মেঘের মতো গুমোট আমি সবসময়
তাই বলে ভেবনা আবার
কারও জন্য ডেকে আনি
দুঃসময়।
আবার কখনও বা আনন্দের আবির ছড়ানো মুখে,
চঞ্চল চোখে বারেবার খুঁজে যাই যেন কাকে।
ভেবেছি জীবন বুঝি এমনি
কাটছে কাটুক না, ঠিক তেমনি।
এলোমেলো ঝড়ে বদলে গেলো আমার তরু,
তারই ছায়ায় আমার স্বপ্নকবিতা শুরু।
ভেবে যাই তাকে আমি নিজের চেয়েও বেশি
কখনও কি বোঝে সেই
বালিকা কোমলকেশী।
দূরত্বের তফাতে যখন
শীর্ণ অসহায় আমি
অপেক্ষায় সে ভাবছে তখন
হারিয়ে গেলে তুমি।
বোঝাই আমি নিজেকে তখন
দুখের সেই সাঁঝে
হারাতে যদি হয় কখনও
হারাবো তোমার মাঝে।
মন খারাপের ভেলা ভাসিয়ে
গম্ভীর রেখে মুখ,
গভীরে রেখেছি, এনে দেবো তোমায়
পৃথিবীর সব সুখ।
চোখ আমার সেই গাছের পাতা
কষ্ট শিশির ভরা,
নাড়া দিওনা ভুলেও যেন
ভিজে মুটিয়ে যাবে ধরা।
এই ফাল্গুনে আমি পাতা ঝড়া গাছ
মনে এক অদ্ভুত শূন্যতা,
আসছে ফাল্গুনে হয়তোবা দেখবে
আমার পাথর মৌনতা।
কেঁদে কেঁদে যখন বালিশ আমার
হয়ে গেছে ভার,
হাতে নিতেই ছিঁড়ে গেলো আজ
গিটারের একটা তার।
হতাশার চাপে ফেটে পড়ি আমি
কষ্ট মেশে বাতাশে,
ধীরে ধীরে সূর্য তখন
উঁকি দেয় পূবের আকাশে।
কখনও ভাবিনি এমনটি হবার
করেছি কি এমন কর্ম ?
নিজের অজান্তে আজ রুপ দিয়েছি
এক দীর্ঘ কবিতার জন্ম !
০৯/০১/২০০৯
টু কিল এ মকিং বার্ড
মিরপুর, ঢাকা
(অখাদ্য বলতে পারেন, তবুও কষ্ট করে গিলে নিবেন। অনেক আগের লিখা তারপরও শেয়ার করলাম)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


