somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আগুনের পরশমনি

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিরিয়াস কিছু পাবার বা জানার ইচ্ছে থাকলে কেটে পড়ুন, ব্যক্তিগত অভিঙ্গতা থেকে নির্মল আনন্দ দেবার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস, সহজ কথায় ফান পোস্ট

আগুনের পরশমনি কি- জানতে চান? তাহলে নিচের লেখাটুকু কষ্ট করে পড়ুন-

দ্বিচক্রযানের পশ্চাতের চক্রখানিতে অনুব্যপনের কারনে বায়ুশুন্যতা অনুভুত হইতেছিল। তাই ইহাকে অর্ধচন্দ্র প্রদানের মত করিয়া ঠেলিয়া দ্বিপ্রহরের প্রভাকরের মার্তন্ড্য সমতুল্য ব্যবহারকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখাইয়া আমি ওসমানি মেডিকেল দ্বার হইতে মদিনা মার্কেটের দিকে ধীর পদক্ষেপ ফেলিয়া অগ্রসর হইতেছিলাম। ইহার মাঝে ত্রিচক্রযান(রিক্সা), স্বয়ংক্রিয়ত্রিচক্রযান(অটোরিক্সা) সহ নানাবিধ যানের যান্ত্রিক শব্দে আমার প্রান যখন ওষ্টাগত, কর্ন যখন শ্রবন অযোগ্য, এমন সময় ইহার আধিক্য সৃষ্টির লক্ষে শব্দবিবর্ধকে(মাইক) শুনিতে পাইলাম-

"এই বইটি পড়িলে আপনি আরো জানতে পারবেন-কোন দোয়া পড়িলে আশি বছরের গুনাহ মাফ হইয়া যায়, নারীর কোন গোপন কথা কারো সাথে বলিতে নাই, কোন ব্যক্তি দ্রুত জান্নাতে প্রবেশ করিবে.......অর্থহীন বাগাড়ম্বর,অর্থহীন বাগাড়ম্বর,অর্থহীন বাগাড়ম্বর(blah blah blah)"

এত কিছুর ভিড়ে যখন আমি কোথায় আমার বদন, কর্ন সহ সর্বাঙ্গ প্রভাকর হইতে লুকাইয়া একটু শান্তি পাইব এমন চিন্তা করিতেছি, তখনই আমার বাম পদে, হাটুর কিঞ্চিৎ উপরে ইষৎ ঠান্ডা অনুভুত হইতেছে অনুধাবন করিলাম। আমি ভীতির সহিত লম্ফ দিব কি, কি করিব ঠিক ঠাওর করিতে পারিলাম না। ভীতির সহিতই প্যন্টের বাম পকেটে পাণি প্রবেশ করইলাম। এবং আমার ধুম্রশলাকায় হুতাশন ধরাইবার নিমিত্তে যেই লইটারটি আমি ব্যবহার করি, তাহা উঠিয়া আসিল। এবং দৃষ্টিগোচর হইল যে ইহা ফাটিয়া চৌচির হইয়া গিয়াছে এবং তাহা হইতে গ্যসও বাহির হইয়া আসিতেছে। এই বাহির হওয়া বায়বীয় পদার্থটুকুই আমার পকেটের নীচে আমাকে শীতল একটা অনুভুতি প্রদান করিতেছিল।

তখনই বুঝিলাম- ইহাই আগুনের পরশমনি বলিয়া গন্য।

P.S: শব্দ বিবর্ধকে শুনিতে পাওয়া শব্দগুলোতে সাধু চলিত মিশ্রনই ছিল, তাই ইহা ঐরুপেই বিবৃত। এছাড়াও কিঞ্চিৎ ভুল লইয়া কোন আজাইরা সাহিত্যিক যেন বেশী লম্ফঝম্প না করে। ইহা একটি সতর্কবানী। ৫৭ ধারা মানিয়া চলুন।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৪২
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

করোনা

লিখেছেন ম্যাড ফর সামু, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২২




বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ভর্তি হলেন কোন একজন মন্ত্রী মহোদয়, যিনি সিঙ্গাপুর থেকে আক্রান্ত হয়ে দেশে এসে ভর্তি হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ।

তাঁকে আপাতত কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় এসেছে ঘরে ঘরে মুসলিম,হিন্দু ঐক্যবদ্ধ সংঘঠন গড়ে তুলতে হবে

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২০

ভ্স্মীভূত কোরআন এভাবেই মাটিতে পুঁতে রাখছেন স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি[/sb
আজকাল কথায় কথায় ব্লগ সহ প্রায় সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে নানান ধরনের কমেন্টে দেখা যায়,এক পক্ষ আছেন
যারা বিভিন্ন সংঘাত বা ঝামেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্লিজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫


কিছু কথা আছে,
ফোনটা রেখোনা …………প্লিজ।

একা বসে আছি তোমারই অপেক্ষায়,
আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা কিছুতেই
জানো কিনা জানিনা.
বোঝ কিনা বুঝিনা।
আমি সত্যি আর পারছিনা প্রিয়তমা।
আমার ঘেটে যাওয়া জীবনটাতে তোমাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনআরসি প্রতিবাদে মুসলমানদের রাস্তায় নামা কি ঠিক?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০৮



প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেইদিন দিল্লী এলো, সেইদিনটি কি রাস্তায় এনআরসি প্রতিবাদের জন্য "উপযুক্ত দিন" ছিলো? ট্রাম্পের ভিজিট মাত্র ১ দিন, এই দিন সম্পর্কে মোদীর সরকার ও বিজেপি খুবই সেন্সসেটিভ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতের মুসলিমদের উপর অত্যাচার এবং বাংলাদেশে মুজিব বর্ষে মোদির প্রাসঙ্গিকতা।

লিখেছেন রাজজাকুর, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৫

ভারতের Citizenship Amendment Act (CAA) এর উদ্দেশ্য আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিষ্টান এই ছয় ধর্মাবলম্বী অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরকিত্ব দেয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×