somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাধারন জনগনই যেন রাষ্ট্রের প্রধান প্রতিপক্ষ?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই মুহূর্তে রাজউকের সবথেকে বেশী জরুরী কাজ বলে বিবেচিত হচ্ছে উত্তরার সেক্টর সমুহের বিভিন্ন আবাসিক ভবন-এ অবস্থিত ছোট ছোট অফিসগুলি উচ্ছেদ করা এবং সকল আবাসিক ভবনকে কমার্শিয়াল ভবনে রূপান্তরের চেষ্টা!
আবাসিক ভবনের নিচ তলায় অবস্থিত বইয়ের দোকানকে বন্ধ করে দিতে হবে কারণ ঐ ভবনটি কমার্শিয়াল ভবনের অনুমোদন নেয়নি। কিন্তু আস্ত আবাসিক ভবনটি স্কুলে রূপান্তরিত করা হলেও সেটি উচ্ছেদ হবে না। কারণ নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি দিয়ে রাজউক থেকে ভবন মালিক অকুপেন্সি সার্টিফিকেট নিয়েছেন । অতএব সেটি এখন কমার্শিয়াল ভবন। এখন আসুন আসল ঘটনায় ভবন মালিককে এই যে বিশাল অঙ্কের টাকা গুনতে হল সেটি কে দিবেন?
নিশ্চিত ভাবেই সেটি গিয়ে বর্তাবে ভারাটিয়ার উপরে। ভাড়াটিয়াকে হয় মিথ্যে বলে ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে হবে, চোরের মত পালিয়ে অফিস চালাতে হবে। নয়ত রাতারাতি ডাবল ভাড়ায় অফিস নিতে হবে। বিবেচনাটা ভারাটিয়ার। সত্যিই আমাদের ঘিলুটাই এত কম যে, এত ভাল বিষয়গুলি কিছুতেই মাথায় ঢোকে না।

ভবনে অফিসিয়াল কাজ হচ্ছে বলে ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট শাস্তির অঙ্ক পরিশোধ করে দুই মাসের আল্টিমেটাম মেনে পুনঃ সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।
তাঁর মানে হল ব্যবসা করবেন? তাঁর আগে আপনাকে কোটিপতি হতে হবে। নয়ত অফিস স্থাপন করতে পারবেন না। যেহেতু আপনি একজন ছোট এন্টারপ্রেনার সেহেতু এতদিন ধরে আপনি ৩৫/৪০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ায় যে অফিসটি চালাচ্ছিলেন। সেটি আর হবে না। এবার আপনাকে একটি অফিস চালাতে হলে লাখ - দেড় লাখের অঙ্ক ছুতে হবে। নয়ত এন্টারপ্রেনারের স্বপ্নটি এবার ভেঙ্গে ফেলুন। সুখ স্বপ্ন ভেঙ্গে উঠে দেখুন রাস্তায় কত রোদ!
আমাদের বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে বিদ্যুতের লোডশেডিং ম্যানেজমেন্টের থেকে জরুরী বলে মনে হয়েছে রাজউকের এই মহতি উদ্যোগকে এগিয়ে নেয়া। আবাসিক ভবনকে কমার্শিয়াল ভবনে রূপান্তর করা। যাতে বৈদ্যুতিক বিলটি সহজেই কমার্শিয়াল করা যায়। তাই তাঁরা সমানে বৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলেছেন। অথচ তাঁরা চাইলে এই ব্যবহার অনুযায়ী ফ্ল্যাটের বিলটি সহজেই নির্ধারন করে নিতে পারতেন।
আমর মত যারা ভাগ্যবান ভাড়াটিয়া তাঁরা প্রিপেইড মিটারের সুবিধা ভোগ করছি। আর ভোগ করছি বলেই বুঝতে পারছি জনস্বার্থে এবং দেশের স্বার্থে এর প্রয়োজন কতটা জরুরী। দুর্ভাগ্যজনক হল বিদ্যুৎ বিভাগ এই পাইলট প্রকল্পের সুফল বোধ করি এখনও উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়নি। নয়ত এই প্রকল্পটি এগিয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল সেই বিদ্যুৎ গতিতেই। কিন্তু তা হয়নি। সমানতালে চলেনি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করন কার্য্যক্রম।
সাধারন জনগনকে রাষ্ট্র কি এভাবে প্রতিপক্ষ বানিয়েই যাবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×