ভদ্র ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয়
না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব আজকের
লেখায়-
ভালো ছেলেরা বিরক্তিকর হয়
মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাদের
প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো
ছেলেদেরকে তাদের চোখে মনে হয় বিরক্তিকর।
সম্পর্কভীতি কাজ করে
প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে
প্রপোজ করবো... সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর
ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না।
গায়ে পড়া স্বভাব নেই
ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না।
এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের
পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।
তারা কৌশল বোঝে না
প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই
হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো
বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।
মায়ের কথা মেনে চলে
বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না,
কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ
করে না।
ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন
বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর
এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে
দেরি হয়ে গেছে।
মিথ্যা বলতে পারে না
প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা,
নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না
একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।
শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায়
কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়।
মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা
দেয়।
প্রচণ্ড আবেগী হয়
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব
অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




