কদিন আগে পুলিশের হাতে ধরা পড়া নাশকতা কারীদের মধ্যে দু একজনকে পাওয়া যায় যারা পেশায় মূলত পরিবহন শ্রমিক, দু' একজন ফুটপাতের হকার এমনকি দু'একজন ছোট খাট দোকানীর কথাও শোনা গেছে। এটাই কিন্তু স্বাভাবিক। রাস্তায় পরিবহন চলতে পারছে না, ফুটপাতে হকার পশরা সাজিয়ে বসতে পারছে না। ছোটখাটো/টং দোকানীরা দোকান খুলতে পারছে না। কিন্তু তাই বলে কারো পেটের ক্ষুধা তো আর বন্ধ হচ্ছে না।
প্রত্যেকের সংসার আছে, ছেলেমেয়ে আছে। তাদের তো খেতে দিতে হবে। যোগানটা আসবে কোথা থেকে? ফলে কেউ কেউ যেমন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজে নেমে পড়ছে কেউ আবার উঠে পরেছে উলটোরথে। জড়িয়ে পড়ছে নাশকতা মূলক কাজে।
দায়টা কার? পেটের না রাজনীতিবিদদের? নাকি খোদ স্রষ্টার যিনি এই সাধারণ মানুষগুলিকে কতগুলি মানব রুপি দানবের অধীনস্থ করে পাঠিয়েছেন।
আজ যখন খবরের কাগজে দেখতে পাই বন্ধুক যুদ্ধে নিহত দুজন পরিবহন শ্রমিক। তখন চোখের সামনে সেদিনের দেখা সেই মুখগুলোর ছবিই ভেসে উঠছে। যারা স্ব স্ব কর্মের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে নাশকতামূলক কর্ম কাণ্ডে জড়িয়ে পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।
প্রশ্নটা হল কে তাদের এ পথে টেনে আনল? এই অপরাধের দায় আসলে তার কতটা ছিল?
[email protected]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



