বাংলাদেশে 11 জানুয়ারী যাকিছু হয়েছে সেটি পর্দার আড়ালে হয়নি। সবকিছুই হয়েছে প্রকাশ্যে এবং বৃটিশ হাই কমিশনার হিসাবে আমার সকল কর্মকান্ডই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে বৃটিশ সরকারের নিদের্শে। এমন অভিমত ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধূরী। গতকাল লেবার পার্টির রাজকীয় রেস্টুরেন্ট
রেডফোর্ডে (বাংলাদেশী মালিকানাধীণ) আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে নৈশ ভোজ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিক দের সাথে মত বিনিময় কালে আনোয়ার চৌধূরী আরো বলেন বাংলাদেশের মানুষ একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছে । তবে বর্তমান সরকারকে কখ্নই সামরিক সরকার বলা যাবেনা, তবে এই সরকারের প্রতি সামরিক বাহিনীর সমর্থন রয়েছে। মিস্টার চৌধুরীরর কাছে জানতে চাইলাম বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের নির্বাসনে প্রেরনের পরিকল্পনার কথা, হেসে দিলেন আনোয়ার চৌধূরী , বললেন তুমি অনেক বেশী ডিপ্লোমেটিক হয়ে গেছো? তবে তিনি এও বললেন রাজণৈতিক দলগুলোর মধ্যে গনতন্ত্রের চর্চাটা খুব জরুরী, নিজ দলের মধ্যে গনতন্ত্রের চর্চা না থাকলে দেশে গনতন্ত্র আসবে কিকরে? এত লোক থাকতে কেন ফখরুদ্দীকে আনা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন ফফরুদ্দীণই ভালো বলতে পারবেন তাকে কে এনেছে। কবে নাগাদ নিবার্চন হবে সেই প্রশ্নে উত্তরে আনোয়ার চৌধূরী বলেন 13/14 মাস তো লাগবেই!!!
প্রশ্ন আর পাল্টা পশ্নে যখন আনোয়ার চৌধূরীর মূখ লাল হয়ে উঠেছিলো তখন খবর পেলাম শ্রীলংকার সাথে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে ভারত 178 রানে 9 উইকেট হারিয়েছে। চিৎকার দিয়ে উঠলাম আমি, আনোয়ার চৌধূরী বললেন চিৎকার করছো কেন? আমি বললাম আপনার ভাগ্য ভালো আজ শ্রীলংকা ভারতের ক্রিটেক ম্যাচ হচেছ। আর এই ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের সুপার এইটে খেলা। তানাহলে আপনাকে আরো কঠিন প্রশ্নের মোকাবেলা করতে হতো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




