মধ্যবিত্ত পরিবারে ঈদের চাঁদ যে খুশী বয়ে নিয়ে আসে তার চাইতে ঢেড় বেশী খুশী বয়ে নিয়ে ইংরেজী বর্ষপন্জিকার ফেব্রুয়ারী মাস।অনেক অপেক্ষার ৩১ আর ৩০ এর পরে আগমন ঘটে এই মাসের।
চাকুরিজীবিদের মনে এক আজব ধরনের ভালোলাগাও কাজ করে।সেই ভাবনার কাছে হার মানে প্রতিদিনের বিকেলে অফিস থেকে বাড়ী ফেরার পথের অসহ্য যানজটও।
কোন এক মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তা বিকেলে চা খেতে খেতে হযত স্বপ্ন দেখে এই মাসের দুই দিনের খরচ বাচিয়ে ছেলেটাকে বই মেলায় নিয়ে যাবে।না হয় একটা ভালো শার্ট কিনে দিবে।ছেলেটা এত কষ্ট করে তবুও মুখ ফুটে বলেনা।স্বপ্ন ভাঙতে সময় লাগেনা।গিন্নির নতুন কোন আবদারেই তা ভেঙে যায়।
গিন্নি তখন রান্নাঘরের কোনায় কেবল ভাবতে থাকে ইস এই মাসে দুই দিনের বাসা ভাড়া যদি কম দেওয়া যাইত।পরক্ষণে সেও ভাবে পরের মাসেতো দুইদিন আগে বাসা ভাড়া দিতে হবে।
এমন পরিবারের ছেলেটি হয়তবা একদিন বন্ধুদের আড্ডায় সাহস করে বলে ফেলে আজকে সে খাওয়াবে।ভালো কোন রেস্টুরেন্টের মুরগীর রানটা চিবুতে চিবুতে সে কেবল ভাবতে থাকে বিলকার্ড হাতে নেওয়ার মুহুর্ত আর শেষে ওয়েটারকে বকশিসও।
উদাস মনে পড়ন্ত বিকেলে প্রেমিকার মুখে সুখ খুঁজে বেড়ানো ছেলেটিও ভাবতে থাকে দুই দিনের খরচ বাচিয়ে এবারের ভ্যালেন্টাইনে তাকে একটা সারপ্রাইজ সে দিবেই।
মাসের শুরুতেই দুইদিন কমের কথা মাথায় নিয়ে পথ চলা শুরু হয় কিন্তু অন্যদিকে খরচের তালিকাও বেড়ে বেড়ে দুইগুন হয়ে যায়।তখন শুধু কোনরকমে মাস পার করে পরের মাসে পা দেওয়াটাই বড় ব্যাপার।আখেরে ২৮ আসতেই এখনও অনেক দেরী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



