১
প্রথমেই আসছে হিমু। হিমু হুমাযুন আহমেদের একটি সৃষ্ট চরিত্র।আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা ক্যারেক্টার।আমার মত আরো অনেকে পছন্দ করেন।এই দলে আপনিও থাকতে পারেন, নাও থাকতে পারেন।হুমায়ুন আহমেদের হিমু দিনরাত খালি হাটে।হাটাহাটি ই তার প্রধান কর্ম।তার মধ্যে অতিপ্রাকৃতিক কিছু গুনাবলী ও মাঝে মাঝে দেখা যায়।হিমু নামটা শুনলেই আমার হলুদ পাঞ্জাবীয়ালা ঘর্মাক্ত একজন মানুষের কথা মনে হত আগে।কিন্তু এখন হিমু নামটা শুনলেই ডিমাকৃতির কিছু জিনিস চোখের সামনে ভাসে।এর কারন ব্লগার হিমু ভাই।তিনি বিশাল সব যুক্তি তর্ক দিয়া নেভারেষ্ট সিরিজ লেখছিলেন।যাতে প্রথমে মনে হইছিল মুসা এভারেস্ট জয় করে নাই।এটা নিশ্চিত।পরে নাকী তিনি ই আবার স্বীকার করেছেন মুসা এভারেস্ট জয় করেছেন।
তবে এর মাঝখানে তিনি এমন সব যুক্তি তর্ক আর ডীম একেছেন যে মাথায় প্যাচ লেগে যাওয়ার মত অবস্থা।তাই এখন হিমু নামটা শুনলে অশ্বডিম্বের কথা প্রথমে মনে আসে।
২
দ্বিতীয় নামটা রুবাইয়াত।ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত।আগে শুনলে মনে হইত বিশাল এক জিনিস।মহান এক গ্রন্থ।কিন্তু কিছুদিন আগে মেহেড়ঝান নামে একটা ছবি নির্মান করলেন আরেক রুবাইয়াত।মেহেড়ঝান নামটা শুনলে আলিফ লায়লা অথবা নূরজাহানের কথা মনে হয়।রুবাইয়াত ও আলিফ লায়লা স্টাইলের নাম।কিন্তু ঐ আলিফ লায়লা টাইপের নাম দিয়া মেহেড়ঝান ছবিতে নাকী তিনি বীরাঙ্গনাদের অপমান করছেন।এই নিয়া ব্লগে অনেক অনেক পোস্ট পড়ছি।ব্লগ পুরা উত্তপ্ত ছিল।যেদিকে থাকানো যায় খালি রুবাইয়াত আর রুবাইয়াত।মেহেড়ঝান আর মেহেড়ঝান।এই রুবাইয়াত আবার ব্লগারদের লেখালেখিতে ক্ষেপে গিয়া ব্লগারদের “আজাইরা” বলেছিলেন। আজাইরা শব্দটার সঠিক অর্থ কি জানি না।তবে এটাকেও আলিফ লায়লা স্টাইলের কিছু মনে হয়।
এখন রুবাইয়াত শব্দ শুনলে আগে মনে আসে মেহেড়ঝানের রুবাইয়াতের কথা।
৩
ছাগল একটি শান্ত শিষ্ঠ লেজ বিশিষ্ঠ প্রাণী।গৃহপালিত জন্তু।ছাগল আমাদের দুধ দেয়,আমাদের ছাগলের বাচ্চা দেয়।তাই ছাগল বা ছাগু নামটা শুনলে আগে প্রথমেই মনে আসত সেই শান্ত শিষ্ঠ ভদ্র নম্র প্রানীটার কথা।ছাগুর নির্দোষ দুটি চোখ ভেসে উঠত।কিন্তু ব্লগে আসার পর ছাগল বা ছাগু শব্দ এখন শুনলে আর ঐ নিরীহ প্রাণীটার কথা মনে আসে না।নির্দিষ্ট এক জাতের ব্লগারের কথাই মনে পড়ে প্রথমে।বাংলা ব্লগের এ এক বিরাট অর্জন।একটা নিরীহ প্রানীর নামকে কলুষিত করা হল ব্লগজগতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



