রাত ১২ টা ১ মিনিটে গুলশানে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেতাকর্মী পরিবেষ্টিত উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মদিনের কেকগুলো কাটেন খালেদা।
এর আগে তিনি জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যোগে প্রকাশিত ‘মাতৃস্নেহে বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করেন।খালেদা জিয়ার বিভিন্ন সময়ের আলোকচিত্র নিয়ে এ বইটির প্রকাশক জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা।
জন্মদিনের কেক কাটার সূচনাতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "ম্যাডাম, আপনি এ জন্মদিন পালন করতে চাননি। আমরা আপনার অনুসারী হিসেবে এ জন্মদিন পালন করছি। আমরা মনে করি, এ দিনটি কেবল জন্মদিন হিসেবে নয়, আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে আমরা পালন করছি।"
খালেদার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল জানান, চারটি কেকই এতিমখানায় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিরোধী নেত্রী।
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.
উপরের লেখাগুলো বিডিনিউজ২৪ এবং বাংলা নিউজ২৪ থেকে প্রাপ্ত।এখন আরো কিছু জিনিস দেখিঃ
দেশনেত্রী যেসব জন্মদিনের কথা লোককর্নের সামনে প্রতীয়মান হয়েছে সেগুলো হলঃ
জন্মদিন এখন একটাই পালিত হয়।১৫ ই আগস্ট।তবে জন্মুদিন পালন না করতে মিছিল প্রতিবাদ এমনকি তাকে অনুরোধ পর্যন্ত করা হয়।তিনি মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র নেত্রী এবং ব্যক্তি যার ক্ষেত্রে এরকম হয়।
দেশনেত্রীর এমন জন্মদিন মহিমা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।কোন দেশের নেতা নেত্রী কিংবা কোন ব্যক্তির ও এমন জন্মদিন মহিমা নেই এটা নিশ্চিত।এজন্য আমাদের উচিত কোন প্রকার সমালোচনা না করে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো।আর তিনি মনে মনে গাইতে পারেন , জন্ম আমার ধন্য হল মা গো...................................................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



