
প্রথমেই পরিচয় করিয়ে দেই আপনাদের আমার প্রিয় পরিচালক Christopher Nolan এর সাথে । ইন্টারস্টেলার মুভিটির পরিচালক এবং একজন সহ প্রযোজক তিনি ।
নিজের জীবনে ব্যাটম্যান ট্রিলজি এবং ইনসেপশন মুভি গুলো পরিচালনা করে পেয়েছেন তুমুল খ্যাতি আর তার সাথে যোগ হয়েছে ২০১৪ সালে সাই ফাই ইন্টারস্টেলারের মত অনবদ্য ছায়াছবি ।
প্রথমেই বলছি মুভিটি পুরোপুরি বুঝতে চাইলে ওয়ার্ম হোল কী , ব্ল্যাক হোল কী , টাইম ট্রাভেল কী ব্ল্যাক হোলের ভেতর কীভাবে টাইম ট্রাভেল করা যায় সে বিষয়ে আপনার কিছু ধারণা গুগল সার্চ করে নিতে হবে ।
এবার আসি মুভিটির প্রসঙ্গে , পৃথিবী মারা যাচ্ছে ,ধীরে ধীরে সব গাছ উৎপাদন ক্ষমতা হারাচ্ছে বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ফলে । প্রতিনিয়ত ধুলোর ঝড়ে ফুসফুস নষ্ট হচ্ছে মানুষের , গোপোনে কাজ চালানো নাসা বুঝতে পারে পৃথিবী ছাড়ার সময় হয়েছে , যে কোনো মুল্যে অন্য কোনো গ্রহে আবাস ভূমি খুঁজতে হবে নাসার ।
কিন্তু তা অসম্ভব ,টাইম ট্রাভেল করা ছাড়া মানুষের উপায় নেই কয়েক লক্ষ আলোক বর্ষ দূরে যাওয়া । কিন্তু আশার আলো দেখা যায় শনি গ্রহের আশে পাশে । একটা ওয়ার্ম হোল খুঁজে পাওয়া যায় ,৫ম মাত্রার প্রানীরা তৈরি করে , কিন্তু কারা এই ৫ম মাত্রার প্রাণী তা জানতে পারেনি তখনো নাসা । আর কেনোই বা পৃথিবীর মানুষ কে সাহায্য করার জন্য তারা একটা ওয়ার্ম হোল তৈরি করবে? যে ওয়ার্ম হোলের ও পাশে রয়েছে একটা সৌর জগত আর সে সৌর জগতে রয়েছে মানুষের জন্য বাস যোগ্য সাম্ভাব্য ৩টি গ্রহ ।
এখন নাসা তার শেষ চেষ্টা এবং শেষ সম্বল ব্যয় করে নভোযান পাঠায় সেই সৌর জগতে ।
কিন্তু আসলে কী তারা সফল হয় ? কারা ছিলেন সেই ৫ম মাত্রার প্রাণী ?
আমরা হলিউডের আট দশটা সাই ফাই মুভি কী দেখি ? যাই দেখি আপনার এক ঘেয়েমিতা এসে যাবে উদ্ভট চেহারার এলিয়েন হতে শুর করে যত সব অবাস্তব গল্প আর অবশ্যই বেশীর ভাগ সময়ই তা নিম্ন মানের , কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি ইন্টারস্টেলার দেখার পর আপনি হতাশ হবেন না ।
কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা কুপার যখন তার ১০ বছরের মেয়ে কে রেখে পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে রওনা হন তখন ভাবেন নি তিনি যখন ফিরে আসবেন তার মেয়ের বয়স তার থেকে অনেক বেশী হবে । ৩টি গ্রহের মধ্যে ১টি গ্রহে অভিজান চালাতেই খরচ হয়েছে ২৩ বছর কিন্তু কেউ বুড়িয়ে যাননি ওদিকে আবার কুপারের মেয়ে ৪০ ঊর্ধ্ব হয়ে তখনো গ্র্যভিটি জমা করার কৌশল খুঁজছিলেন । একদিকে মানব সভ্যতাকে বাঁচানো অন্য দিকে নিজের প্রাণ প্রিয় সন্তান দের বাঁচানোর আকাংখা মুভিটিতে ইমোশনের মাত্রা কে ছাড়িয়ে গিয়েছে । আর অন্য দিকে ছিল এই মহাজগতে সময়ের খাম খেয়ালী পনা ।
আমি জানি আপনার মনে এখন অনেক প্রশ্ন জেগেছে , প্রশ্ন গুলোর উত্তর পেতে অবশ্যই মুভিটি দেখুন আর আমি এও জানি আপনি হতাশ হবেন না ।
আর অবশ্যই মুভিটি বাংলা সাব দিয়ে দেখুন ।
বাংলা সাব পেতে সাবসীন ডট কমে আসুন ।
আর মুভিটির লিংক পেতে উপরের ছবিটির ওয়েব সার্চ বক্সে থাকা লিংক টি নিজের ব্রাউজারের ওয়েব সার্চ বক্সে টাইপ করে ইন্টার করুন ।
টরেন্ট ফাইল নামাতে অবশ্যই ইউ টরেন্ট সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



