করোনা বাংলাদেশের লুটপাটকারীদের জন্য বসন্তের সুবাতাস বয়ে এনেছে।
ই-লার্নিং প্লাটফর্ম বানানোর নামে ডাকাতি হচ্ছে।
তেমনি, কয়দিন পরে ই-কমার্স, ই-কারেন্সির নামে কাস্টমারদের লুটবে ব্যাংকগুলা।
যদিও অনেকদিন থেকেই অনেক ব্যাংক নানারকম সার্ভিস চার্জ নিয়ে যাচ্ছে ডিজিটালাইজেশনের নামে। তারপরেও ফিজিক্যাল ব্যাংকে ফিজিক্যাল এক্টিভিটি কমেনাই; বরং বেড়েছে।
সব সমস্যার মূলে জনসংখ্যা ও বেকারত্ব।
অধিক সংখ্যক কর্মসংস্থান যোগাড় দেওয়ার জন্যই দেশে সবস্তরে স্বয়ংক্রিয় কিংবা সহজতর প্রযুক্তিগুলি চালু করা হচ্ছে না; ইচ্ছাকৃতভাবেই।
যার প্রমাণ উন্নত দেশে দেখছি। আমাদের দেশে যেখানে বড় কোন ব্যাংকের একটা ব্যস্ত ব্রাঞ্চে কর্মচারী-কর্মকর্তার সংখ্যা ৩০-৫০, সেখানে এসব দেশে সংখ্যাটা ১০ এর নিচে।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলি থেকে যে পরিমাণ অর্থসাহায্যের ঘোষণা এসেছে, তা দেশের প্রয়োজনের তুলনায় কতটুকু বেশি বা কম, তার চেয়েও বেশি সময়োপযোগী দুশ্চিন্তা হল- টাকাগুলি ঠিক খাতে ঠিকভাবে ব্যবহৃত হবে কিনা। অভ্যন্তরীণ সাহায্য তহবিলের নামে ব্যাংকগুলির উপর যে চাপ আসবে, সেটা কিন্তু ঘুরে ফিরে দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সবদিক থেকে বঞ্চিত মধ্যবিত্তের ঘাড়ে এসেই পরবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




