somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যুতের তার ছাড়াই চলবে ইলেকট্রনিক পণ্যগুলো

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কল্পনা করুন এমন একটি দুনিয়া যেখানে তার ছাড়াই চলবে কম্পিউটার, মোবাইল। জ্বলবে লাইট, ঘুরবে ফ্যান। এছাড়াও চলবে যাবতীয় ইলেকট্রনিক পণ্য। কথাটা হয়তো স্বপের মতো শোনায়। কিন্তু এই স্বপ্নের মতো ব্যাপারটিকে বাস্তবে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছেন ওয়াই ট্রিসিটি কোম্পানির সিইও এরিক গিলার। ফোন এবং ল্যাপটপের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যগুলো আগামী এক বছরের মধ্যেই তার ছাড়া চলবে। জানা গেছে, এই কোম্পানি এমন একটি বাল্ব তৈরি করেছে যা একটি নির্দিষ্ট পাওয়ার সকেট থেকে কিছু দূরে তার ছাড়াই জ্বলতে পারবে।

ওয়াইট্রিসিটি ভার্সনের তারবিহীন বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানা গেছে, এই পদ্ধতিতে প্রথমে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা শক্তিকে ম্যাগনেটিক ফিল্ডে রূপান্তর করা হয় এবং তারপর বাতাসের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সিতে পরিণত করে তা দিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক জিনিস চালানো হয়।

এরিক বলেন, তারা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই আছেন। তবে শিগগিরই তারা বাণিজ্যিকভাবে এর উত্পাদন শুরু করবেন। ট্রিসিটি কোম্পানিটি আসলে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটির একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। এমআইটির মতে, পাওয়ার কর্ড এবং ব্যাটারির দিন এখন শেষ। এখন থেকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তারবিহীন ইলেকট্রনিক দুনিয়ার ব্যাপারটি সবার কাছেই বেশ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তারবিহীন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এর ফলে এখন আর কোনো তার কিংবা ব্যাটারি কিনতে হবে না। ফলে বিপুল পরিমাণ এনার্জি এবং অর্থের অপচয় কমবে।’

তারবিহীন ব্যবস্থার পাশাপাশি কোম্পানিটি তৈরি করেছে একটি ইলেকট্রিক কার, যা গ্রাহকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করতে পারবে বলেই মনে করছেন তারা। এই গাড়িটি ওয়্যারলেস পাওয়ার মার্টের মাধ্যমে চলবে। এরিক বিষয়টিকে উল্লেখ করেছেন ‘অ্যাবসলিউটলি গর্জিয়াস’ হিসেবে।

তারবিহীন বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার জন্য কাজ শুরু হয়েছিল একশ’ বছরেরও আগে থেকে। ১৮৯০ সালে নিকোলা টেসলা নামের একজন বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুত্ পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তখন থেকেই তারবিহীন বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার উন্নতি শুরু হয়। কিন্তু তা সহজ এবং সুলভমূল্যে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন করা বিশেষজ্ঞদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্যই ছিল। ইঞ্জিনিয়াররা বিদ্যুকে বাতাসের মাধ্যমে নিরাপদে পারাপার করার বেশ কিছু পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। তার মধ্যে কিছু কিছু বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া গেলেও এগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।


বাংলা এক্সপ্রেস
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুপ্তদের সকল অপকর্মের তদন্ত হোক....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮


সময় যত যাচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে অস্বস্তিকর সত্য!
সময় গড়িয়ে যাচ্ছে- আর অতীতের অনেক ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষ্য ও তথ্য সামনে আসছে-
যেখানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবির বিরুদ্ধে কবি

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১০

হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।

হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষকের মর্যাদা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩


কবিতাটার কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×