকে নিয়ে ফান করা। এবার মান্নান সত্যি সত্যি খেপে গেলো। খাওয়া শেষ করে একা একা ঘুরতে বের হল, আর আদি ভাইয়ের কাছে থেকে রুমের চাবি চেয়ে নিয়ে চুপে চুপে ব্রাণ্ডির বোতল বের করে দুই ঢোক খেয়ে নেবার পর সারাদিনের ফানের কারনে যে মেজাজ খারাপ হয়ে ছিল তা নিমিষে দুর হয়ে গেলো।

এবার রিটু ভাইকে নিয়ে বের হল বাকি সবাই কই তা দেখতে, গিয়ে দেখল সবাই ব্রিজের উপর আড্ডা মারছে, ওখানে রাশফিয়া ও ছিল, যাবার সাথে সাথে আবার শুরু হয়ে গেলো। এবার মান্নান আর রিটুকে রংধনু জোড়া বানিয়ে শুরু হল ফান। মান্নান আবার বিরক্ত হয়ে রাশফিয়ার পাশে গিয়ে বসে পড়লো। এবার সবাই ধরল গান গাইবার জন্য, ওরা নাকি এতক্ষণ গান গাইতে ছিল, কেউ নাকি বাদ যায়নি। অনেকক্ষণ গাই গুই করার পর রিটু ভাই শুরু করলো " শ্রবণের মেঘ গুলো জড়ো হল আকাশে " আর মান্নান তাতে তাল দিলো। রিটু ভাইয়ের গান শেষ এবার শিল্পার পালা, সে সরাসরি বলে দিলো সে গান গাইবে না কি আর করার মান্নানের গাইতে হবে। মানান কি গাইবে এই চিন্তা নিয়ে সে অস্থির। হটাত মনে পড়লো আরে সারাদিন অফিসে বন্ধী থাকা অবস্থায় সে দুইটা গান শোনে এক "জেলখানার চিঠি" আর অন্যটা প্যাসেঞ্জার ব্র্যান্ডের Let Her Go জেলখানার চিঠি দিয়েই শুরু করে দিলো, কেউ জানে না মান্নানের সব মনের কথা এই গানের প্রতিটা লাইনে তার প্রতিফলন আছে। প্রতিটা বন্ধী মানুষের জন্য একদম পারফেক্ট একটা গান, মান্নান অনেক দিন ধরে গলা ছেড়ে গান গায় না কেননা একে তার গিটার অনেক দিন ধরে ভাঙ্গা ঠিক করা কিংবা নতুন একটা কিংবা সে সময় সে পাবে কই ? আর গাবেই বা কিভাবে ইট পাথর দেয়ালের ভিতরে আর যাই আসুক ফিলিংস আসে না। এইখানে ফুল ফিলিংস আছে, আছে চাদের আলো।

গান শেষে শিল্পা বলল এখানে আর বসা ঠিক হবে না, তারা যে বাড়িতে থাকবে সেই বাড়ির সামনে গিয়া যা খুশি তাই করতে পারবে কিন্তু এখন একটা গ্রামের ভিতরে আছে, এইখানে চিল্লা চিল্লি করা সম্বব না। তাই সবাই মিলে বাড়ির সামনে গেলো। ওখানে যাবার পর আবার শুরু হল ফান নাহ আর সম্ভব না। আবার সবাই ধরল হিটু ভাইকে একতা গান গাইবার জন্য এবার সে গাইলো পাহাড়ি গ্যাদা আর গ্যাদির গান। সেই মজা পাইলাম। সত্যি অনেক ভালো একটা গান। এবার মান্নান গাইলো বরিশালের ভাষার আঞ্চলিক গান, শুনে সবাই হাসতে হাসতে শেষ। কেউ কেউ আবার রেকর্ডিং করার জন্য আবার গাইতে বলল, কিন্তু মান্নান আর গাইলো না, গানের ভিতরে কিঞ্চিত কিছু খোচা মারা কথা ছিল, মান্নান জানে না তার সেই খোচা মারা গানের কথা সবাই বুঝতে পারছে কিনা, না বুঝলে নাই।



গান শেষে আবার ফান, আর কত সহ্য করা যায়, সহ্যের সীমা শেষ হয়ে যাবার পর কিছু কথা বের হলো যা বলা মান্নানের একদম উচিত হয় নাই, কোন দরকারই ছিল না। মান্নানের যাকে বলছে সে শুনে প্রথমে একটু থমকে গিয়েছিল কিন্তু তাকে উস্কে দেবার জন্য কে জানি বলে উঠল আরে আমি তোমাকে খুব ভালো রেসার ভাবছিলাম, এভাবে থেমে গেলে হবে ? মান্নান বুঝতে পারলো সে পরিবেশকে ভারী করে ফেলেছে, এটা আর বাড়তে দেয়া যায় না, তাই সে সবাইকে সিগারেট অফার করলো, যারা খায় না তাদেরও। সিগারেট অফার করে সবাইকে বলল, "বিড়ি ফুঁকে যে যার মতো ঘুমাতে যাবা, কাল অনেক ভোরে উঠতে হবে...... যেতে হবে অনেক দুর"।

চারটা সিগারেটের অপাংতেও অংশ নিঃসঙ্গ হয়ে জ্বলছে ঘাসের উপরে আর ওরা খেলা শেষে একে একে ঘরে ফিরেছে।
যাক ভালোয় ভালোয় রেমাক্রি এসে সবাই পৌছে গেছে। ওখানে নদীর পারে খুব সুন্দর একটা বাড়ি পাওয়া গেল। দুটি রুম। একটাতে মেয়েরা আর অন্যটাতে ছেলেরা। ছেলেদের রুমটা অনেক বড়। একসঙ্গে অনেক মানুষ ঘুমাতে পারবে। আসার সঙ্গে সঙ্গে নিঝু সবাইকে বলল নদীতে গোসল করতে যাবে কিনা। মান্নানের একটু একটু ভয় লাগলো কেননা নদীতে অনেক স্রোত। ভাসাইয়া নিলে খবর আছে। সবার উৎসাহ দেখে মানান ঠিক করলো সেও নামবে। কিন্তু মাঝখানে যাবে না। সাবাই নাম্বার পর দেখা গেল এক একটা ছেলেমানুষি। এ ওর গাইয়ে পানি ছিটিয়ে দিতেছে। এর মধ্যে রাশফিয়া নতুন খেলা বের করলো। খেলাটা হল একজন ভেসে যাবে তার সামনে আরো দুইজন থাকবে যারা তাকে ভেসে যাবার সময় ধরে ফেলবে, পুরাই ছেলেমানুষি খেলা। মান্নান আর একটা খেলা বের করে ফেললো তা হল দুই ধরে হাত পিছমোড়া করে ধরে রাখবে বাকি সবাই তার দিকে পানি ছিটাবে। সন্ধ্যা হয়ে গেল এখন আর পানিতে থাকা নিরাপদ না ভেবে আদি ভাই সবাইকে উঠতে বলল। কেউ না করলো না। এরপর জেজার মতো রুমে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে সবাই ফ্রেশ হয়ে নিলো।

এবার রেমাক্রি বাজার ঘুরে দেখতে হবে, বাজারে যাবার পর সবাই চা আর বিস্কুট খেয়ে নিলো আর ওদিকে ভোজন রসিক আদি আর নিঝু আর কে কে জানি পাহাড়ি কলা খাবার
প্রতিযোগিতায় নেমেছে। মান্নান প্রতিযোগিতার ভিতরে গেল না আপন মনে কলা খাওয়া শুরু করে দিলো। একটা একটা করে আটটা কলা খাবার পর রাতের ভাত খাবার কথা মনে করে আপাতত কলা খাওয়া স্টপ করলো। এই কলা খাওয়ার ফাঁকে মান্নান আর রাশফিয়াকে ফান সমান তালে চলছে, মান্নান প্রচুর বিরক্ত অনুভব করলো আর রাশফিয়ার মনে মনে কি ভাবছে টা আর জানা হল না, হয়তো সেও প্রচণ্ড বিরক্ত। তাই সে মনে মনে ঠিক করে নিলো মান্নান থেকে দুরে দুরে থাকবে যাতে করে আর এই বিষয় নিয়ে কেউ ফান না করতে পারে। সে ভাবল জুনিয়র গ্রুপের সাথে ভিড়লে মনে হয় এই ঝামেলা স্টপ হবে। পরে দেখা গেছে তার সেই ষ্টেটেজিও ফেল মারছে। এর মধ্যে মান্নান, রিটু ভাই আর মিঝু ভাই আর শিল্পা আলাদা হয়ে ঘুরতে গেল।

মূলত গ্রুপিং এখান থেকেই শুরু হয়ে গেলো, যে যার মতো ছোট ছোট গ্রুপ বানিয়ে আলাদা আলাদা হয়ে ঘুরতে লাগলো।

একসময় রাতের খাবারের ডাক এলো সবাই খেতে গেল রেমাক্রি বাজারের শেষ মাথায় একটা হোটেলে, সেই খাবারের সময়টুকুও বাদ গেলো না মান্নান আর রাশফিয়াকে নিয়ে ফান করা। এবার মান্নান সত্যি সত্যি খেপে গেলো। খাওয়া শেষ করে একা একা ঘুরতে বেরিয়ে যায়, আর আদি ভাইয়ের কাছে থেকে রুমের চাবি চেয়ে নিয়ে চুপে চুপে ব্রাণ্ডির বোতল বের করে দুই ঢোক খেয়ে নেবার পর সারাদিনের ফান আর জার্নির ক্লান্তির কারনে যে মেজাজ খারাপ হয়ে ছিল তা নিমিষেই দুর হয়ে গেলো।

এবার রিটু ভাইকে খুজে নিয়ে বের হল বাকি সবাই কই তা দেখতে, গিয়ে দেখল সবাই ব্রিজের উপর আড্ডা মারছে, ওখানে রাশফিয়াও ছিল, যাবার সাথে সাথে আবার শুরু হয়ে গেলো। এবার মান্নান আর রিটুকে রংধনু জোড়া বানিয়ে শুরু হল সেই মহা বিরক্তিকর ফান। মান্নান এবার বিরক্ত হয়ে রাশফিয়ার পাশে গিয়ে বসে পড়লো। তারপর সবাই ধরল গান গাইবার জন্য, কেউ কেউ বললো, ওরা নাকি এতক্ষণ গান গাইতে ছিল, কেউ নাকি বাদ যায়নি। অনেকক্ষণ গাই গুই করার পর রিটু ভাই শুরু করলো "শ্রবণের মেঘ গুলো জড়ো হল আকাশে" আর মান্নান তাতে তাল দিলো। রিটু ভাইয়ের গান শেষ এবার শিল্পার পালা, সে সরাসরি বলে দিলো সে গান গাইবে না, কি আর করার মান্নানেরই গাইতে হবে। মান্নান কি গাইবে এই চিন্তা নিয়ে সে অস্থির। হটাত মনে পড়লো আরে সারাদিন অফিসে বন্ধী থাকা অবস্থায় সে দুইটা গান শোনে এক "জেলখানার চিঠি" আর অন্যটা প্যাসেঞ্জার ব্র্যান্ডের Let Her Go। জেলখানার চিঠি দিয়েই শুরু করা যাক, এখানে একটা কথা বলে রাখি, কেউ জানে না মান্নানের সব মনের কথা এই গানের প্রতিটা লাইনে তার প্রতিফলন আছে। প্রতিটা বন্ধী মানুষের জন্য একদম পারফেক্ট একটা গান, মান্নান অনেক দিন ধরে গলা ছেড়ে গান গায় না, কেননা একে তার গিটার অনেক দিন ধরে ভাঙ্গা ঠিক করা হয় নাই কিংবা নতুন একটা কিনবে যে, তার সে সময় কই ? আর গাবেই বা কিভাবে ? ইট পাথর দেয়ালের ভিতরে আর যাই আসুক গানের আসল ফিলিংস আসে না। এইখানে ফুল ফিলিংস আছে, আছে চাদের আলো।

গান শেষে শিল্পা বলল এখানে আর বসা ঠিক হবে না, তারা যে বাড়িতে থাকবে সেই বাড়ির সামনে গিয়া যা খুশি তাই করা যাবে কিন্তু এখন সবাই একটা গ্রামের ভিতরে আছে, এইখানে চিল্লা চিল্লি করা সম্বব না। তাই সবাই মিলে আবার বাড়ির সামনে গেলো। ওখানে যাবার পর আবার শুরু হল ফান, নাহ এভাবে আর সম্ভব না। আবার সবাই ধরল হিটু ভাইকে একটা গান গাইবার জন্য, এবার সে গাইলো পাহাড়ি "গ্যাদা আর গ্যাদির" গান। সেই মজা পাইলাম। সত্যি অনেক ভালো একটা গান। এবার মান্নান গাইলো বরিশালের ভাষার আঞ্চলিক গান, শুনে সবাই হাসতে হাসতে শেষ। কেউ কেউ আবার রেকর্ডিং করার জন্য আবার গাইতে বলল, কিন্তু মান্নান আর গাইলো না, গানের ভিতরে কিঞ্চিত কিছু খোচা মারা টাইপের কথা ছিল, মান্নান জানে না তার সেই খোচা মারা গানের কথার অর্থ সবাই বুঝতে পারছে কিনা, না বুঝলে নাই...... মুড়ি খাও।

গান শেষে আবার ফান, আর কত সহ্য করা যায়, সহ্যের সীমা শেষ হয়ে যাবার পর কিছু কথা মান্নানের মুখ থেকে বের হলো যা বলা মান্নানের একদম উচিত হয় নাই, কোন দরকারই ছিল না। মান্নান কথা গুলো যাকে বলছে, সে শুনে প্রথমে একটু থমকে গিয়েছিল কিন্তু তাকে উস্কে দেবার জন্য কে জানি আবার বলে উঠল, "আরে আমি তোমাকে খুব ভালো রেসার ভাবছিলাম, এভাবে থেমে গেলে হবে" ? মান্নান বুঝতে পারলো সে পরিবেশকে অযথাই ভারী করে ফেলেছে, এটা আর বাড়তে দেয়া যায় না, তাই সে সবাইকে সিগারেট অফার করে পরিবেশ হালকা করে নিলো', যারা খায় না তাদেরও অফার করলো। সিগারেট অফার করে সবাইকে বলল, "বিড়ি ফুঁকে যে যার মতো ঘুমাতে যাবা, কাল অনেক ভোরে উঠতে হবে...... যেতে হবে অনেক দুর"। সিগারেট খাওয়া শেষ।

চারটা সিগারেটের অপাংতেও অংশ নিঃসঙ্গ হয়ে জ্বলছে, বাতাসে সেই অঙ্গার আবার কিছুটা তালে তালে ফুঁসে ওঠার বৃথা চেষ্টা চলছে, লাভ নেই...... ফুস করে নিভে গেলো। চাঁদটা হেসে ফেললো "এতক্ষণে বুঝি নিস্তার হল তার"।


চলবে............
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভ্রমণব্লগ: আলোছায়ার ঝলকে এক অপার্থিব যাত্রা”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

মালয়েশিয়া আমার বেশ পছন্দের একটি দেশ। আমার জীবনের একটি অংশের হাজারো স্মৃতি এই দেশে। একটা সময় ছিল যখন এই দেশ ছিল আমার সেকেন্ড হোম।‌ এখন ও আমার আত্নীয়-স্বজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×