ছুটির দিনে কোথায় হলিউড-বলিউডের সিনেমা দেখব, কিংবা ইফতার মাহফিলে বসে ফিরনির কাপ সরাবো, তা না! বাবার সাথে বসে বাজেট পরবর্তী সং-বাদ সম্মেলন দেখছিলাম। পুরাই অত্যাচার।
এক সাংবাদিক প্রশ্নের ভেতর বলে যাচ্ছেন- "মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আপনি বলেছেন, গ্যাসের দাম আগামী বছর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে, আরও বাড়ানো হবে। খুবই ভাল কথা। তাহলে গত বেশ কয়েক বছরে জ্বালানী তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী হলেও, দেশে সেই তেলের দাম সমন্বয় করে কমানো হচ্ছে না কেন?"
এরকম অনেকগুলি যৌক্তিক প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সামনে উত্থাপিত হলেও তারা কোন প্রশ্নের উত্তর যথার্থভাবে যুক্তিখণ্ডন করে দিতে পারেননি। স্বেচ্ছাচারিতার এই বাজেট নির্দিষ্ট একটি চক্রের পকেটভারি করতেই দেওয়া হয়েছে- তা এভাবেই প্রমাণিত হয়।
একজনের প্রশ্নের উত্তরে তো মাল বলেই ফেলেছেন: "আমি আপনাকে জবাব দিব না। আপনার বক্তব্য উস্কানিমূলক।"
আপনারা পাবলিকের সাতটা ছিদ্রে কাঁটাযুক্ত ডাণ্ডা ঢুকিয়ে উস্কানি দিবেন, আর পাবলিক তাতেও চুপ থাকবে?!
আর, আপনি, আমজনতা, এখনো যদি চালের দাম দিয়ে জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করেন, তবে বলতেই হবে- আপনার লেভেল রিকশাচালক লেভেলের। মানুষ যখন থেকে কুপিবাতি জ্বালাচ্ছে, সেই আদিকাল থেকেই অর্থনীতির মূল নির্ধারক এবং প্রভাবক হচ্ছে "জ্বালানি মূল্য"!
সময় থাকতে জাগেন, নতুবা ভাগেন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

