
ইংল্যান্ড দল বাংলাদেশে আসবে কি না সেটা নিয়ে কত জল ঘোলঘুলি। অবশেষে মরগান সাফ সাফ জানিয়ে দিল সে আসবে না বাংলাদেশ সিরিজে। তারপর আরও কঠিন হয়ে পড়লো বাংলাদেশের সাথে ইংল্যান্ড সিরিজ। অবশেষে হাল ধরেন বাটলার। তার অনুপ্রেরণা ও চেষ্টা বেশি ছিল। তারপর শুরু হল বাংলাদেশ আর ইংল্যান্ডের সিরিজ।
১ম ম্যাচ দেখে এত মন খারাপ হয়েছিল তখন মনে মনে ভাবলাম আর খেলা দেখবো না। টাইগাররা খেলবে আর আমি খেলা না দেখে বসে থাকবো??? শুরু করলাম দেখা ২য় ম্যাচ।
আসল প্রসঙ্গে ফিরে আসি, প্রথম দিকে বাংলাদেশ ব্যাটিং ধস শুরু হলেও ম্যাশ ভাইয়ের খেলা ছিল দেখার মত। এক কথায় মন ভরে গেল। বাংলাদেশ ২৩৮ রানে এসে পৌছালো। এবার ইংল্যান্ডের পালা, সেখানেও ম্যাশ আর সাকিব ভাইয়ের তান্ডব। ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ধস শুরু হল।
ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন ২৭ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান। একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করছিলেন অধিনায়ক জস বাটলার। ছয়জন ব্যাটসম্যান আউট হলেও মোটামুটি ঠাণ্ডা মাথায় খেলছিলেন বাটলার। ব্যাট করছিলেন ৫৬ বলে ৫৭ রান নিয়ে। এ সময় ২৮তম ওভার করতে আসেন তাসকিন, তার করা প্রথম বলটিই খেলতে ব্যর্থ হন বাটলার। বল গিয়ে সরাসরি তার প্যাডে আঘাত হানে। তাসকিন নিজের সর্বোচ্চ শক্তিটুকু দিয়ে আবেদন করলেও সেটা বাতিল করে দেন। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। রিভিউতে বাটলার আউট হয়। সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একটু বুনো উল্লাসে মেতে ওঠে। বিষয়টি হয়তো পছন্দ হয়নি ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের, সাথে সাথে রিএক্ট করে। এমন সময় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাটলারের সাথে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে। বাটলারের জায়গাতে এমন সময় একজন খেলোয়াড়ের এমন রিএক্ট অস্বাভাবিক কিছু না। তাছাড়া বাটলার একজন যথেষ্ট ভদ্র খেলোয়াড়।
বাটলার তার দিক দিয়ে বাংলাদেশকে যথেষ্ট সন্মান দেখিয়ে বাংলাদেশ সিরিজে এসেছেন ও সিরিজ পরিচলনা করছেন। এটা সাধারন মানুষ না জানলেও আমাদের খেলোয়াড়দের মনে রাখা গুরুত্বপূর্ন। কিছু না হোক গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তিদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া উচিৎ। তাছাড়া আমার ব্যাক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে আমাদের কিছু সিনিয়ার খেলোয়াড়দের এখন একটু সংযত হওয়া উচিৎ। একটি নির্দিষ্ট বয়স প্রর্যন্ত আবেগ ছেলেমানুষী মানায় তারপর আর মানায় না। বিগত ও বর্তমান বিশ্বের সিনিয়ার খেলোয়াড়দের দিকে তাকালে সেটাই লক্ষ্য করা যায়।
গত টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতে বিপক্ষে আমাদের মুশফিক শেষের দিকে একটি চার মেরে উল্লাস করে যদিও পরে ম্যাচটি আমাদের জেতা হয়নি। সেখানে ধোনী একটু খুচা দিয়ে বলেছিল জেতার আগে উল্লাস করা ঠিক না। যদিও আমার সহ অনেকেরই এমন আবেগী উল্লাস ভাল লাগে কিন্তু সেটা যেন বেশি না হয়ে যায়।
সবশেষে টাইগারদের অভিনন্দন বিশেষ করে ম্যাশ ভাইয়ের। তার জন্য বুকের এককোণে একটু জায়গা সব সময় রির্জাভ থাকে। বেশি ভাল লেগেছে নাসির আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে ও তার প্রয়োজনীতা আজ হাড়েহাড়ে বুঝিয়েছেন। সিরিজ জেতার আশায় থাকলাম....... শুভ কামনা টাইগারদের জন্য।
(দয়া করে কেউ আমার লেখায় কষ্ট নিবেন না। আমার কাছে কিছু উচিৎ অনুচিত মনে হয়েছে সেগুলো শুধু মাত্র আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। কারো কোন বিষয়ে কষ্ট মনে হলে নিজ গুনে ক্ষমা করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে)
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




