অস্পষ্ট রোদে যাওয়া যায় যে কোন দিকে । বিষাদ সিন্ধুর ছাদে উত্তাপ বাড়লে স্যান্ডেল ঘষতে ঘষতে দুপাশের বুনো রহস্য ফুড়ে , টি.এস.সি.র মনোযোগী প্রেমিকা-প্রেমিকদের আবছা বিরক্তিতে ফেলে ক্যাফেটেরিয়ার বারান্দায় উঠে সিগারেটে আগুন । অনেক সখা-সখী কিংবা ঘাসের উপর এতিম রোদ পেরিয়ে সমাজবিজ্ঞানের সামনে অসাবধান দিবাচর শেয়ালকে চমকে দিয়ে এগিয়ে যাওয়া । প্রীতিলতা-জাহানারা ইমাম- নওয়াব ফয়জুন্নেসা চলে যান একে একে । মোড়ের বুড়ো কাঠাল গাছের নীচে আবারও তামাক। প্রান্তিকের সব টেবিল খালি ।বসেন বস....অকারণে চা নিয়ে সামনের দেওয়ালে একদশক আগের জীর্ণ পোস্টার চেখে দেখা। ষষ্ঠ পকেট থেকে আনকোরা কোন ছোট কাগজ বের করে যে কোন লেখায় দশক খোজার চেষ্টা । বৈদু্যতিক বাতি জ্বলতে জ্বলতে ভরে ওঠে টেবিল গুলো । কারো চোখে পড়ি না । একসঙ্গে অনেকগুলো আমি এবং আমরা পরবতর্ী সিটিং এর পরিকল্পনা ভাঁজে । মোহিনি-রাঙা চোখে কেউ হাঁকে চায়ে দুধ চিনি লিকার সর্বাধিক্যের। সরব কাব্য, উচ্চকণ্ঠ পলিটিক্স, অমুকের সাথে তমুকের ইয়ে, তামাকের কমিউন......বাতি জ্বলতে থাকে....টেবিল খালি হয়...কেরোসিনের চুলা নেভে...বস আর চা খাইলে কন..বাড়িজ্জামু...ঝিরঝিরে বাতাসে সোডিয়াম চৌরঙ্গী..ট্রানসপোর্ট ....'আলীকান্তে'...বাঁশির বেসুরো সলো...শেয়ালেরা উঁকি মেরে..চলে যায়...হাঁকাহাঁকি বাড়ে..জিমনাসিয়াম থেকে নিশাচর দের সাড়া ..আমি ছাড়া অন্য আমি গুলো দিব্যি গান করে চেঁচিয়ে........
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




