somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপনার শিশু সন্তানটিকে আপনিই আগলে রাখুন

০৮ ই অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অন্যায়কে প্রশ্রয় অন্যায়ের মাত্রা বাড়ায় এটা কি নতুন কোণ কথা? অপরাধীকে আশ্রয় দিবেন। অপরাধের বিচার না করে দিনের পর দিন ঝুলিয়ে রাখবেন, অপরাধ প্রবণতা বাড়বে না?
ধর্ষণের শাস্তিা মৃত্যুদন্ড নির্ধারন করা হোক। একই সাথে স্বল্পতম সময়ে বিচার শেষ এবং রায় কার্যকরের বিধান করা হোক। যারা এই বিচারকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হোক। তাতে শুধু ধর্ষণই কমবে না। নারী নির্যাতনও উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।
গত বছরের প্রথম তিন মাসে মোট ১৪৫টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল, এ বছর (জানু-মার্চ) তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬ জনে। সূত্র প্রথম আলো।
কারণ আর কিছুই নয় গত বছরের ঐ ১৪৫ শিশু ধর্ষণের বিচার পায় নি। পেলে এ বছর ১৭৬ জনে তা উন্নীত হত না।

যাদের উপর এর দায় বর্তায় তারা কি আদৌ চান ধর্ষণের ,মত এই নারকীয় পৈশাচিকতা বন্ধ হোক? যদি বন্ধ হোক সেটাই চাইতেন তাহলে তারা বলুক এটা বন্ধে কি এমন করেছেন।

ধর্ষক; সে পাড়ার মাস্তান হোক, দলের ক্যাডার হোক কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সে ক্ষমতাবান। অর্থের বিচারে বলুন, রাজনৈতিক শক্তির বিচারে বলুন কিংবা অবস্থানগত ভাবে বলুন। সে ক্ষমতাবান। সে ক্ষমতাবান বলেই সে অন্যায় করার সাহস পায়। তাদের সেই ক্ষমতার উৎস কোথায়? প্রতিটি ঘটনার পরে আমরা কিন্তু সেটাও জানতে পারি। কেবল জানতে পারি না সেই পেছনের ক্ষমতাবানরা কখনো জবাবদিহিতার সম্মুখীন হয়েছেন কিনা। উল্টো আমরা লজ্জা পাই যখন দেখি নেতারা ধর্ষণের আলোচনার টেবিলে বসে আগে পরে তুলনামূলক চিত্র একে নিজেদের সময়ে হওয়া ধর্ষণকে স্বাভাবিক বলে দেখানোর চেষ্টা করেন। তারা কি বোঝেন না, ধর্ষিতার যন্ত্রণা এতে বাড়ে বৈ কমে না। ধর্ষকের সাহস এতে আরও বাড়ে। এ সব শুনে তারা শোল্লাসে মাতে। দ্বিগুণ উৎসাহে দ্বিতীয়বার অপরাধের জন্য প্রস্তুত হয়।
অপরাধী জানে এ দেশে এত সহজে কিছু হয় না। প্রথমত তারা বিশ্বাস করে ধর্ষিতা ক্ষমতাহীন সে কিছু করতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, সে বিশ্বাস করে সমস্যা হলে তার বাপেরা (সে যাদের হয়ে কাজ করে) তাকে বেচে যেতে সাহায্য করবেন। তৃতীয়ত, সে খুব ভাল করেই জানে এ দেশে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কথা। সে এও জানে টাকা থাকলে উকিল পাড়ায় তার জন্য এমন অনেক জাঁদরেল আইন জীবীও আছেন যারা টাকার গন্ধ পেলে নিজের মেয়ের ধর্ষককেও বাঁচিয়ে আনতে লজ্জিত হন না। নয়ত বিচারের চলমান অবস্থায় ধর্ষকের পাশে দাঁড়িয়ে তার যে আইনজীবী দু আঙ্গুলে "জয়"সূচক চিহ্ন দেখান বিচার শেষে যখন প্রমাণিত হয় আসামি অপরাধী এবং সে দণ্ডিত হয় তখন তার সেই আইনজীবী তো লজ্জায় আত্মহত্যা করার কথা। কেউ না জানুক ঐ আইনজীবী তো প্রথম দিনই সত্যটা জানতেন তারপরেও দিনের পর দিন সত্য মিথ্যের মিশেলে আদালত ধোঁকা দিয়ে আসামীকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করে গেছেন। তার কি ঘরে মেয়ে নেই সে কি কোন মায়ের সন্তান নন তার কি লজ্জায় মরে যাওয়ার কথা নয়? কেউ কি আজ পর্যন্ত তাদের লজ্জিত হতে দেখেছেন? দেখেন নি। অতএব...... পাঠক আপনার শিশু সন্তানটিকে আপনিই আগলে রাখুন। চারিদিকে শকুনের থাবা। তা থেকে তাকে বাচাতে হলে আপনাকেই উদ্যোগী হতে হবে।


সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:০৫
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেমোরি লুপ (Memory Loop)

লিখেছেন চারাগাছ, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৪




মেমোরি লুপ (Memory Loop)

​গভীর রাত। ল্যাবের নিস্তব্ধতা চিরে শুধু ভেসে আসছে মনিটরের নীলচে আলোর মৃদু কম্পন। টেবিলের ওপর ঝুঁকে বসে আছেন ডা. আরিয়ান। স্ক্রিনে ভাসছে তার বহু বছরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মেসি’ নামক মুগ্ধতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪২


লিওনেল, রোজারিও থেকে ঢাকা । বার্লিন থেকে নিউইয়র্ক । ২০০৬ থেকে ২০২৬ । উড়ন্ত কৈশোর থেকে পড়ন্ত যৌবন । ফুটবল পায়ে তোমার প্রতিটা পদক্ষেপের সাথে আমরা ছিলাম । আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×