somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্প ‘লেখক’

১৭ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গল্প ‘লেখক’


যান্ত্রিক শহরের ছোট্ট একটি বেলকনি। লম্বা লম্বা গ্রিলের ফাঁক দিয়ে খণ্ড খণ্ড আকাশ দেখা যায়। সেই খণ্ড আকাশেই কাত হয়ে চাঁদ উঠবে। কেমন যেন একটি নীল আভার চাঁদ। রুপালি নীল আভা। চাঁদের সাথে রুবাইয়াত সাহেবের সম্পর্ক অনেক পুরনো।
মন খারাপ করা রাতে তিনি অতীত ভাবেন। তার দুরন্ত যৌবনের আবেগ-অনুভূতির কথা, স্বপ্নীল দিনের কথা ভাবনে; আর ভাবেন অরনীকে।
অরনী, একটি নাম। অতি সাধারণ একটি মেয়ে। যে ঠিকভাবে মাথার চুল বাঁধতে পারত না। ওরনা ঠিকমতো পরতে পারত না। লিপস্টিক দিলে ঠোঁটের বাইরে ছড়ে যেত। মাঝে মাঝে দাঁতেও লেগে যেত। সেই অরনী, যার কথা মনে হলেই বুকের ভেতরে নড়ে ওঠে।
রুবাইয়াত সাহেবের বয়স এখন ঊনপঞ্চাশ। এই বয়সে কাঁচা সময়ের প্রেমিকার কথা ভেবে নস্টালজিয়ায় বুঁদ হওয়ার কোনো মানেই হয় না। তারপরও মানুষ তার যৌবনের স্মৃতি বুকে ধরে রাখে। তিনিও তো অনেক মানুষের মতোই একজন। অতি সামান্য একজন মানুষ।
বয়স বাড়ছে, চমশার কাচ ঘোলা হচ্ছে, কপালে ভাঁজ পড়ছে। সবই চলছে নিয়ম মতো। তারপরও অনেক ইচ্ছা জেগে ওঠে মনে। বাধাহীন, বন্ধনহীন ইচ্ছা।
যৌবনের ইচ্ছাগুলো কতটা বাধাহীন ছিল। ইচ্ছা মতো ভেবে ফেলা যেত জীবনের নানা ভাবনাগুলো। এক সময় ইচ্ছা ছিল লেখক হওয়ার। দুর্দান্ত এক ঝোঁক মাথার মধ্যে বুঁদ হয়ে থাকত। গল্পের নকশা মাথার মধ্যে কিলবিল করত। যদিও সব গল্প মনের মতো হতো না।
অরনীকে নিয়ে কবিতা লিখতেন তিনি। কলেজ ম্যাগাজিনে ছাপা হওয়ার পর হইচই পড়ে গিয়েছিল। যদিও রুবাইয়াত সাহেব কখনো কবি হবেন এমন ইচ্ছা পোষণ করতেন না। তার সব ভাবনায় কেবল গল্প-উপন্যাস ঘুরে বেড়াত। মানুষের চলাফেরা, বোধ, বিবেচনাÑ সবই তাকে আলোড়িত করত। তিনি গল্পের ভেতর গল্পের পাখা খুঁজে পেতেন।
মানুষের প্রতিভার মৃত্যু ঘটে নানাভাবে। লেখক একটি সত্তা, সৃষ্টিকর্তার দান। অথচ প্রতিদিনই এমন কত সত্তার মৃত্যু হয়। সবার অগোচরে লেখকের অশ্রুহীন কান্না ঝরে পড়ে এ কংক্রিট শহরে।
লেখক হতে হলে নাকি অনেক কান্নার জল অতিক্রম করে আসতে হয়। জীবনের অনেক স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয়। লেখক হওয়ার পথ বড্ড বন্ধুর। যারা এ পথে হাঁটে তারা জানে, অলিম্পিকের দৌড়ের মতো এটি একটি লম্বা পথ। দৌড়াতে দৌড়াতে পানি পিপাসা পাবে, জিহ্বা লম্বা হয়ে যাবে, কিন্তু থামা যাবে না।
রুবাইয়াত সাহেবও থেমে থাকেননি। জীবনের অনেক স্বপ্ন পেছনে ফেলে, অনেক কান্নার জল অতিক্রম করে তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বন্ধু যখন সরকারি চাকরির খোঁজে হন্যে হয়ে ছুটছিল তখন তিনি হাসতেন। ভাবতেন, এমন সাধারণ একটি ভাবনায় তার ডুব দেয়া যাবে না। তিনি মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান।
অনেক বড় বড় চাকরির রাস্তা তিনি মাড়িয়ে গেলেন। আঁকড়ে ধরলেন পত্রিকা অফিসের সহসম্পাদকের পদ। যেখানে মান আছে, মর্যাদা নেই। পেট আছে, ভাত নেই। বুদ্ধি আছে, বিবেক নেই। আর থাকবেই বা কেন? সংবাদপত্র এখন আর সাংবাদিকের হাতেই যে নেই। ওটিও কালের আবর্তে পণ্য হয়ে গেছে।
তেলচাটা অপদার্থ সম্পাদকীয় লেখে। রাজনৈতিক জাল বিছানও সংবাদ, যেন ইলিশের জাটকা। সেসব প্রপাগান্ডার জগতে তিনি ম্লান স্বপ্ন দেখতেন। মাঝে মাঝে তিনি ভাবতেন, ইস তার বাবা যদি কোনো বড় সংবাদপত্রের প্রকাশক হতেন। তাহলে তিনি কত সহজেই না লেখক হতে পারতেন। সব টিভি চ্যানেল তাদের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে তার সাক্ষাৎকার নিত। কী অদ্ভুত আমাদের মেধা নির্ণয়ের মাপকাঠি।
একসময় অবশ্য তিনি ভেবেছিলেন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সিসটারের প্রকাশক মুহাব্বত আনামকে বাপ ডাকবেন। দরকার হলে ধর্ম বাপ। আর কিছু না হোক এই সুবাদে তো তিনি লেখক হবেন। আসলে লেখক হওয়ার স্বপ্নটা সত্যিই কুৎসিত। মানুষকে বিকেন্দ্রীকরণ হতে বাধ্য করে।
রুবাইয়াত সাহেব সত্যিকারের লেখক ছিলেন কি না, তা প্রমাণিত নয়। কিন্তু সে সময়ে তিনি কুৎসিত স্বপ্ন দেখতেন। ভাবতেন ‘ঞযব ৎিরঃঃবৎং ড়ভ ইধহমষধফবংয’ এমন একটি বই লিখবেন। তারপর তা বাংলা সংস্করণ হবে। দেশের কিছু তেলবাজ কবি-লেখক তাদের বিদ্যাবুদ্ধি বিসর্জন দিয়ে জয়গান গাইবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হবে।
অবশ্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে লেখিকা তারামন আনাম কালের গর্বে হারিয়ে গেছেন। সাহিত্যের ইতিহাস এমনই, সে কোনো কলঙ্ক ধরে রাখে না।
প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও লেখকের মৃত্যু হয়। সৃজনশীলতার গলা চেপে ধরে অদৃশ্য একদল ডাকাত। তেমনি এক অপার্থিব পরিবেশে রুবাইয়াত সাহেব পড়েছিলেন।
পত্রিকার সহসম্পাদকের পদে চাকরি করতেন। নুন আনতে পান্তা ফুরায় দশা। সে সময় এক বিদেশিনীর সাথে পরিচয় হয় তার। তাকে ভালো মাইনের চাকরি দেবে বিদেশে এমন প্রস্তাব করে বিদেশিনী। শর্ত একটিই, বিদেশিনীকে বিয়ে করতে হবে।
মানুষ জীবনের কোথাও না কোথাও ভুল করে। সম্ভবত ভুল না করলে মানুষ শুদ্ধ হয় না। তারপরও কিছু কিছু ভুল সারা জীবনের পট পরিবর্তন করে। যার যন্ত্রনা বয়ে বেড়াতে হয় সারাজীবন। রুবাইয়াত সাহেবের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তার অর্থবিত্ত, প্রতিপত্তি সব হয়েছে। কিন্তু এসবই তিনি পেয়েছেন তার অরনীকে বিক্রি করে। বিদেশিনীর সাথে দেশ পাড়ি দিয়ে তিনি শুধু তার ভালোবাসা অরনীকেই হারাননি; নিজে হয়েছেন ক্রীতদাস। যেন সেই প্রাচীন সভ্যতার ক্রীতদাস তিনি। কেউ নগদ টাকার বিনিময়ে খুব সহজেই কিনে নিয়েছে তাকে।
লন্ডনে থাকাবস্থাতেই তিনি বুঝতে পারতেন তার পাপ হয়েছে। এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত যে বড্ড কঠিন, বড্ড ভয়ঙ্কর। তিনি বিত্ত-প্রতিপত্তি পেয়েছেন, কিন্তু হারিয়েছেন বেঁচে থাকার সব মায়া, সব বন্ধন।
কত রাত রুবাইয়াত সাহেব ঘুমাতে পারেননি। অরনীর স্মৃতি অন্ধকারে তাকে খুঁজে ফিরেছে। লন্ডনে চলে যাওয়ার পর তিনি আর খোঁজও রাখেননি তার। বহুবার মনে হয়েছে, সব ছেড়ে অরনীর কাছে ফিরে আসবেন। তার কাছে ক্ষমা চাইবেন। হয়তো অরনী তাকে ক্ষমা করবে, অথবা করবে না। হয়তো সময়ের বাস্তবতায় পরিবর্তন হয়ে গেছে সব। কিন্তু কোন মুখ নিয়ে অরনীর সামনে দাঁড়াবেন?
একটি অপরাধবোধ প্রতি রাতে গলা চেপে ধরত তাকে। নির্ঘুম রাত শেষে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতেন তিনি। কিন্তু তিনি যে ক্রীতদাস, হয়তো এ কারণেই মুক্তি মেলেনি তার।
অতীতের স্মৃতি বলতে তার কাছে পড়ে ছিল লেখালেখির নেশা। নিজের কষ্টের কথা, দুঃখের কথা তিনি লিখতেন রাতের পর রাত। লেখাগুলো লেখা হতো কেবলই নিজের জন্য। নিজের ভালো লাগার জন্য। একসময় লেখক হওয়ার যে ইচ্ছা মনের কুঠুরীতে তিনি পোষণ করতেন তা ভাবতেই তিনি কষ্ট পেতেন। মনে হতো কুৎসিত একটি ইচ্ছা। একটি ক্রীতদাসের এমন ইচ্ছার কোনো মূল্যই নেই।
ুতিরিশ বছর পর বিদেশিনীর মৃত্যু হয়। রুবাইয়াত সাহেব তখন বিশাল বিত্ত-বৈভবের মালিক। এখন তার সব আছে, শুধু নেই হারানো যৌবন, অবুঝ ভালোবাসা আর অরনীকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন। তারপরও পুরনো নস্টালজিয়ায় ভেসে ভেসে ফিরে আসেন দেশে। একাকী নিঃসঙ্গ একটি জীবন তার। বারিধারায় আলিশান বাড়ি, এ বাড়িতে তার আপন বলে কেউ নেই।
বাড়ির সামনে যতন করে দু’টো কদমগাছ লাগিয়েছেন তিনি। অরনী খুব কদমফুল পছন্দ করত। বর্ষা এলে চুল ছেড়ে হাঁটত। অনেক জ্বর হলে বলত, জ্বর খুব বেশি হলে আমি তোমার গন্ধ পাই।
এ শহরেই অরনী থাকে। কোথায় থাকে, তা তিনি জানেন না। কার সাথে তার বিয়ে হয়েছে তাও তিনি জানেন না।
বইমেলায় গিয়েছিলেন দু’টো বই কিনতে। সেখানেই পরিচয় ইবুর সাথে। পরে আলাপচারিতা। আলাপের মাঝেই জানতে পারেন এ ছেলের মাঝেও লেখক হওয়ার কুৎসিত ইচ্ছা কাজ করে। তাকে তিনি বাসায় নিয়ে আসেন। এমএসসি পাস বেকার যুবক সে। পকেটে কবিতা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এ পত্রিকা অফিস, ও পত্রিকা অফিস।
ইবুর বয়সটিই এমন। মনের মাঝে অহেতুক স্বপ্নের ছোটাছুটি। কবিতার লাইন লেখা হবে। তা পড়ে মানুষ আবেগে দুলবে। অনেক বড় কবির জন্ম হবে। কিন্তু এ স্বপ্নের বাস্তবতা কী? কেউ জানে না। ঢোল পেটানোর লোক যাদের নেই তাদের সৃজনশীলতার কী দাম আছে? সবই ফল্স, সবই অর্থহীন স্বপ্ন।
রুবাইয়াত সাহেব তাকে ডেকে বলেন, তোমাকে আমি একটি চাকরি দেব। পার্টটাইম বলতে পারো।
চাকরির কথা শুনে বেকার যুবকের শিরায় নবরক্ত প্রবাহিত হয়। রুবাইয়াত সাহেব তার চোখের ভাষা মুখস্থ করেন। বলেন, আমার লেখা অনেক গল্প উপন্যাস আছে। এগুলো তুমি তোমার নামে ছাপাবে। এটিই তোমার চাকরি।
যুবক হাসে। হাসতে হাসতে গড়ে পড়ে। যেন বয়সের ভাড়ে আক্রান্ত বৃদ্ধের কথার কী দাম আছে? হাস্যকর, সত্যিই হাস্যকর। অপলক চোখে তাকিয়ে থাকে ইবু।
বেকার যুবকদের মেরুদণ্ড ক্ষয় হয় দ্রুত। ইবুর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। মেনে নেয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা থেকেই রুবাইয়াত সাহেবের কথা মেনে নেয় সে। তারপরই ঘটে আশ্চর্য ঘটনা। মাত্র ছয় মাসের মাথায় তুমুল জনপ্রিয় লেখক হয়ে যায় সে।
আজ সকালে ইবু এসেছিল। লম্বা চুলের ছোট্ট মুখখানি তার ম্লান। তিনি অবাক হয়ে তার মলিন মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, কী হয়েছে তোমার।
আমি ‘স্বপ্নবাড়ি’ গল্পের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি।
এ তো আনন্দের কথা। তুমি আনন্দিত হওনি?
না। কারণ যে লেখকের সত্তা আমি আমার মাঝে বহন করি তা আমার নয়। আমি একজন বাহক মাত্র।
লেখকের স্বপ্ন পাঠকের কাছে যাবে। একটি সৃষ্টিশীল চেতনা সাহিত্যে ঠাঁই নেবেÑ এটিই বড় কথা। তুমি-আমি কেউ না।
তবুও আমি সত্য বলে দিতে চাই।
না, না, তা হয় না। আমার ইচ্ছার মৃত্যু হয়েছে আজ থেকে ৩৫ বছর আগে। যখন আমার মধ্যে বোধ হয় বিবেকের দ্বন্দ্ব ছিল। যখন আমি অর্থলোভী ছিলাম। পার্থিব সুখের কাঙাল ছিলাম। আহমেদ রুবাইয়াতের মৃত্যু হয়েছে সেই দিনই। তার কবর থেকে জন্ম নিয়েছি আমি। আমি জানি, লেখক যখন নামের কাঙাল হয় তখন সে তার সত্তা হারিয়ে ফেলে।
ইবু অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে। বলে, সত্যিই আপনি লেখক। পৃথিবীর ইতিহাসে আপনার মতো লেখক দ্বিতীয়টি জন্মাবে কি না তা আমি জানি না। আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন। কাল আপনি শিল্পকলা একাডেমীতে আসুন। যে জাতীয় পুরস্কার আমি পাব তা আসলে আপনার। আমি পুরস্কার নেয়ার পর একজন সত্যিকারের লেখকের মুখ দেখতে চাই।
তা হয় না। আমি মানুষ। কুৎসিত যে স্বপ্নটি আজ থেকে ৩৫ বছর আগে ছিল তা আবার জেগে উঠুক তা আমি চাই না। আমি চিরকাল হারিয়ে যাওয়া মানুষই থাকতে চাই।
তবুও আমি আপনার প্রতীক্ষা করব। আপনি আসবেন।
রুবাইয়াত সাহেব সারাটা দিন ভেবেছেন। তিনি কি ইবুকে দেখতে যাবেন? নাকি অদ্ভুত একটি শাস্তিÍ দেবেন নিজেকে।
শেষ রাতে চাঁদ উঠবে আকাশে। তিনি বসে আছেন। আকাশ আলোকিত হচ্ছে দ্রুত। হয়তো আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি দেখতে পাবেন কাক্সিক্ষত চাঁদ। আজ তিনি জোছনায় স্নাত হবেন। যদি স্নাত হতে পারেন তবেই তিনি যাবেন। তিনি তাকিয়ে আছেন নীল আভার জোছনার আশায়।
হঠাৎ টুকরো টুকরো মেঘ ভেসে আসছে দক্ষিণা বাতাসে। আস্তে আস্তে তা জমছে জমাটবদ্ধ হয়ে। হঠাৎ এমন হচ্ছে কেন? তবে কি আজো তার জোছনা দেখা হবে না? তবে কি তিনি কাল যাবেন না?
রুবাইয়াত সাহেব অপেক্ষা করছেন। ঘন কালো মেঘ, না নীল আভার চাঁদ। একটু পরেই বোঝা যাবে।

সমাপ্ত
[email protected]
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাসিত নক্ষত্রের শহর !

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯



রাতের শেষে যে শহর জেগে থাকে
তার ভাঙা নীয়ন আলোয়
আমি দেখেছি মানুষের মুখ—
অথচ দেখিনি মানুষ ।
দেখেছি ক্লান্ত আত্মারা,
ধীরে ধীরে আত্মহুতি দেয় প্রতিরাতে।

চারদিকে শব্দ ছিল,
হাজার কথার বিষাক্ত ভিড় ছিল,
কর্পোরেট... ...বাকিটুকু পড়ুন

"তোমরা আমাদের মানুষদের কেন খুন করলে?"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০১

জাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন

শত্রুর শত্রু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×