
শৈশবকালে গাঁয়ের ধারে
ছিল এক বুড়ো বটগাছ,
ছায়ার নিচে কত শতখেলা
ভুলিয়ে দিত সব কাজ।
গ্রামের মানুষ ঘুরিয়া ফিরিত
সন্ধ্যা নেমে এলে।
জুড়ায়ে যেত সবার ক্লান্তি
ফিরিয়া সেই বটমূলে ।
এই বিটপীর নিচে বসে বসে
গান বাধিত বাউল লালন।
সেই গাছ কেটে আজ সাবাড় করিল
কোন সে পাপী,লোভী জন।
পথের ধারেতে কতশত পথিক
ছায়ায় পড়িত বসে।
আজ সে পথে ধুলি উড়ে শুধু
হাহাকারে মিলেমিশে।
সবুজের ডালি তুলে নিলি
যারা, ওরে উম্মাদ, চন্ডাল,
বটমূলে নয় নিজের পায়েতে
সজোরে মেরেছিস কুড়াল।
শুনরে ও পাপী, নরকের কীট,
বটমূল নয়, কেটেছিস তুই আস্থা।
নিজের হাতেই নিজে করেছিস
নরকে যাবার রাস্তা।
মনে রাখিস, যেদিন বুকে টান
পড়িবে, ক্ষয়ে যাবে সব আয়ু,
সেদিন মূর্খ কেঁদে কেটে বটমূলে
পাবি নাকো কোন বায়ু।
উৎসর্গঃ সেই বটগাছটিকে।
ছবিঃ গুগল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


