আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে গালি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস।গালি ছাড়া জীবন অচল।পৃথিবী তে বেঁচে থাকতে হলে আমাদের গালি খেয়ে এবং গালি দিয়েই থাকতে হবে।আজকাল গালি ছাড়া কিছুই ভাবা যায় না।কবি যদি এই জমানায় জম্ম গ্রহণ করতেন তিনিও লিখতেন-
"গালি ই শক্তি-গালি ই বল। আমরা সবাই বদের দল।"
কবে কখন গালি র ব্যাবহার শুরু হয়েছে।সেই বই পুস্তক না থাকলেও।ধরে নেয়া যায়।প্রাচীন কাল থেকেই গালির ব্যাবহার শুরু হয়ে এখন অবধি চলছে।
পৃথিবীর দূব্ ল জাতির জন্য গালি মোক্ষম হাতিয়ার।মাঝে মাঝে গালি ভারী অস্ত্র হিসেবে অনেক কাজে লাগে।যেখানে অতি আধুনিক অস্ত্র মাথা নত করে।
আমাদের দেশে গালির ব্যাবহার খুব ব্যাপক। গালির যথাযথ উত্তম ব্যাবহার গ্রামের লোকজন করে থাকে।কিন্তু প্রকৃত পক্ষে কেউ স্বীকার করুক আর নাই করুক।গালি নিজ ঘর থেকে শুরু করে সারা দেশে ই বিস্তার লাভ করেছে ।
গালির ব্যাবহার শিক্ষিত লোকের কাছ থেকে শুনলে, অশিক্ষিত জাতি ব্যাপক মজা পায়।
"রাবিশ,দিজ ইজ এক্কেবারে বেয়াদবি।"
আবার কেউ কেউ নিজ আঞ্চলিক ভাষায় গালি দিয়ে থাকে।
"চুদুর বুদুর চইল ত ন " !!!
অনেক কিছু ভাবিয়া দেখলাম। গালি আঞ্চলিক ভাষায় দিলে বেশি মজা পাওয়া যায়।
গোপাল !!
নাম দাম সবকিছু ঠিক দেখা গেলেও আজকাল গোপালি গালি হিসাবে দেখা হচ্ছে।ইহা বড়ই রহস্য জনক ।
গালি যে আমাদের জীবনে কত ভাবে বিনোদন দিতে পারে, বালিশ ছাড়া ঘুমাইলেও কল্পনা করা যাবে না।
সোনা মিয়ারে বানাইসে লাল মিয়া আর লাল মিয়ারে বানাইসে সোনা মিয়া।
মিয়া কিন্তু ঠিকই আছে। সোনা ডা খালি লাল হইয়া গেছে।”
কুত্তা আমাদের উপকারী প্রানী।আমাদের নানা ভাবে সাহয্য করে কিন্তু আপচুচ গালি থেকে কুত্তাও বাদ যায় না।আগে দেখতাম-
"কুত্তা লেজ নাড়ে, এখন দেখি লেজেই কুত্তা নাড়ায়।"
গালি থেকে ছাগল ,গুরু ও বাদ যায় না।
তবে বলদ সব খানেই পাওয়া যায়।
গালি কে জাতীয় পর্যায়ে আনার জন্য এক পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।এইটা হতে পারে পরিবার- পরিকল্পনা রোধে।
"ছেলে হোক,মেয়ে হোক-বদের হাড্ডি একটাই যথেষ্ট।"
বিঃদ্রঃ-
আমার এই অখাদ্য কুখাদ্য লেখা পড়ে কেউ যদি গালি র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তাইলে আমারেও দেন
তার আগে লেখার দৃষ্টিভজ্ঞি।
কিভাবে দেখছেন,কিভাবে নিচ্ছেন।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



