
একজন পাঠকের মতামত:
মুহতারাম শাইখ, আলহামদুলিল্লাহ এই সাইট থেকে আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি। শাইখ, আমার কিছু বিষয় জানার ছিল, এ বিষয়ে উত্তর প্রদান করে ইহসান করলে খুবই উপকৃত হব।
সাইটে প্রকাশিত ‘জিহাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার হুকুম কী?’ শিরোনামে প্রকাশিত ফতোয়াটি (ফাতোয়া নং-৩৮ জিহাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার হুকুম কী?) পড়ে বুঝলাম যে, সব ধরনের ইদাদই ফরজ। আর বাস্তবেও জিহাদের মাঠ প্রস্তুত করতে সবগুলোর দরকার আছে। তবে একটা বিষয় হলো, وأعدوا এই আয়াতের সরাসরি যে ব্যাখা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে তা হল, الرمي যার দ্বারা আসকারি ইদাদ বুঝে আসে। আবার কোথাও হয়তো কেউ এমন কিছু বলেননি যে, আসকারি ইদাদ না হয়ে যুদ্ধের অন্যান্য প্রস্তুতি নেওয়া হলেও ফরজ আদায় হবে, উক্ত আয়াতে এমনটি বুঝানো হয়েছে।
আমার কাছে যা মনে হচ্ছে, আসকারি ইদাদ এই আয়াত থেকে বুঝে আসে, এমনটা কেউ নফি (না) করেননি, কেননা হাদিসে সরাসরি তীর নিক্ষেপ বলে ব্যাখ্যা এসেছে। বাকি আমাদের সামর্থের অভাবে ব্যাপকভাবে আমরা এটা করতে পারছি না।
মুহতারাম শাইখ, বিষয়টা এভাবে বললে কেমন হয় যে, আসকারি ইদাদও জিহাদ ফরজে আইন হলে ফরজ হয়ে যায়। বাকি আমাদের নিরাপত্তার অভাব এবং প্রস্তুতির অভাবের কারণে আপাতত আমাদের তা আদায় করার সামর্থ্য না থাকায় বিলম্ব হচ্ছে। যেমন আমরা প্রস্তুতির অভাবে কিতাল করতে পারছি না, কিন্তু তা সবার উপর ফরজ। এমনিভাবে আসকারি ইদাদও সবার উপর ফরজ। যখন তা অর্জনের সামর্থ্য হবে তখন আমরা ইনশাআল্লাহ তা আদায় করে নিব।
আশা করি, আমার কথা ও প্রশ্ন বুঝাতে পেরেছি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।
বিনীত
মুহাম্মাদ হাসান
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




