এই ভ্যালেন্টাইনের সেরা উপহার।
শুধুমাত্র পাপ্তবয়ষ্কদের পাঠউপযোগি, ছোটদের এন্ট্রি না নেবার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
যারা যে কোনো ধরনের সম্পর্কে আছেন বা নতুন সম্পর্কে জড়াবেন বলে ভাবছেন তাদের জন্য অবশ্যই পঠনীয়... [এ সম্পর্ক যে কোনো ধরনের হতে পারে, গালফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড, স্বামী-স্ত্রী, বাবা-ছেলে অথবা বন্ধু-বান্ধবি/বন্ধু’র সম্পর্ক... তবে আমি লেখার সুবিধার্থে এবং পারিপার্শিক অবস্থা বিবেচনা করে এখানে শুধু গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড সম্পর্ক হাইলাইটস করব।]
শুরুতেই বলে নিচ্ছি আমি কোনো ধরনের উদ্ভট দিবস পালনের পক্ষবাদী নই, এবং কাউকে পালনে উৎসাহিতও করিনা বরং নিরুৎসাহিত করি। তবুও বিশেষ সচেতনতার লক্ষ্যে,
সম্পর্কঃ বিনে সুতার বন্ধন। কোনো রকম স্বার্থ ছাড়াই যা অন্যের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত করতে বাধ্য করে এবং যা আত্নিক প্রশান্তি দেয় অন্যের কল্যানে তাই সম্পর্ক।
বর্তমানে আমরা সম্পর্কের সজ্ঞা বিকৃত করতে করতে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি যে পর্যায়ের যে কোনো ডেফিনেশানই বিনাদ্বীধায় দৃষ্টিকটু। তবে এটি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই, পৃথিবী আজও টিকে আছে সম্পর্কের উপর ভর করে। সম্পর্ক আছে বলেই পৃথিবী এত সুন্দর। তবে এটিও সত্য, সুন্দর পৃথিবী কুৎসিত করতেও সম্পর্কই সবচাইতে নিখুত ভূমিকা পালন করে। তো আসুন আসুন চেষ্টা করি সম্পর্কের ফল শুধু সুন্দর পৃথিবী করতে।
“আদিব। বেশ মেধাবি আর ভদ্র, দেখতেও খারাপ না। SSC তে মোটামুটি ভালো রেজাল্টের পর এখন সে কলেজে। কলেজে ভর্তি হবার আগের অফুরন্ত সময় কাটিয়েছে সে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে, সমরেশ মজুমদার ইমদাদুল হক মিলনদের উপন্যাস পড়ে, সিনেমা দেখে। তো আদিব সোনা তার এই অবসর কাটানোর বিভিন্ন প্রক্রিয়ার কল্যানে এতদিনে বুঝতে শুরু করেছে তার শরীরের গঠন আর তার বোনের শরীরের গঠন এক নয়, এক নয় তাদের মানসিকতাও। বিস্তর এক কৌতুহল, কি আছে ওতে? সুধা না গরল?
এই কৌতুহল থেকেই কলেজ যাবার পথে গার্লস্কুলগামী মেয়েদের দিকে তাকানো। তাকানো থেকে তাকা-তাকি। উভয়ের সম্মতিতেই প্রনয় শুরু। সে বছরই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে তাদের প্রথম ডেট, প্রথম স্পর্শ। আদিব উম্মাদ বালিকা-স্পর্শে, মানবি সেতো অগ্নীসম। সারাক্ষন কাছে পেতে ইচ্ছে করে দুজন দুজনার। দেখা নাহোক কথাতো হোক? কি উপায়? হ্যা আছে এক উপায়! দেখা না করে কথা বললে দোষকি তাতে! তবুও সমস্যা, আদিব তো SSC তে ভালো রেজাল্ট করার সুবাদে বাবার কাছ থেকে বায়না করে একটি ফোন নিয়ে নিয়েছে,কিন্তু এক ফোনে তো আর কথা হয় না! সেটাও সমস্যা না। ভালোবাসার কাছে তুচ্ছ পাহাড়সম বাধা। আদিব সে মাসে প্রাইভেট বেতন মেরে, মায়ের কাছ থেকে নিয়ে, বাবার পকেট কেটে অল্পদিনেই নিয়ে ফেলল একটি Symphony M1 , মেলা থেকে সস্তায় এক সিম কিনে সেদিনই সন্ধ্যায় প্রায়ভেট যাবার পথে চিপা মোরটায় চালান করে দিল প্রেয়সিকে। সেদিন রাতে থেকে শুরু হল এক মহাকাব্যিক সূচনা। আর হ্যা, কাব্যিক সূচনাটি কিন্তু ছিল এরকম...
- I love u জান।
বালিকার মুখে জান, আদিব যেন সপ্তম স্বর্গে। সেদিন Promice Day না হওয়া সত্তেও দুজন দুজনার সত্তার কসম কেটে এই মধ্যস্থতা করল...
‘তোমাকে ভালোবাসি, বাসবো, একসাথে মরব একসাথে বাচব’
কথাগুলির সঙ্গি হতেই আদিবের ভিট্রিয়াস হিউওমার আর কর্নিয়ার বাধা মানল না। আশ্রুবিন্দুটি চোখের কোন হতে কান পাবার আগেই সে প্রতিজ্ঞা করে ফেলল, এমন সুখ পেতে সে শুধু এক মাস কেন প্রতিমাসেই প্রাইভেটের টাকা মারবে, টাকার জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধ করবে মায়ের সাথে। সিধ কেটে হলেও পকেট কাটবে বাবার। ঘটনা ঘটতেও লাগল তাই, ফলশ্রুতিতে কলেজের অর্ধবার্ষিক পরিক্ষায়ই আদিব এক বিষয়ে ফেইল! বালিকার অনুপ্রেরনায়ই আবার সে পড়তে শুরু করল পূর্ণ উদ্যামে। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত আদিব শুধু পড়ার টেবিলে। টেবিলে তো থাকতেই হবে নইলে যে বালিকার ঠোট উল্টিয়ে বলা সেই কথাই সত্য হবে, ‘জানু তুমি ভালো রেজাল্ট না করলে কিন্তু আর তোমার সাথে সম্পর্ক রাখব না’।
রাত বারোটা বেজে গেছে। আদিব সোনা ব্যাস্ত পড়ার টেবিলে, থাকবেই না কেন! ভালো রেজাল্ট করতে হলে তো প্রচুর পড়তে হবে। এই ছয়মাসে তো বইয়ের সাথে পরিচিতই হওয়া হয়নি। তার লক্ষ্য যে কোনো মূল্যে ভালো রেজাল্ট।কিন্তু ওদিকে বালিকা... তার যে আর রাত কাটেনা। তার তো স্বর্গচারন শুরু হয় রাত দশটা থেকে কিন্তু আজ যে বারোটা বেজে গেল।...
বালিকার সে রাত কাটল বিছানায় এপাশ ওপাশ করে। কিন্তু সকালেই গেল ফোন রিচার্জ করতে। রিচার্জের দোকানেই বসেছিল এলাকার বিখ্যাত বখাটে ‘হানি’। বালিকা সহসাই লেবু সাইজ ছারিয়ে কমলা লেবু সাইজে আসায় এরকম অনেক বখাটের স্বপ্নের রানী হয়ে উঠেছে সে। কিন্তু এখন প্রর্যন্তও তো বালিকার বুদ্ধি লেবু সাইজ! স্বাভাবিক ভাবেই সে নম্বর দিয়ে টাকা রিচার্জ করে চলে গেল। আগের দিনের মতই মাঝরাত অবধি অপেক্ষা করতে লাগল, কখন বাজবে স্বপ্নের রাজকুমারের ফোন। এরই মাঝেই এল ছোট্ট একটি ক্ষুদেবার্তা, ছোট হলেও বেশ রসাত্নক। বালিকার ছোট্ট হৃদয় জুড়ে দাগ কাটল নিমেসেই। ক্ষুদেবার্তাটি পড়ে মিষ্টি মিষ্টি হাসতে লাগল বালিকা,হাসির আমেজ শেষ না হতেই সেই ক্ষুদেবার্তার নম্বর থেকেই ফোন আসল। ভালই লাগোতে শুরু করল কথা বলতে, ভাবখানা এমন ‘আপাতত এর সাথে একটু মজা করি। আদিব ফোন করলে একে ছারব’। নাহ, আদিবের চাইতে কোনো অংশে কম নয় এই অচেনা সুপুরুষ। কম হবেই বা কেন, সে তো সাত ঘাটে পানি খাওয়া পাক্কা ঝানু সুপুরুষ। এক কথায় দুকথায় কথায় কথা বাড়ে। একদিকে আদিবের ব্যাস্ততা ,অন্যদিকে এই মানুষের রসাত্নবোধ। নাহ, সময় বেশ ভালই যাচ্ছিল। ওহ বলাই হয়নি, বালিকা কিন্তু এরই মাঝে সেই ক্ষুদেবার্তার প্রেরকের সাথে দেখাও করে ফেলেছে। শুধু দেখাই না, আরও কিছুও করেছে। যা করবে বলে বোকা বোকা কন্ঠে সেই সুপুরুষ আগেই আবদার করেছিল ফোনে। বালিকাও নিজেকে চালাক ভেবে উপরি মজা লুটার আশায় রাজিও হয়েছিল।
কিছুদিন একনাগারে পড়ার ফলে আদিব বেশ ক্লান্ত। তাই সে আবার পড়ায় কমতি দিয়ে বালিকায় মননিবেশ করল। কিন্তু বালিকা কেমন খারাপ আচরন করে। আরে করবেই না কেন? সেদিনই তো আদিব বাবুকে দেখা গেছে অনয একটি মেয়ের সাথে এক রিক্সায়। খানিকটা অভিমান থেকে আরকি। দুজনই অভিমান পর্ব পার পার করছে এমন সময় সেই ক্ষুদেবার্তাওয়ালার ফোন, বালিকা অস্বিকৃতি জানায় কথা বলতে। বলবেই বা কেন, তার রাজকুমার তো ফিরে এসেছে। কিন্তু কে জানত, এই উপরি ঝামেলাটাই এখন মরন ফোড়া হয়ে দাঁড়াবে? হানি সাহেব একটি জঙ্গলী হাসি দিয়ে বলল ‘তুমি কি চাও,সেদিন পার্কের ডার্কসিটে আমরা যা করলাম সবাই তা দেখুক?’ । বালিকার দৃঢ় বিশ্বাসী উত্তর, ‘আপনি সবাইকে বলে বেড়ালেও কেউ বিশ্বাস করবে না।’।
- আমরা যা করেছি তা দেখালেও কেউ বিস্বাস করবে না?
- মানে? কি বলতে চাইছেন আপনি?|
- কিছুনা। কাল দুপুর ঠিক দুটায় CNG ষ্ট্যান্ড চলে এস। এসে সেদিন তোমার অজান্তে করা ভিডিওটি নিজ হাতে ডিলিট করে যেও।
সুবোধ বালিকা স্কুল ফাকি দিয়ে ঠিক দুটোয় হাজির হল। গিয়েই দেখল, হানি CNG তে একা বসে আছে। কাছে যেতেই শুধু বলল, ‘ওঠো’। বালিকা উঠল। হানির প্রস্তাব আরেকবার, না রাজি হলে ডিলিট করতে দেবে না। অসহায়ের মত মেনে নিল বালিকা। নিরবে সহ্য করল সব অসভ্যতামি। কিন্তু কোনো এক পর্যায়ে আর সহ্য করতে পারছিল না বালিকা। মনে হচ্ছিল, ‘বিশাল আকাশ। রক্তলাল লাল আকাশ। সামনেই আদিব। হাতে পবিত্র এক চাদর। আদর করে বলছে ‘তুমি ভেজা কেন? আসো জান চুল শুকিয়ে দেই’। আদিবও রক্তে রাঙ্গা। ওর বুক থেকে রক্ত ঝরছে।’
এপর্যায়ে জ্ঞ্যান ফিরল বালিকার। রাক্ষুসে হানি ইতরের মত দাত বের করে একটি জানোয়ার টাইপের হাসি দিয়ে ওকে CNG থেকে নামিয়ে দিল। না বলার সামর্থ্য নেই। দুলতে বাড়ি ফিরল বালিকা। দুচোখে তিন আকাশ হতাশা। মাত্র চোখ বুজে গা এলিয়ে দিয়েছে বিছানায়, এরই মাঝে রাক্ষুসে ডাক। তবুও মন খুশিতে ভরে উঠল। এই বুঝি ফোনে চেপে এল রাজকুমার আদিকব। কিন্তু না, হানি জানোয়ার টা। পর পর তিনবার ফোন তোলার সাহস হল না বালিকার। চতুর্থবার ফোনটি তুলতেই , যান্ত্রিক কন্ঠস্বর বলেই চলল, ‘ওহ পাখি, আজ যা দেখালে না! আমি জাষ্ট ভুলতে পারছি না। কাল তো তোমার স্কুলে প্রোগ্রাম, সবাই মাঠে ব্যাস্ত থাকবে। তাই আমি আসব। এসে স্কুলের তিনতালায়, ক্লাশরুমে।’। এ যন্ত্র বলেই ক্ষান্ত। বালিকাও যেতে বাধ্য। এভাবে হানি তার ইচ্ছা অনুসারে স্পট ঠিক করেছে, ইচ্ছা অনুসারে ফোন করে ফোনেই যৌন অসভ্যতামি করেছে। যা কাউকে বলতেও পারে না, বালিকা সইতেও পারে না। কিন্তু মন ভর্তি ভালোবাসা তার প্রথম পুরুষ স্বপ্নের রাজা আদিব কুমারের জন্য। এদিকে আদিবও মৃতপ্রায় এই ভালোবাসায়। বালিকাকে যখনই ফোন করে ওয়েটিং। মাঝে মাঝে কিছু বখাটে ছেলের সাথেও দেখা যায় তার স্বপ্নের রানীকে। আর যখনইবা একটু কথা বলে তার অধিকাংশই মিথ্যে বলে। যেমন সেদিন...
- ছিঃ তোমার লজ্জা থাকা উচিত। রাত একটা বাজে,অথচ তুমি ওয়েটিং এ!
- মিথ্যে কথা। আমি ওয়েটিং ছিলাম না।
- ফের মিথ্যে?
- আসলে আমার আম্মু কথা বলছিল। ( বালিকার ফোন ব্যবহারের কথা মায়ের জানবার কথা না)
- সত্যি?
- আসলে কি জানো, আজ আমার নানু মারা গেছে। ( ওর নানু মারা গেছে সেই পাচ বছর আগে, যা সে আদিব কে বলেছিল)
এভাবে প্রতিটি কথাই মিথ্যে বলে যাচ্ছিল এবং বোকার মত মিথ্যে। যা প্রতিটি মিথ্যেই যথেষ্ট ছিল তার বোকামি প্রমানের জন্য। আদিব অনেক চেষ্টা করেছে, বালিকাকে ঠিক করে বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য, মিথ্যে না বলার জন্য। কিন্তু কোনো উন্নতি নেই। মিথ্যে অজুহাত বেড়েই চলছে দিনের পর দিন।’
কথাটুকু বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ল আদিব। বলিষ্ঠ দেহ, রিতিমত সুপুরুষ।(আদিব নামটি কাল্পনিক)। সেদিন বাড়ি ফিরতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল। রাত এগারোটা হবে। গোলিতে ঢুকতেই একটি ছেলে ম্যাচ চেয়ে বসল,
- ভাই ম্যাচ ওইবো?
- লাইটার চলে? বলেই ফ্লাশ করলাম, কে! দেখার জন্য। দেখেই তো আতকে উঠলাম। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। যে ছেলে কিনা, আমার চাইতে চার ইঞ্চি লম্বা হওয়া সত্তেও কখনও মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেনা। সে কিনা আজ আমার কাছে ম্যাচ চাইল? আর ও সিগারেট (পরে জেনেছি গাজা) খেতে পারে তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। পরে অবশ্য আমায় দেখেই সরি বলে আর সেই সুবাদেই শেয়ার করে। যা আজ আমি করছি।
অনেক লম্বা হয়ে গেছে, তাই আর বাড়াতে চাচ্ছি। স্কিপ করলাম। শুরুতেই বলেছি। সম্পর্ক; বিনে সুতার বন্ধন। আসলে সত্য নয়। সম্পর্কেও আসলে বন্ধন সুতা থাকে আর সেই সুতোটি হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাস কমল তো সম্পর্ক ভাঙ্গল। এবার কথা হচ্ছে বিস্বাস কিভাবে অটুট রাখব?
বিশ্বাস অটুট রাখার মূল মন্ত্র দুটিঃ
১। মানসিক রোগ পরিহার করা।
২। নিখুত চাবার প্রবনতা দূর করা।
এবার একটু বিস্তারিতে যাই, মানসিক রোগ সম্পর্কেঃ আসলে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন ষ্টাডির ফলাফল এই প্রমান করে, প্রতি একশটি সম্পর্কের ৯৮টিই ভাঙ্গে মিথ্যে বলা বা সন্দেহ প্রবনতা থেকে। আর এই মানসিক রোগের উপসর্গ মিথ্যে বলা বা সন্দেহ প্রবনতা। আপনি কি জানেন, সম্পর্কের ক্ষেত্রে মিথ্যে বলা বা সন্দেহ প্রবনতা একটি মানসিক রোগ। পরিহার করুন। পরিহার করুন। পরিহার করুন। অমর হবে সম্পর্ক।
কিভাবে পরিহার করবেন সন্দেহ প্রবনতা?
সন্দেহ করার মূল কারন, মিথ্যে সানাক্ত করা। কিন্তু সব মিথ্যেই মিথ্যে নয়। আপনার প্রিয় মানুষটি আপনাকে ভালোবাসে বলেই মিথ্যে বলে। আর এই ঘটনাকে বলে Pathologikal lie । পরের কোনো পোষ্টে এই ‘প্যাথলজিক্যাল লাই’ যোক্তিক এবং সাইন্টিফিক একটি টিউন লিখব। তবে আমায় বিশ্বাস করুন। আপনার প্রিয় মানুষের আপনাকে বলা মিথ্যে আপনার প্রতি ভালোবাসার বহিপ্রকাশ। তাই বাদ দিন সন্দেহ। আর আপনাকে কেউ যদি সন্দেহই না করে তো মিথ্যে বলবেন কোন সুখে? :-D তবে হ্যা, মিথ্যে গুলি সানাক্ত করতে চেষ্টা করুন। আর প্রিয় মানুষটিকে না জানিয়েই চেষ্টা করুন তার মিথ্যের পিছনের কারন।
বাকি রইল নিখুত পাবার প্রবনতা!
ওই মিয়া, ফাইজল্যামি করেন? নিজেকে দিয়ে তুলনা করুন। আপনি কতটা নিখুত।
সবশেষে আপনবারটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনি ভাঙ্গলেও ভাঙবেনা সম্পর্ক। আর হ্যা, এক একটি সম্পর্কের ভাঙ্গন মানে নূন্যতম তিনটি ভবিষ্যতের অপমৃত্যু।
ধন্যবাদ এতক্ষন সাথে থাকার জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



