somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ব্লগার আকাশ
দিন-রাত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি দেখতে ইচ্ছা হয় (দেখিও বটে)। পাশাপাশি কলকাতার মুভিগুলোও অনেক ভালো লাগে। যদিও ভালো মতো লিখতে পারিনা, তাও এগুলো নিয়ে লেখা-লিখি করতে অনেক ভালো লাগে।

তামিল, তেলুগু অভিনেতা রিভিউঃ ৬ষ্ঠ পর্বঃ সুপারস্টার রজনীকান্ত

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধারাবাহিক রিভিউ পোস্টে এবার হাজির হলাম লেজেন্ড অভিনেতা রজনী স্যারের বিস্তারিত নিয়ে। একটু সময় নিয়ে পড়ুন। আশা করি অনেক কিছুই জানতে পারবেন



╚═══► ব্যক্তিগত তথ্যসমূহ ◄═══╝
●► প্রকৃত নামঃ শিবাজি রাও গায়কবাড়।
●► অন্যান্য নামঃ সুপারস্টার, থালাইভা।
●► জন্মঃ ১২ ডিসেম্বর ১৯৫০
●► জন্মস্থানঃ ব্যাঙ্গালোর, মাইসোর রাজ্য (বর্তমানে কর্ণাটক), ভারত।
●► মাতৃভাষাঃ মারাঠি।
●► বাসস্থানঃ চেন্নাই, বাসস্থান, ভারত।
●► পেশাঃ অভিনেতা, প্রযোজক, স্ক্রীনপ্লে লেখক।
●► উচ্চতাঃ ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি, ১.৭৫ মিটার।
●► ওজনঃ ৭০ কেজি।
●► বডিঃ বুক- ৪০ ইঞ্চি, কোমর- ৩০ ইঞ্চি, দ্বিশীর মাংসপেশী- ১৩ ইঞ্চি।
●► চুলের রঙঃ কালো।
●► চোখের রঙঃ কালো।
●► রাশিঃ ধনু।
●► ধর্মঃ হিন্দু।
●► শিক্ষাঃ স্কুল- সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাঙ্গালোর। কলেজ- এমজিআর ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট, তামিল নাড়ু।


╚═══► পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব ═══╝
●► বাবাঃ রামোজি রাও গায়কবাড়
●► মাঃ রামাবাই।
●► ভাইঃ সত্যনারায়ণা রাও, নাগেশ্বরা রাও। (দুজনেই রজনীকান্তের বড়)
●► বোনঃ শ্রীমতি অশ্বথাম্মা। (রজনীকান্তের বড়)
●► স্ত্রীঃ লাথা রঙ্গাচারী রজনীকান্ত (সাবেক প্রযোজক, গায়িকা)। বিবাহ- ১৯৮১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী।
●► মেয়েঃ ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত ধানুশ (জন্ম- ১৯৮২)।
সৌন্দরিয়া রজনীকান্ত (জন্ম- ১৯৮৪)।
●► অন্যান্যঃ রজনীকান্তের মেয়ে ঐশ্বরিয়াকে ২০০৪ সালে বিবাহ করেন তামিল অভিনেতা ধানুশ। অর্থাৎ রজনীকান্ত হলো ধানুশের শ্বশুর। এছাড়া মিউজিক কম্পোজার অনিরুদ্ধ রবিচন্দনের ফুফা।


╚═══► প্রিয় ব্যক্তি/বস্তুসমূহ ═══╝
●► প্রিয় শহরঃ চেন্নাই।
●► প্রিয় পানীয়ঃ জুস।
●► প্রিয় রঙঃ কালো।
●► প্রিয় খাদ্যঃ মুরগীর মাংস, ভেড়ার মাংস।
●► প্রিয় পোশাকঃ সাদা পাঞ্জাবি।
●► প্রিয় জায়গাঃ হিমালয়া।
●► প্রিয় ভাষাঃ ইংরেজী।
●► প্রিয় হলিউড অভিনেতাঃ সিলভেস্টার স্ট্যালোন।
●► প্রিয় ভারতীয় অভিনেতাঃ কমল হাসান।
●► প্রিয় অভিনেত্রীঃ রেখা। (বলিউড অভিনেত্রী)
●► প্রিয় সিনেমাঃ বীরা কেসারি (১৯৬৩, কন্নড়); নিজের ক্যারিয়ারের প্রিয় সিনেমা- মুল্লুম মালারুম (১৯৭৮, তামিল)। তবে রজনীকান্ত হলিউডের ফিল্ম বেশি পছন্দ করেন।
●► প্রিয় উপন্যাসঃ কালকি কৃষ্ণমূর্তির "পন্নিয়িন সেলভান" (১৯৫১-১৯৫৪), টি জনকিরমণ এর "আম্মা ভান্থাল" (১৯৭২)। দুইটাই তামিল ভাষার।
●► প্রিয় লেখকঃ জয়াকন্ঠন, রামানা মহশ্রী। (ভারতীয় লেখক)
●► প্রিয় কবিঃ কন্নড়াসান। (জনপ্রিয় তামিল কবি)
●► প্রিয় মিউজিশিয়ানঃ ইলায়ারাজা। (সাউথ ইন্ডিয়ান)
●► প্রিয় খেলাঃ ক্রিকেট।
●► প্রিয় রাজনীতিবিদঃ লি কুয়ান ইউ। (সাবেক সিঙ্গাপুর প্রেসিডন্ট।


╚═══► ফিল্ম ক্যারিয়ার ═══╝
●► মোট সিনেমাঃ ১৫০+।
●► বর্তমান পারিশ্রমিকঃ আপকামিং "কাবালি"তে ৪৮/৫০ কোটি। ২০১৭ তে আসন্ন "এন্থিরান টু/রোবট টু"তে ৬০ কোটি।
●► প্রথম সিনেমাঃ অপূর্ভা রাগাঙ্গাল (১৯৭৫)।
●► আপকামিং সিনেমাঃ কাবালি (মে/জুন, ২০১৬)

●► IMDb তে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া পাঁচ সিনেমাঃ থালাপতি (১৯৯১)- ৮.৬, থিল্লু মুল্লু (১৯৮১)- ৮.৬, কাথা সাঙ্গামা (১৯৭৫)- ৮.৬, বাঁশা (১৯৯৫)- ৮.৩, মুল্লুম মালারুম (১৯৭৮)- ৮.২।


╚═══► অ্যাওয়ার্ডস জয় ═══╝
●► সাউথ ফিল্মফেয়ারঃ ১টি। ১৯৮৪- সেরা অভিনেতা (নাল্লাভানাকু নাল্লাভান)।
●► সিনেমা এক্সপ্রেস অ্যাওয়ার্ডসঃ ৭টি। যার ভেতর ৫টি সেরা অভিনেতা- ১৯৮৪ (নাল্লাভানাকু নাল্লাভান), ১৯৮৫ (শ্রী রঘবেন্দ্র), ১৯৯১ (থালাপতি), ১৯৯২ (আন্নামালাই), ১৯৯৫ (বাঁশা, মুথু)।
●► ফিল্মফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ডসঃ ৮টি।
●► সাউথ স্ক্রীন অ্যাওয়ার্ডসঃ ১টি। ১৯৯৫- সেরা অভিনেতা (পাড্ডারায়াডু)।
●► তামিল নাড়ু স্টেট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডসঃ ৬টি।
●► বিজয় অ্যাওয়ার্ডসঃ ৪টি।
●► এনডিটিভি অ্যাওয়ার্ডসঃ ৩টি।


╚═══► সম্মাননা ═══╝
●► কালাইমানিনি (১৯৮৪)- তামিল নাড়ু সরকার থেকে।
●► এমজিআর অ্যাওয়ার্ডস (১৯৮৪)- তামিল নাড়ু সরকার থেকে।
●► পদ্ম ভূষণ (২০০০)- ভারত সরকার থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
●► রাজ কাপুর অ্যাওয়ার্ডস (২০০৭)- মহারাষ্ট্র সরকার থেকে।
●► ভারতীয় সিনেমায় অবদানের জন্য শিবাজী গণেসান অ্যাওয়ার্ডস (২০০৭)- বিজয় অ্যাওয়ার্ডস।
●► এমজিআর শিবাজি অ্যাওয়ার্ডস (২০১১)- তামিল নাড়ু সরকার থেকে।
●► গ্রেটেস্ট লিভিং লেজেন্ড (২০১৩)- এনডিটিভি থেকে।
●► ফিল্ম পার্সোনালিটি অফ দ্যা ইয়ার (২০১৪)- ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল অফ ইন্ডিয়া।
●► পদ্ম বিভূষণ (২০১৬)- ভারত সরকার থেকে।


╚═══► যোগাযোগ ═══╝
●► ঠিকানাঃ ১৮, রঘবা বীরা এভিনিউ, পোয়েজ গার্ডেন, চেন্নাই-৮৬, তামিল নাড়ু।
●► টুইটারঃ http://www.twitter.com/superstarrajini
(রজনীকান্তের অফিসিয়াল কোনো ফেসবুক পেজ নেই। তার নামে সকল পেজ-ই তার ফ্যানদের সৃষ্টি।)


╚═══► পার্সোনাল রেটিংসহ আমার দেখা সেরা কয়েকটি রজনীকান্তের সিনেমা ═══╝
১। এন্থিরান/রোবট (২০১০)- ৯.১/১০
২। চন্দ্রমুখী (২০০৫)- ৮.৭/১০
৩। শিবাজী (২০০৭)- ৮.৪/১০
৪। লিঙ্গা (২০১৪)- ৮.১/১০
৫। মুথু (১৯৯৫)- ৭.৮/১০
৬। বাঁশা (১৯৯৫)- ৭.৫/১০
(রজনী স্যারের সামান্য কয়েকটা সিনেমা দেখেছি। সামনে আরো দেখবো। এই লিস্টটাতেও পরিবর্তন ঘটবে নিশ্চিত।)


╚═══► রজনীকান্ত সম্পর্কে জানা-অজানা আরো কয়েকটি তথ্য ═══╝

=> মাত্র ৫ বছর বয়সেই রজনীকান্ত তার মাকে হারায়। রজনীর বাবা ছিলো পুলিশ কর্মকর্তা।

=> মারাঠি আর কন্নড় ভাষা জানা ছিলো রজনীকান্তের। তামিলে প্রথমত খুবই দুর্বল ছিলো।

=> প্রথমত রজনীকান্ত বাসের কন্ডাক্টারি করতো। তার আয় ছিলো মাসে ৭৫০ রুপি। চেন্নাইয়ের ফিল্ম ইন্সটিউটে পড়ার জন্য রাজ বাহাদুর নামে এক বন্ধু তাকে টাকা দেন।

=> রজনীকান্তের "মুথু" (১৯৯৫) সিনেমাটি জাপানে ডাবিং হয় "ড্যান্সিং মহারাজা" নামে। যা টোকিওতে ২৩ সপ্তাহ চলে। জাপানে তার প্রচুর ফ্যান!

=> সবসময় নিজে ড্রাইভিং করতেই পছন্দ করেন। এটা তার একটা হবি।

=> ডিরেক্টর কে. বালাচন্দরকে গুরু মানেন রজনী। তিনিই রজনীকে সিনেমায় সুযোগ করে দিয়েছিলেন। "রজনীকান্ত" নামটাও তারই দেওয়া!

=> ছোটবেলা অভাবের মধ্যে কেটেছে রজনীকান্তের। অনেকসময় ঘরে পর্যাপ্ত খাবার থাকতো না। অনেক সময় তার বড় দুই ভাই নিজেরা কষ্ট করেছে, কিন্তু রজনীকে খাবারের কষ্ট বুঝতে দেইনি কখনো। তাই রজনীকান্ত তার ভাইদের উপর দারুণভাবে কৃতজ্ঞ।

=> টাকা+জনপ্রিয়তার সম্মিলিত ফোবর্স ইন্ডিয়ান সেলেব্রেটি র্যাংকের সর্বশেষ সংস্করণে তার অবস্থান ৬৯তম। বার্ধ্যক্যের কারণে এখন মুভি কম করে, অন্যথায় টপ লেভেলে থাকতো।

=> পারিশ্রমিক, জনপ্রিয়তা, অভিনয় দক্ষতা বা যে কোনো দিক দিয়েই রজনীকান্ত সাউথ ইন্ডিয়ায় স্বীকৃতভাবে নাম্বার ওয়ান। পুরো ভারতেও সর্বকালের সেরা কয়েকজন অভিনেতার ভেতরে থাকবে।

=> হানি সিংয়ের গাওয়া ২০১৩ সালের বহুল জনপ্রিয় "লুঙ্গী ড্যান্স" (চেন্নাই এক্সপ্রেস) গানটি ছিলো রজনীকান্তকে নিয়েই রচিত। রজনীকান্ত ফ্যানদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রেখেই গানটি বানানো হয়েছিলো।

=> রজনীকান্তের ফ্যান-ফলোয়িং ইত্যাদি কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে তৈরি করা হয় "For The Love Of A Man" সিনেমাটি।

=> রজনীকান্ত একজন দানশীল ব্যক্তিও বটে। ডিসেম্বর ২০১৫'র চেন্নাই বন্যা ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি রুপি দান করেন। এর আগেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার দানশীল মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়।

=> শাহরুখ খান, মহেশ বাবু, বিজয়, অজিথ-সহ অনেক তারকারাই রজনীকান্তের ফ্যান!

=> "টিকিট না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা রজনীকান্ত ফ্যানের!"- রজনীর নতুন মুভি বের হলেই এমন নিউজ দেখা যায় ভারতীয় পত্র-পত্রিকায়!

=> ২২ বছর আগে চেন্নাইয়ে, রজনীকান্তের জন্মদিন পালন করে ফেরার পথে অ্যাক্সিডেন্টে মৃত্যু ঘটে ৩ জন ফ্যানের। এরপর থেকে আর কখনোই জাক-জমকভাবে জন্মদিন পালন করেনা রজনীকান্ত।

=> রজনীকান্তকে নিয়ে তামিল নাড়ুর পাঠ্যবইয়ে একটি অধ্যায় আছে! "From Bus Conductor To Film Star" শিরোনামে।

=> সম্প্রতি ৬০০ কেজি চকলেট দিয়ে বানানো হয়েছে রজনীকান্তের একটি মূর্তী। যার উচ্চতা ৬ ফুট।

=> রজনীকান্তের সিগারেট ধরানোর স্টাইল ব্যাপক জনপ্রিয়। এটার প্র্যাকটিস তার কলেজ লাইফ থেকেই! বড়দের গ্যাংয়ে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নাকি এই কৌশল বের করেছিলেন!

=> রজনীকান্তের বেশিরভাগই সিনেমাই তামিল ভাষার। হিন্দি, মালায়ালাম, কন্নড় আছে কয়েকটি করে। এছাড়া একটা হলিউড ফিল্ম করেছে। একটি বাংলা সিনেমাতেও তার ক্যামিও রোল আছে। তবে মাতৃভাষা মারাঠিতে কোনো মুভি নেই!

=> কোনো মুভিতেই রজনীকান্তের শেষ পরিণতি মৃত্যু হয়নি! তার ফ্যানেরা পর্দাতেও তার মৃত্যু সইতে পারবেনা... এই ভেবেই এ ধরনের স্ক্রীপ্ট লেখার সাহস করেনি কেউ।

=> ২০১১ সালে শোনা যায়, রজনীকান্ত সিঙ্গাপুর হাসপাতালে ভর্তি, তার কিডনির প্রয়োজন। এই নিউজে তার এক ফ্যান অত্যাধিক ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তার উদ্দেশ্য ছিলো, তার কিডনি দিয়ে রজনীকে বাঁচানো। পাড়ার লোক টের পেয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। রজনীকান্তের জামাই ধানুশ, সেই ফ্যানটির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। আসলে "কিডনি প্রয়োজন" ঐ খবরটা ছিলো গুজব!


লেজেন্ড অভিনেতাদের ভেতরে আমি কমল হাসানের পরেই রজনীকান্তের ভক্ত। Love You #Rajini Sir!


কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। সকল তথ্যই বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইট থেকে সংগ্রহীত। ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আগের ৫ পর্বে ছিলো বিজয়, আল্লু অর্জুন, মহেশ বাবু, প্রভাস, অজিথ কুমার। যারা দেখেননি, দেখে নিলে খুশি হবো। ৭ম পর্বে হাজির হবো অন্য কারো বিস্তারিত নিয়ে। ধন্যবাদ আবারো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:০৫
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একটি পরিচ্ছন্ন শৌচাগার

লিখেছেন রাজসোহান, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮



বাড়িটা দেখতে বাড়ির মতো না, যেনো একটা ঘোষণা। দ্যাখো, আমি কে।

গেটে দুইটা সিংহ, পাথরের, মুখ হাঁ করা; সিংহ দুইটা কী পাহারা দিচ্ছে তারা নিজেরাও জানে না। ভিতরে উঠান... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×