somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[রং=ৎবফ]সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরণ:[/রং] [রং=নষঁব] শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য[/রং]

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

27 মার্চ 1971 পশ্চিম পাকিস্তান । নিজ দেশের আরেকটি অংশে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ গনহত্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ পাকিস্তানি র কাছে সেটা ছিল দেশকে রক্ষা করার জন্য কিছু দেশদ্্রোহী হিন্দু কাফের ও নিচু শ্রেনির মুসলমান শায়েস্তা করা । আর দশটা দিনের মতই জীবন যাপন চলছিল স্বাভাবিক গতিতে ।এর মধ্যেও কবি আহমেদ সালিম তাঁর বাঙালী ভাইদের গনহত্যার খবর জেনে লাহোরে ক্ষীণভাবে হলেও তাৎপর্যময় প্রতিবাদ সংগঠনে ব্রতী হয়েছিলেন।


আহমেদ সালিম সেইসব বিরল পাকিস্তানিদের একজন, উন্মত্ততায় অন্ধ সমাজ বেষ্টনীতেও যাঁরা বিবাকের নির্দেশ বিস্মৃত হন নি এবং প্রবল বিরুদ্ধতার মধ্যেও সত্য প্রকাশে বিরত ছিলেন না। পূর্ব বঙ্গে গনহত্যার প্রতিবাদে তিনি সমমনা কবি ও বুদ্ধজীবীদের নিয়ে 27 মার্চলাহোরের রাস্তায় নগ্নপদে অবনত মস্তকে মিছিল করেন, এবং সেই দিনই একটি কবিতা লেখেন। যা তাঁকে কারাগারে নীত করেছিল:

হে লাল হুসেইন ! লালনের ভাই
জেগে ওঠ ! বাংলায় হত্যা করা হচ্ছে তোমার মধুদের
বারবার তারা গুলিবিদ্ধ করেছে লালনের গান
আটচল্লিশে, বায়ানো্নতে এবং তার পরেও
আর আজ প্রজ্বলন্ত
রবিঠাকুর ও নজরুলের গান
জেগে ওঠ লাল হুসেইন, মধু আজ নি:সঙ্গ,
আলিঙ্গন করো তাকে
তার দিকে ছুটে আসা বুলেটের মোকাবেলা করো
তোমার গান দিয়ে
জেগে ওঠ লাল হুসেইন
বাংলার দুলা ভাটিরা এগিয়ে আসছে
জেগে ওঠ কবি, কোথায় তোমার বন্দুক?
কবি আমার, মধু বিহনে রাত যে হয় দীর্ঘ
(অনুবাদ : মফিদুল হক)



--------------------------------------------------------------------
সূত্র : পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন ।। আহমেদ সালিম
সাহিত্য প্রকাশ















সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরণ: শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য

---------------------------------------------------------------------
অনেক দিন আগের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিকে প্রায়ই কৌতুক বলার আসর বসতো ক্যাম্পাসে। তবে শর্ত ছিল অবশ্যই আদি রসাত্নক হতে হবে। এক দিন নোয়াখাইল্লা আবেদ কৌতুক বলবে। কোতুকের টাইটেল মাড়ি দে মাড়ি দে। আমরা প্রথমে বুঝতে পারি নাই মাড়ি দে এর মানে। যাইহোক আবেদ শুরু করলো ---

শহরের সব ছাইয়া নামকরা নর্তকীর ড্যান্সের অনুষ্ঠা ন হইতেসে । তার ড্যান্সের আসল আকষর্ণ হইতেসে ড্যান্স কইরতে কইরতে হে গায়ের ব্যাক কাপড় খুলি ফালায়। একদিন যেই কাপড় খুইলবো অমনি দর্শকগো থন একজন ছিল্লাই উঠলো মাড়ি দে মাড়ি দে। নর্তকী তো রাগে নাইছ বন্ধ করি দিলো। পঁছা ডিম না কি মাড়ি দেয়। আয়োজকরা অনেক কষ্টে বুজাইয়া হেতিরে নাইছতে পাঠাইলো। কিন্তু যেই কাপড় খুইলবো আবার মাড়ি দে মাড়ি দে কইয়া ছিল্লান দি উডে। শেষমেষ আয়োজকরা ঠিক করলো আবার যেই ছিল্লান দিবো সাথে সাথে দর্শকগো উফরের লাইট জ্বালায় দিয়া দেখবো কে ছিল্লায়। যাইহেক এইবার কাপড় খুলনের লগে লগে যেই ছিল্লান দিসে আর সাথে সাথে লাইট জ্বলি উঠলো। দেখা গেলো নাইছ দেখি উত্তেজিত হইয়া দর্শক বেকগুলান হাত মাইরতেসে, খালি এক জন মাড়ি দে মাড়ি দে কই ছিল্লাইতেসে কারণ অর দুই হাতই নাই।

আমরা এতক্ষণে বুঝলাম মাড়ি দের মর্তবা। সবাই একমত হয়ে কৌতুককে সুপারহিট এর মর্যাদা দিলাম। আমি বললাম আবেদ ঢাকাইয়া হলে কৌতুকের টাইটেল হতো মাইরা দে মাইরা দে আর ঘটি হলে মেরে দে মেরে দে। শাহ্জাদা যোগ করলো বরিশাইল্লা হলে মারিয়া দে মারিয়া দে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:৩১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কালকেউটে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯



তুমি ও অতিথি পাখি কী সুন্দর মিলেমিশে একাকার!
আম ও দুধের অপূর্ব সংমিশ্র!
অতিথি পাখির কিছু কিছু বিসর্জন থাকলেও-
তুমি যা কিছু অর্জন করেছো তাতে নেই একরত্তি বিসর্জন!

অর্বাচীনের মতো ভেবেছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায় নেওয়ার কেউ নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্য ধর্মের মানুষদের মাঝেও 'উত্তম মানুষ' আছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৭



পবিত্র কোরআনে অসম্ভব সুন্দর একটি আয়াত আছে। মহামহিম খোদাতায়ালা পুরো বিশ্বের মানুষদের দিকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে পবিত্র কোরআনে জিজ্ঞাসা করেছেন - "আর ঐ ব্যক্তি থেকে কে বেশি উত্তম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুখু মিয়া

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৬



গভীর অন্ধকার রাত প্রবল গর্জন করে আকাশ ডাকছে, দুখু মিয়া আর তার মেয়ে ফুলবানু খুপড়ি মতো ছাপরা ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে আকাশ দেখেন। অন্ধকারে কিছুই দেখা যায় না তারপরও বাপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে শহরে বৃষ্টি নেই

লিখেছেন রিয়াজ দ্বীন নূর, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৩০



শহরটা নিচে। অনেক নিচে। রিকশার টুংটাং, বাসের হর্ন, কারো হাসির শব্দ, কারো ঝগড়ার শব্দ — সব মিলিয়ে একটা জীবন্ত শহর। কিন্তু রিয়াজের কাছে এই সব শব্দ এখন অনেক দূরের।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×