বর্তমানে ভারতের অর্থনীতি সম্পুর্ন ভেঙ্গে পড়ছে।সামাল দিতে পারছে না ভারত সরকার।ঘরে ঘরে অভাব।দুবেলা ঠিক মত খাবার জুটছে না অনেক ঘরেই।ভিক্ষার থালা নিয়ে ঘুরছে বিভিন্ন দেশে মোদী সরকার।চরম দুরাবস্থার মধ্যে আছে ভারতের জনগন।
এ পর্যন্ত পড়েই যারা অতি মাত্রায় ভারত প্রেমী,তার কি বোর্ড ঠাপানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করবেন ভারত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী বিশ্বের প্রথম সারির দেশ। অনেকে আবার গাজাখুরি গল্প মনে করে আমাকে পাগল মনে করছেন। একটু রাখেন।
নিচের লাইন কয়টা পড়ুন। সময় থাকলে নিচের লিঙ্কে একটু গুতিয়ে আসুন।
ট্রানজিট ফি নির্ধারণে ভারতের আপত্তি
মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশের নৌপথ ব্যবহার করে ভারতকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন পণ্য ত্রিপুরা রাজ্যে নেয়ার অনুমতি দিয়েছিল সরকার। ইতোমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পণ্য আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ত্রিপুরাতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১০ হাজার মেট্রিক টন পণ্য ত্রিপুরায় নেয়ার পর নতুন করে কোনো পণ্য নেয়ার ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশকে ট্রানজিট ফি দেবে কি না। তা নিয়ে সরকার অনেকটাই দ্বিধাদ্বন্দ্বে।
এখন আপনি বলুন মানবিক বিবেচনা কাদের করা হয়,যারা ফকির মিসকিনদের না ধনীদের?
ভারত যদি প্রমান করতে চায় ,তারা ফকির মিসকিন নয়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী বিশ্বের প্রথম সারির দেশ, তাহলে যেন আমাদের কাছে মানবিক বিবেচনা ভিক্ষা না করে ন্যায্য ট্রানজিট ফি দেয়। আর যদি তারা মনে করে ৭১ এ আমাদের অসহায় শরনার্থিদের আশ্রয়ের বদলা হিসাবে ট্রানজিট ফি দেবে না,তাহলে তারা যেন স্বীকার করে নেয় ,ভারত বর্তমানে খুব অসহায় রাষ্ট্র। অবশ্য বাংলাদেশের মাথাওয়ালারা কোনোভাবেই তাদের কাছ থেকে ট্রানজিট আদায় করতে বাধ্য করতে পারবে না,কারন তারা তাদের পুচ্ছ উধলা করে রাখছেন,যেভাবে খুশী সেভাবে মারা খাওয়ার জন্য।তাই তিস্তার পানি আমাদের ন্যায্য অধিকার,তার বেলাতেই জোর গলায় কোনো কথা বলতে পারে না।
এবার আসুন ভারত কেনো জংলি রাষ্ট্র?
এবার এই নিচের লাইন কয়টা পড়ুন। সময় থাকলে নিচের লিঙ্কে একটু গুতিয়ে আসুন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্ট থেকে টাকা চুরি
ভল্ট থেকে টাকা নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ওই ব্যক্তি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাশ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটাতে তিনি সময় নেন মাত্র ৪৬ সেকেন্ড। রোববার বিকেল ৫টা ৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ড থেকে ৫টা ৮ মিনিট ৪ সেকেন্ডের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার টাকা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসের ভল্টে আসা দীপক ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৫ লাখ টাকার একটি বান্ডিল হাতিয়ে নেন। তিনি চুপিসারে তা বাইরে রেখে আবার ভেতরে ঢোকেন। টাকা চুরির বিষয়টি প্রথমে তিনি অস্বীকার করলেও ভিডিও ফুটেজ দেখানোর পর স্বীকার করেন এবং চুরি করে নেওয়া ৫ লাখ টাকা ফেরত দেন। তবে এমন ঘটনা ধরার পরও পুলিশে সোপর্দ না করে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহার মধ্যস্থতায় দীপক চন্দ্র দাশকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এখন দেখুন,আমরা কত মানবিক।বন্ধু রাষ্ট্রের ব্যাংকের কর্মকর্তার মান-সন্মানের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।
আর তারা আমাদের সামান্য ৩০-৫০ হাজার টাকার গরুর জন্য কিভাবে প্রায়দিন মারে।
আমিনুলের সঙ্গীরা গতকাল বিজিবি ও পুলিশকে জানান, আট-নয়জন গরু ব্যবসায়ীর সঙ্গে রোববার রাতে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসছিলেন আমিনুল। ধরলা নদী পার হওয়ার সময় ভারতের অংশে আমিনুলকে ধরে ফেলে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিচার জেলার ১২৪ গিতালদহ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা। তারা তাঁকে পানিতেই পেটাতে থাকে। এ সময় আমিনুলের সঙ্গীরা দ্রুত পালিয়ে আসেন।
বিজিবি, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, রোববার রাতে বিএসএফের সদস্যরা আমিনুলকে মেরে নদীতে লাশ ফেলে দেয়। পরদিন সোমবার রাতে মোগলহাট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা তা জানতে পারেন। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে কলাখাওয়া ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে মারল বিএসএফ
গরু তো আমরা চুরি করে আনছি না।আমরা ওদের খামারীদের টাকা দিয়েই কিনে আনছি।হয়তো বিএসএফ এর সাথে টাকায় বনিবনা হয় নাই। (বেশীর ভাগ ঘটনায় টাকার জন্যই বিএসএফ মেরে ফেলে। কেউ বিশ্বাস না করলে ওই এলাকার লোকদের থেকে জেনে নিবেন)তাই আমাদের ওরা কখনো গুলি করে ,কখনো পিটিয়ে মারে।
যেখানে ৫ লাখ টাকা মাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করে ধরা খাওয়ার পরও ,ওই ব্যাটার নাকটা পর্যন্ত ফাটাই নাই,আর ওরা ৩০-৫০ হাজার টাকার জন্য নিষ্ঠুর ভাবে মারে!!!!!!!
তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি ,ভারত একটা জংলি রাষ্ট্র।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


