27 মার্চ 1971 পশ্চিম পাকিস্তান । নিজ দেশের আরেকটি অংশে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ গনহত্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ পাকিস্তানি র কাছে সেটা ছিল দেশকে রক্ষা করার জন্য কিছু দেশদ্্রোহী হিন্দু কাফের ও নিচু শ্রেনির মুসলমান শায়েস্তা করা । আর দশটা দিনের মতই জীবন যাপন চলছিল স্বাভাবিক গতিতে ।এর মধ্যেও কবি আহমেদ সালিম তাঁর বাঙালী ভাইদের গনহত্যার খবর জেনে লাহোরে ক্ষীণভাবে হলেও তাৎপর্যময় প্রতিবাদ সংগঠনে ব্রতী হয়েছিলেন।
আহমেদ সালিম সেইসব বিরল পাকিস্তানিদের একজন, উন্মত্ততায় অন্ধ সমাজ বেষ্টনীতেও যাঁরা বিবাকের নির্দেশ বিস্মৃত হন নি এবং প্রবল বিরুদ্ধতার মধ্যেও সত্য প্রকাশে বিরত ছিলেন না। পূর্ব বঙ্গে গনহত্যার প্রতিবাদে তিনি সমমনা কবি ও বুদ্ধজীবীদের নিয়ে 27 মার্চলাহোরের রাস্তায় নগ্নপদে অবনত মস্তকে মিছিল করেন, এবং সেই দিনই একটি কবিতা লেখেন। যা তাঁকে কারাগারে নীত করেছিল:
হে লাল হুসেইন ! লালনের ভাই
জেগে ওঠ ! বাংলায় হত্যা করা হচ্ছে তোমার মধুদের
বারবার তারা গুলিবিদ্ধ করেছে লালনের গান
আটচল্লিশে, বায়ানো্নতে এবং তার পরেও
আর আজ প্রজ্বলন্ত
রবিঠাকুর ও নজরুলের গান
জেগে ওঠ লাল হুসেইন, মধু আজ নি:সঙ্গ,
আলিঙ্গন করো তাকে
তার দিকে ছুটে আসা বুলেটের মোকাবেলা করো
তোমার গান দিয়ে
জেগে ওঠ লাল হুসেইন
বাংলার দুলা ভাটিরা এগিয়ে আসছে
জেগে ওঠ কবি, কোথায় তোমার বন্দুক?
কবি আমার, মধু বিহনে রাত যে হয় দীর্ঘ
(অনুবাদ : মফিদুল হক)
--------------------------------------------------------------------
সূত্র : পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন ।। আহমেদ সালিম
সাহিত্য প্রকাশ
সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরণ: শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য
---------------------------------------------------------------------
অনেক দিন আগের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিকে প্রায়ই কৌতুক বলার আসর বসতো ক্যাম্পাসে। তবে শর্ত ছিল অবশ্যই আদি রসাত্নক হতে হবে। এক দিন নোয়াখাইল্লা আবেদ কৌতুক বলবে। কোতুকের টাইটেল মাড়ি দে মাড়ি দে। আমরা প্রথমে বুঝতে পারি নাই মাড়ি দে এর মানে। যাইহোক আবেদ শুরু করলো ---
শহরের সব ছাইয়া নামকরা নর্তকীর ড্যান্সের অনুষ্ঠা ন হইতেসে । তার ড্যান্সের আসল আকষর্ণ হইতেসে ড্যান্স কইরতে কইরতে হে গায়ের ব্যাক কাপড় খুলি ফালায়। একদিন যেই কাপড় খুইলবো অমনি দর্শকগো থন একজন ছিল্লাই উঠলো মাড়ি দে মাড়ি দে। নর্তকী তো রাগে নাইছ বন্ধ করি দিলো। পঁছা ডিম না কি মাড়ি দেয়। আয়োজকরা অনেক কষ্টে বুজাইয়া হেতিরে নাইছতে পাঠাইলো। কিন্তু যেই কাপড় খুইলবো আবার মাড়ি দে মাড়ি দে কইয়া ছিল্লান দি উডে। শেষমেষ আয়োজকরা ঠিক করলো আবার যেই ছিল্লান দিবো সাথে সাথে দর্শকগো উফরের লাইট জ্বালায় দিয়া দেখবো কে ছিল্লায়। যাইহেক এইবার কাপড় খুলনের লগে লগে যেই ছিল্লান দিসে আর সাথে সাথে লাইট জ্বলি উঠলো। দেখা গেলো নাইছ দেখি উত্তেজিত হইয়া দর্শক বেকগুলান হাত মাইরতেসে, খালি এক জন মাড়ি দে মাড়ি দে কই ছিল্লাইতেসে কারণ অর দুই হাতই নাই।
আমরা এতক্ষণে বুঝলাম মাড়ি দের মর্তবা। সবাই একমত হয়ে কৌতুককে সুপারহিট এর মর্যাদা দিলাম। আমি বললাম আবেদ ঢাকাইয়া হলে কৌতুকের টাইটেল হতো মাইরা দে মাইরা দে আর ঘটি হলে মেরে দে মেরে দে। শাহ্জাদা যোগ করলো বরিশাইল্লা হলে মারিয়া দে মারিয়া দে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




