আওয়ামী লীগ, বিএনপি জামায়াত যারাই দেশের টাকা খরচ করে দেশ বিরোধী প্রচারণা চালাতে বিদেশে লবীষ্ট নিয়োগ করে তাদের বিরুদ্ধে কি কোন ব্যবস্থাই নেয়া যায় না?
এটা কি দেশ বিরোধী কাজ নয়?
এই লবীষ্টরা প্রভাবিত করছে বাংলাদেশের ব্যাপারে বিদেশীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে। যার সরাসরি প্রভাব পরে বিনিয়োগ, রপ্তানি বাণিজ্য, জনশক্তি প্রেরণের ক্ষেত্রে তারপরেও কেন এটাকে আইন করে বন্ধ করা হচ্ছে না?
দেশের টাকা খরচ করে দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডকে কোন যুক্তিতে বৈধতা দেয়া হবে? আর বৈধতা যদি নাই দেয়া হয়ে থাকে তাহলে এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে কেন দেখা যাচ্ছে না?
যুক্তরাষ্ট্রে যা বৈধ ত সবটাই আমাদের মত দেশে বৈধতা পেতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোন মাথা ব্যথা নেই যে তার দেশের ব্যাপারে অন্য কোন দেশ কি সিদ্ধান্ত নিলো বা না নিলো। কিন্তু আমাদের মাথা ব্যথা আছে। কেননা আমরা দেশের উন্নয়ন এমনকি দেশে স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রেও ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কাজেই আমাদের ভাবনাটা তাদের সাথে মিলবে না।
কে লবিষ্ট নিয়োগ করল সেটা বড় কথা নয়। যেই করুক তা যে রাষ্ট্রের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেই করছে, এটা তো ঠিক।
বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করার প্রয়োজন হলে সরকার করবে। তার সমন্বয় করবে সেখানকার বাংলাদেশি দূতাবাস। যার একমাত্র লক্ষই থাকবে বিদেশে দেশকে ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করা ।
এভাবে লবিষ্ট নিয়োগের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করা বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনে দ্রুত উদ্যোগ নিন।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



