হয়তো সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে নতুন ধারার রাজনীতি। সিলেট-১ আসন থেকে চার দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন সদ্য সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি মহাজোটের আবুল মাল আব্দুল মুহিত। যে দলই যাক এই দুজনের একজন হচ্ছেন বাংলাদেশের আগামী অর্থমন্ত্রী। এই মিল ছাড়াও এই দু’জনের আরও অনেক মিল রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এরা দু’জন সহপাঠী।
বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা মানেই হচ্ছে নিজে কি করলাম বা করব সেটায় না গিয়ে প্রতিপক্ষের গিবত করা। সেটা তারা চরম চরম পৈচাশিক উল্লাসের সাথেই করে থাকেন। এবং আমরা আম জনতা সেগুলো দেখেই অভ্যস-। বরং এর ব্যতিক্রম হলে আমরা অবাক হই। সিলেটবাসীর অবাক হওয়ার পালা শুরু সেই গত নির্বাচনের সময় থেকে। ঐ আসনের এমপি হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর সেখানে আওয়ামীলীগের নতুন প্রার্থী হন আবুল মাল আব্দুল মুহিত। প্রাক্তন এই সচিব দীর্ঘদিনে দেশের বাইরে ছিলেন। হয়তো পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে তিনি ওয়ান ইলেভেনের আগে যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় শুরু হয় তখন নিজেকে ব্যতিক্রমী ভাবে উপস্থাপন করেন। সে সময় একটি নির্বাচনী সমাবেশে সিলেট আওয়ামীলীগের এক প্রবীণ নেতা যখন মঞ্চে ভাষণ দেবার সময় প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাইফুর রহমান ও তার আর্শীবাদ পুষ্ট আরিফুল হকের বিরুদ্ধে বিষদাগার শুরু করেন তখন তিনি তাকে থামিয়ে দিয়ে মঞ্চের মধ্যেই জিজ্ঞাস করেন, আপনি যে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বলছেন আপনার সাথে কোন এভিডেন্স আছে? ঐ ভদ্রলোক না বললে তিনি বলেন এই গুলো বাদ দিয়ে আপনার যদি আর কিছু বলার থাকলে বলেন। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী এসময়েও তিনি তার শিষ্টাচার ঠিক রেখে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ওয়ান ইলেভেন পূর্ববর্তী সময়ে সাইফুর রহমান গতানুগতিক বিষদাগারের রাজনীতি চালিয়ে গেলেও গতকাল তিনিও পাল্টেছেন নিজের খোলস। এবার তিনিও বলছেন ভ্রাতৃত্বের রাজনীতির কথা। গতকাল মৌলভীবাজার-৩ আসনের প্রচারণার সময় তিনি বলেন, ‘আবুল মাল আব্দুল মুহিত ভালো মানুষ। তিনি আমার সহপাঠী। দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। এখন দেশে এসেছেন। দেশ নিয়ে চিন্তা করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এদের মতো মানুষ বড়ই দরকার।’ তিনি নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চা নয়। এটা আমার অনুরোধ। এটা আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আমি ভালো কাজ করলে আমাকে ভোট দেবেন। ভালো কাজ না করলেও আমি আপনাদের ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে চাই। এটা আমার শেষ প্রত্যাশা।’
আলোচিত ব্লগ
রাজনৈতিক দল গঠনের মতো জনপ্রিয়তা ইউনুস সাহেবের ছিলো না ।

মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন
সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।