somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

The Red Balloon (1956) মুভি রিভিউ : Beyond The Earthbound Life

১৪ ই মে, ২০১৫ রাত ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



স্কুলে যাওয়ার পথে ছোট্ট ছেলেটা একটা লাল বেলুন খুঁজে পায়। ল্যাম্পপোস্টের সাথে গিট্টু মারা।খুব বেশি পরিশ্রম ছাড়াই প্যাসকেল বেলুনটা খুলে নিল।
এবং খুব শীঘ্রই আবিস্কার করল বেলুনটার নিজস্ব চেতনা এবং নিজের ইচ্ছামত চলাফেরা করার ক্ষমতা আছে!
The Red Balloon (1956) — সম্ভবত অ্যালবার্ট ল্যামোরিসের করা সেরা ফিল্ম। সহজ সরল একটা কাহিনী। কন্সেপ্টটা সুন্দর। মাথা খারাপ করা দৃশ্যায়ন, ফ্রেঞ্চ মুভির সহজাত বৈশিষ্ট্য। এবং সাউন্ডট্র্যাক — মুভির জাত চেনাতে যথেষ্ট।

Title : The Red Balloon
Original Title : Le Ballon Rouge
Release Date : 19 October, 1956
Director : Albert Lamorisse
Country /Language : France /French
IMDb : 8.2 (http://m.imdb.com/title/tt0048980/)
Rotten Tomatoes : 95%
Running Time : 34 mins
Genre : Fantasy, Short, Family

অনেকগুলো অ্যাওয়ার্ড এবং নমিনেশন পায় The Red Balloon। এটাই একমাত্র শর্ট ফিল্ম যেটা একই সাথে অস্কারে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট রাইটিং (অরিজিনাল স্ক্রিনপ্লে) লরিয়েট এবং বেস্ট লাইভ অ্যাকশন শর্ট ফিল্ম বিভাগে নমিনেটেড। কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এটা জিতে নেয় Short Film Palme d'Or (কান ফিল্ম ফেস্টে শর্ট ফিল্মকে প্রদেয় সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পুরস্কার)। ১৯৫৬ সালে মুভিটা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে ক্রিটিকদের কাছ থেকে প্রশংসা ও পজিটিভ রিসেপশন পেতে থাকে।অসামান্য ক্লাসিক মুভিটা শিশুদেরতো বটেই একরকম সবারই প্রিয় হয়ে যায়।অস্কার পাওয়ার পর থেকে এর জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়ভাবে বাড়তে থাকে।তবে পরবর্তীতে এটা দৃশ্যায়নের স্থানের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।প্যারিসের Belleville এলাকায় মুভিটার সবগুলো দৃশ্য ধারণ করা হয়।পুরোনো ফ্রান্সের ছাপ ফেলে যাওয়া বেলভিলে ৬০ এর দশকের শুরুর দিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।আর মুভিটা বেলভিলে এলাকার কালার রেকর্ড হিসেবে গৃহীত হয়।
মুভিতে অ্যালবার্ট ল্যামোরিসের দুই সন্তান প্যাসকেল ল্যামোরিসে ও স্যাবাইন ল্যামোরিসে অভিনয় করে।কেন্দ্রীয় চরিত্রে প্যাসকেল অভিনয় করে এটা এতক্ষণে আন্দাজ করে ফেলার কথা।

মুভিতে প্যাসকেল অল্প সময়ের মধ্যে বেলুনটার সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলে।প্যাসকেল যেখানেই যায় বেলুনটাও সাথে সাথে তাকে অনুসরণ করে।এমনকি কখনো কখনো দুষ্টুমি করতেও দেখা যায় তাদের দুজনকে।
কিন্তু পথচারীরা, বাসের সহযাত্রীরা বা অন্য কেউই ব্যাপারটা ভালোভাবে দেখল না।বেলুনের কারণে স্কুলের প্রিন্সিপালের রোষানলে পড়ে প্যাসকেলকে শাস্তি ভোগ করতে হয়।তবে বেলুনটাই আবার সে যাত্রা থেকে তাকে রক্ষা করে।প্যাসকেলের সহপাঠীরা অবশ্য বেলুনের প্রতি খুব আগ্রহী বলে মনে হলো। সবাই বেলুন ধরার জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করল।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাড়িতে এসে — প্যাসকেলের মা কিছুতেই বেলুন বাড়িতে রাখতে দিলেন না।তবে এই মানিকজোড় খুব তাড়াতাড়িই সমস্যার সমাধান করে নিল।
এবার সবকিছু ঠিকঠাক থাকার কথা।

কিন্তু শেষপর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকল না।একদল উপদ্রব উপস্থিত হলো।যাদের উপস্থিতিতে চারপাশ বিষিয়ে গেল।এবং টুইস্ট অ্যান্ড টার্ন প্রকাশ না করার শর্তে আমি সিনপসিস আর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি না।

দেখে ফেলা যেতে পারে মুভিটা। It deserves watching.

আরেকটু বলে রাখি,মুভির এন্ডিং সিন একেবারে মাথা খারাপ করা অনুভূতি সৃষ্টি করে।জাস্ট এই শেষ দৃশ্যের জন্য আমি মুভিটাকে আরো কয়েকটা অস্কার দিয়ে দিতাম।

কৃতজ্ঞতা : অ্যালেক্স আলীম স্যার, যার কারণে বছর দুয়েক আগে মুভিটা দেখা সম্ভব হয়, এবং আমি ঠিক করে ফেলি মুভি অ্যাডিক্ট হয়ে যাব ।

*এফবিতে মুভি অ্যান্ড সিরিজ অ্যাডিক্টেড গ্রুপে এই রিভিউটা প্রথম লিখেছিলাম।
fb তে রিভিউ লিঙ্ক : Click This Link

**Fetch me on fb : http://fb.com/MuhaiminNafis



সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:০১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এটাই কি সামুর প্রথম পোস্ট?

লিখেছেন অধীতি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩১


https://www.somewhereinblog.net/blog/deborah/9
২০১৩ সালের দিকে ঢাকায় আসি। তখন মাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করেছি। ঢাকায় এসে যেই বিষয়টা নেশার মত হয়ে যায় তা হলো বিভিন্ন জায়গায় কম্পিউটার চালানোর জায়গা ছিল। ডেমরা রানী মহল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার : খাল বাবা স্বয়ং

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮

আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার কমন প্রশ্ন ফাঁস করে দিলাম। পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার মহাপ্রতিভাবান খাম্বা/খাল বাবা। তিনি HSC ডিগ্রীধারী হলেও তার প্রতিভা আকাশচুম্বী। রবিঠাকুর বা নজরুলের সাথে তার কোন তুলনা হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×