আসলে ভাবতেছিলাম যে পরীক্ষা টরিক্ষা দিয়া একবারে যাই , কয় দিনে আর কত বাড়বো । এরমধ্যে ড্রপ শেষ হওয়াতে গেলাম । সেদিন নতুন ড্রপ দিলেও ডাক্তার কইতেছিল চেক আপ সারতে । যাইহোক । দোষ আমার ছাড়া অন্য কারো না । 22 তারিখ সকালে মনে হইলো বাও চোখ নাচতাছে আর ডাইন চোখ কেউ গালাইয়া দিতাছে । অনেক কিছু দেখি আবার বহুত কিছুই দেখি না । নাসিররে পাওয়া গেল ফোনে । অসাধারণ মানুষ । ডাকা মাত্র সাড়া দিলো ।চোখের ডাক্তার কয়েকদফা চেষ্টা কইরাও মণি বড় করতে পারে না ।কয় এক্ষনি হাসপাতালে যান ।তখন চোখ ভর্তি অলরেডি এট্রফিন জাতীয় জিনিস । নাসির লগে না থাকলে কই যাইতাম কে জানে । সামনে যা দেখি সবই ফ্ল্যাশব্যাক মনে হয় । যাই হোক । গেলাম হাসপাতালে ।ইমারজেনসিতে ।চোখের ডাক্তার দেইখা কয় আপনার লগে যে আছে ওরে কন বাসা থিকা কাপড়-চোপড় নিয়া আসতে । আপনার বাসায় যাওয়া লাগবো না । আর এইরকম এক্সপ্লোর-মোমেন্টে আইলো কেমনে ? আমি জানিনা আপনের চোখ আর আগের অবস্থায় আইবো কিনা । এইবার ডরাইলাম । নাসির বাসায় গেল ।চোখে শুরু হইলো সিরিজ ড্রপ । এই ভাবেই গত এগারো দিনে বিভিন্ন কাজে মোটমাট 4 বার অপারেশন থিয়েটারে নিয়া নানারকম কইরা এইবারের মরেতা দুযের্াগ ঠেকানো হইলো । চক্ষু টা আছে । তাই আবার ব্লগাইতাছি ।11 দিনে টানা মনে হয় 2 ঘন্টাও ব্লগ ছাড়া তিছু ভাবতে পারি নাই ।মিস করছি কইলে আহ্লাদি মনে হইবো । আসলে মিস করি নাই,,,,রীতিমতো তড়পাইছি ।আপনাগো মন্তব্য পইড়া কি আর কমু ..আমি আসলে ভাব-ভালোবাসার কথা কইতে পারি না....অঅবেগ আছে..প্রকাশ নাই।
হাসপাতালবাসের উপর পোস্ট দিমু একটু সময় লইয়া । আইজকাতো আবার খেলা । অঅইজকা কথা কই সবার সাথে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




