
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে দেখা-সাক্ষাৎ করতে বিভিন্ন দেশ থেকে ছুটছেন দলীয় নেতারা। খালেদা জিয়া লন্ডন পৌঁছলেই এসব নেতারা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এজন্য দলের সব নেতাকর্মীর দৃষ্টি এখন লন্ডনের দিকে।গতকাল মঙ্গলবার রাতে খালেদা জিয়া লন্ডনের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলের মধ্যে আলোচনা ছিল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শিগগিরই লন্ডন যাবেন। গত মাসের ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জš§দিনের আগে কিংবা পরে লন্ডন যাওয়ার বিষয় নিয়ে বিএনপি ছাড়াও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে গেলেন।
খালেদা জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও দলের বিভিন্ন পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে লন্ডনে দলের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। ওই বৈঠকেই মহাসচিব নির্বাচনসহ দলের সাংগঠনিক বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ব্যক্তিগত সফর হলেও ব্রিটিনের ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করবেন তিনি। বিশেষ করে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী, পররাষ্ট্র দফতরের পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। কারণ এই সফরকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনায় নিয়েছে দলটির নেতারা।
এদিকে চিকিৎসার জন্য আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে আছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও লন্ডনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, দলের অর্থ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ দলের বেশ কয়েকজন নেতা যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে দলের এসব নেতারা সাক্ষাৎ করবেন। থাইল্যান্ড থেকেও বিএনপির কয়েকজন নেতা লন্ডনে যাচ্ছেন। ঢাকা থেকেও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল মিন্টুসহ দলের আরও কয়েকজন নেতা লন্ডন যাচ্ছেন বলে সূত্র জানায়। তবে বাবাধন এখন জানি কি আবার পরামর্শ দেন। গতবার বাবাধনের পরামর্শে অনেক জান-মাল নষ্ট হয়েছিল। এবার কি হয় আল্লায় জানে। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে বিদেশী বিভিন্ন নেতাদের সাথে দেখা করার মাধ্যমে তিনি শলামর্শ করে কিভাবে আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করা যায় তা সিদ্ধান নিবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেই শুভাকাঙ্খিত দলের নেতারা যারা আত্মগোপনে আছেন তারাও নাকি দেখা করবেন বলে জানা যায়। তবে এ রূপরেখা আন্তর্জাতিক লবিষ্টের কোন সোর্স থাকতে পারে কিনা জানা যায়নি। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মনে করেন যে, খালেদা জিয়া যদি তারেক রহমানের কথা অনুযায়ী যদি দলের সাংগঠনিক রূপরেখা তৈরি করেন তাহলে বিএনপি আরো তলানিতে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




