"নারী" এমন একটা শব্দ যার সাথে মিশে আছে অনেক গুলো সম্পর্ক, অনেক রকমের চিন্তা ধারনা। নারীরা একদিকে যেমন মা, কখনো বোন, আবার কখনো ভাবী, চাচী,মামী, খালা এবং এক সময় নিজের স্ত্রী। এই নারীর আবার আরেক রূপ হলো *শ্যা, মা*, ন*, ছিনা*, খান*। তার এই রূপের নাম প্রসটিটিউশন। অপর দিকে একজন পুরুষ মানুষ বাবা, চাচা, পুত্র, মামা এবং একসময় স্বামী। মজার বিষয় পুরুষ মানুষের আর ভিন্ন রূপ এই সমাজ ব্যবস্থা বের করতে পারেনি। একটা মেয়ে/মহিলা কখনোই নিজের ইচ্ছায় প্রসটিটিউশনে আসে না। তাকে কখনো শারীরিক কিংবা মানসিক ভাবে বাধ্য করা হয় নিজের শরীরকে বিক্রি করার জন্য। আর আমরা দুধে ধোয়া তুলসিপাতা পুরুষ মানুষেরা তাদের দৈহিকভাবে তো ব্যবহার করেই ছাড়ি না তার সাথে ওই মহিলার "থুক্কু" কথিত আমাদের সুস্থ সমাজের দেয়া সেই বিখ্যাত শব্দ *শ্যা, মা*, ন*, ছিনা*, খান*দের মানসিক ভাবেও ধর্ষন করে আসি প্রতিটি মুহূর্তে। মানসিক ভাবে নির্যাতনের স্বীকার কোন মানুষ কখনো আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে না। শারীরিক ভাবে ধর্ষন থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়, কিন্তু মানসিক ভাবে ধর্ষন হওয়া থেকে কোন কিছুই রক্ষা করতে পারে না। মানসিক ভাবে একটা মানুষ প্রতি মুহূর্তেই ধর্ষন হতে থাকে। নিজের প্রতি ঘেন্যা চলে আসে, বেঁচে থাকার ইচ্ছা পঁচে-গলে খসে যেতে থাকে সেই ঘেন্যার সাথে সাথে। প্রসটিটিউশনের মূল কারন অসুস্থ মস্তিষ্কযুক্ত পুরুষ(!!!)। তাদের দৈহিক চাহিদা পূরনের জন্য এই নিষিদ্ধ পল্লী/পতিতা/পতিতালয়ের সৃষ্টি। দিনে দুপুরে এইসব গলিতে/পল্লীতে যেতে নেই। আর গেলেও এমনভাবে যাও যাতে কেউ তোমাকে না দেখে। এই হলো আমাদের সুস্থ সমাজের নমুনা। কেউ তার নিজের শরীর বিক্রি করছে, অন্যজন তা উপভোগ করছে। কিন্তু আমার কথা হল, যেহেতু "এক হাতে তালি বাঁজে না" তাহলে নারীকেই কেন অপরাধী করা হয়? পুরুষকে নয় কেন? পুরুষও সমান ভাবেই অপরাধী.
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



