somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হুজুররা আপনাদের থেকে বিজ্ঞান চিন্তায় এগিয়ে

২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হুজুররা আপনাদের থেকে বিজ্ঞান চিন্তায় এগিয়ে

গত কয়েকদিন ধরে দেখছি, বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় মহিলা ফুটবল খেলার বিরোধীতা করছে ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামক একটি ইসলামী সংগঠন (http://bit.ly/2FQScun)। কিন্তু এই বিরোধীতার বিরুদ্ধে লেগেছে মিডিয়াসহ একটি বিশেষ শ্রেণী। তারা দাবি করছে, হুজুর শ্রেণী নাকি পশ্চাৎপদ ও আধুনিকতাবিরোধী। কিন্তু আমি দেখছি উল্টা, হুজুররা ঐ বিশেষ শ্রেণীর থেকে চিন্তা ভাবনায় অগ্রগামী ও বিজ্ঞান চিন্তায় অনেক এগিয়ে, যার কারণে তারা এই নারী ফুটবলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে।

যেমন ধরুন, মহিলা ফুটবল। পুরো বিজ্ঞানবিরোধী কার্যক্রম। মহিলাদের জন্য ফুটবল খেলা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ। একজন মহিলা যদি লাফালাফি-ঝাফাঝাপি করে, তবে তার ভেতরের নারী অর্গানগুলোর কি হবে, একবার চিন্তা করেছেন ? আর মাসের বিশেষ সময়গুলোতে যদি কোন নারী ফুটবল খেলে, লাফালাফি করে, ঝাপাঝাপি করে, তখন তার ইউটেরাস কি স্বাভাবিক থাকবে ? ফুটবল খেলায় অনেক সময় নারীদের তো মাতৃত্ব ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

আবার ফুটবল খেলতে গিয়ে লিগামেন্ট ছিড়ে যাওয়ার প্রবনতা খুব বেশি। খেলার সময় ফুটবলারদের খুব দ্রুত দিক পরিবর্তন, অকস্মাৎ দাঁড়িয়ে পড়া বা খেলা শুরু করা, শূন্যে লাফ দেয়া, নিজ অক্ষের উপর ঘুরে যাওয়া- এসব করতে হয় প্রতিনিয়তই। এছাড়াও ক্রমাগত ট্যাকলের শিকার হয় ফুটবলাররা। মোটকথা একজন ফুটবলারের শরীরের যে কোনো জায়গার চেয়ে হাঁটুতে চাপ পড়ে অনেক গুণ বেশি। এতে প্রায়ই ফুটবলারদের লিগামেন্ট ছিড়ে যায়। উইকিপিডিয়া বলছে, একজন পুরুষ ফুটবলারদের তুলনায় এক নারী ফুটবলারের লিগামেন্ট ছিড়ে যাওয়ার প্রবণতা ৩ গুনেরও বেশি। (http://bit.ly/2tSUqI1, http://bit.ly/2FIhmzg)

সে দিক থেকে যারা কুড়িগ্রামে নারী ফুটবল খেলার বিরুদ্ধে বলছে, তারা অবশ্যই বিজ্ঞানমনষ্ক এবং নারীর ভালো চায়। অপরদিকে যারা নারী ফুটবলের কথা বলছে তারাই বরং বিজ্ঞানবিরোধী, নারীবিরোধী এবং পশ্চাৎপদ।
https://goo.gl/eJwynb
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:১০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫০১’কে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপন করছেন তারা ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৮


আবাসিক হোটেলের দরজা ভেঙে যখন একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসছে তখন সাধারণ মানুষের চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি গাজীপুরের এক হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ যখন দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগী

লিখেছেন শাহেদ শাহরিয়ার জয়, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৭

ভাইরাল ফেভারে
জাতি ভোগে যে হারে
কোথা যাবে ঠিক নাই,
কোনো দিকে দিগ নাই
সংকর - বাঙাল,
আহারে আহারে!



সবি হলো জ্ঞানী
যারটা সে মানি,
তাল গাছ আমারই'
যাইহোক বিচারে! ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১-এ মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা রাজাকার হত্যার বিচার করতে হবে! :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৮

চতুর্দিকে রক্ষীবাহিনী তথা ফজলু কমান্ডারদের দুর্দান্ত প্রতাপ। ভয়ংকর সত্যটি হলো—যিনি ১০০ মাইল দূর থেকে পাকিস্তানি মিলিটারির আওয়াজ শুনতেন—সেই তিনি লুইচ্যা হামিদের সংগে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপিতে যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ই-পাসপোর্ট নিয়ে কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

আমার সর্বশেষ পাসপোর্টটি করেছিলাম ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। ততদিনে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু হয়ে গিয়েছিল। ই-পাসপোর্টের অন্যতম একটি বাড়তি সুবিধে ছিল এই যে চাইলে সেটা একসাথে দশ বছরের জন্য ইস্যু... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০




"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×