আজকে একটা ছোট ভাইয়ের প্রেমলীলা জ্ঞাপন করবো, শৈশবে আমরা সবাই কম বেশি দু একটা প্রেম করেছি এবং কেউ কেউ হয়তো এখনো করি। অনেকে আবার এই সময়ে হাতের কাছে দুই একটা মেয়ে বন্ধু রাখাটা অনেকটাই ভাবের বস্তু মনে করেন। বন্ধু বান্ধবদের সাথে ঘুরতে বেরিয়েছি, এমন সময় ফোনটা বের করে - "হ্যাঁ, বেইবী তুমি কেমন আছো, কি কর কিংবা কি দিয়ে লাঞ্চ করেছো?" জিজ্ঞাসা করতে ভুলি নাহ।
কিশোর বয়সে কম বেশি সবারই দু চারটা ব্রেক আপের ঘটনা আছে, কিন্তু এই ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। ছোট ভাইটা এক মেয়ের পেছনে এত টাকা লুটিয়েছে যে এখন আর রিকভারি করা সম্ভব নয়। দুই দিন আগে মেয়ে কে ফোন দিয়ে দেখে ফোন ওয়েটিং, ঘন্টার পর ঘন্টা ফোন ওয়েটিং থাকার পর জানতে পারলো, এই মেয়ে উহার মত আরো কমপক্ষে ১০ জনের সাথে ফোনে কথা বলে, বাইরে ঘুরতে যায়, কে এফ সি কিংবা পীজা হাটে অবাধে ডেটিং এবং রিলেশনশিপ নামের ফাঁদে ফেলে ছেলে গুলোর সর্বস্ব কেড়ে নেয়। পড়াশুনা তুঙ্গে উঠে, বাসায় বাবা মায়ের প্রতি কোন খেয়াল থাকে নাহ কিন্তু যখন তারা সকলেই ঐ একটা জিনিস উপলব্ধি করে ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়।
মেয়ের বয়স বেশি নয়, ঢাকার এক নাম করা ইংরেজী মাধ্যম স্কুলে ১০ শ্রেনীতে পড়ে আর ছোট ভাইটা এইবার ও লেভেল শেষ করে এ লেভেলে পড়াশুনা করছে। দুজনের পরিচয় ফেসবুকে আর সেখান থেকেই জানা পরিচয় হতে হতে উহাদের মাঝে একটা সখ্যতা গড়ে উঠেছিলো, এখন ছেলেটার দিকে তাকাতেও মায়া লাগে। বাসায় যদিও কেউ জানে নাহ, কিন্তু জানলে ছেলেটার যে শরীরে হার মাংস থাকবে না তা আমি ভালই বুঝি।
নিরাপত্তার খাতিরে মেয়েটার নাম, স্কুলের নাম এবং আমার পরিচিত ছোট ভাইয়ের পরিচয় গোপন রাখলাম। আমি কেন জানি মানুষ কে সহজে বিশ্বাস করতে পারি নাহ, আর এজন্যই এখনো পর্যন্ত কোন রিলেশনশীপে জড়িয়ে সর্বস্ব খোয়াতে হয়নি। এসব সামাজিক ক্রাইমের কোন বিচার নেই। সরকার, আদালত বা থানা পুলিশ এগুলোর বিরুদ্ধে কোন মামলা নেয় কিনা আমার সন্দেহ আছে। আর নিলেও অপরাধীর যথাযথ শাস্তি হয় নাহ, প্রত্যক্ষ প্রমাণ, সাক্ষী ইত্যাদির অভাবে এগুলো ধামাচাপা পড়ে যায়।
ব্যাপারটা নিতান্তই দুঃখজনক, এরকম আপনাদের অনেকের সাথেই হর হামেশা ঘটে। ক্রোধের বসবর্তী হয়ে আপনি কিছু করলে লোকে আপনাকেই খারাপ বলে এবং উলটো আপনারই ক্যারিয়ার, লাইফ এবং অতঃপর অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি পড়ে যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





