
কোটর থেকে বহির্গমনরত চোখটির বিষ্মিত চাহনি
কোন এক হিংস্র হাত চুইয়ে তার দেহের রক্তে
লাল গালিচা তৈরি হচ্ছে বিশেষ অতিথির জন্য,
আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে প্রশ্নাতুর দৃষ্টি প্রসারিত-
দেহ হতে বিচ্ছিন্ন হবার কারণ জানতে চায়।
অথচ গতকালও সে মায়ের মমতাময়ী মুখ দেখেছে
বাবার রাগান্বিত চোখ দেখে নিজের দৃষ্টি অবনত করেছে
প্রেমিকার চোখে এ চোখ রেখে প্রেমে ডুব দিয়েছে
রাষ্ট্রের অনিয়মের নিয়মে পথ দেখে চলেছে।
এইতো সেদিনই চোখে কি যেন পড়ল!
কি অসহ্য যন্ত্রণা, চিৎকার চেঁচামেচি
মা ব্যতিব্যস্ত হয়ে ছুটে এসেছিলেন সব কাজ ফেলে
শাড়ীর আঁচল দিয়ে সযতনে ধুলা সরিয়ে দিলেন
যন্ত্রণা কমাতে ফুঁ দিয়ে দিলেন, গরম সেঁক দিলেন।
এমনকি আজ ভোরেও এ চোখ রক্তিম সূর্যোদয় দেখেছে
আরো বেশ ক'বছর প্রিয় ভূমে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেছে
পরক্ষণে আবার রাজপথে নেমেছে নৈরাজ্য ঠেকাতে
মুখ থুবড়ে পড়া রাষ্ট্রের সংস্কার করবে বলে।
অথচ এই মুহুর্তে সে একটা পিংপং বল কেবল
কোন এক নিষ্ঠুর মানব সন্তানের হাতে
নির্বাক প্রশ্ন তার, জবাব চায় নির্মমতার
মহামান্য রাষ্ট্র, উত্তর দিন!
রাষ্ট্র মৃদু হেসে তৎক্ষনাৎ স্ট্রেইট জানিয়ে দিল,
তোর চোখ থাকার অধিকার নেই। দেখার অধিকার নেই।
কোন অধিকার নেই!
০৮.০৮.২০১৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ছবি কৃতজ্ঞতা: গুগল
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




