শত সহস্র নদীর স্রোত আর নানান উপকথা
শত শত পুরাণ যখন বিধানে পরিণত হয়।
পৌরাণিকে যখন শত কোটি মানুষ ডুবে থাকে।
যখন কিনা সাধারণের মহামারী শত বছরের
বুড়িকে দায়ী করে শূলে চড়ানো হয়।
গিলোটিন যখন গিলে খাচ্ছিলো প্যারিসের শত শত
অপরাধী ও নিরপরাধ মানুষের জীবন।
মানুষ যখন বুঝতে শিখেছে জানতে শিখেছে-
কিন্তু কখনোই আবেগ ও হিংস্রতাকে আয়ত্বে
নিয়ে আসতে পারেনি।
অথবা আত্মহংকারকে বলি দিতে চায়নি অনেকে।
গ্যালিলিও যখন ক্ষমা চাচ্ছিলো মূর্খ ধর্মাবতারের কাছে,
মহাকাল কি তখন নত হয়েছিলো?
এখন গ্যালিলিও সত্য কিন্তু সে কি জানে এখন
তার সম্মান সমুন্নত।

পৃথিবীতে সময় বাধা সময়ের নিয়মে,
কিন্তু যেখানে শুধুই অন্ধাকার, নেই কোনো পদার্থ অথবা প্রতি পদার্থ।
যেখানে নাই কোনো জীবনের কোনো চিহ্ন,
সেখানেও কি সময়ের একই নিয়ম!
মানুষ এখন অনেক কিছু হাতের মুঠোয় নিতে চাইছে।
কিছু হয়তো সে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসছে,
কিছু হয়তো পারবে আরও শত শত বছর পরে।
পূর্বে আকাশের তারারা ছিলো খোলা আকাশের ছাদের ফুটো,
স্বর্গের আলোর ঝলক দেখা যেতো সে ফুটো জুড়ে।
আর চাঁদ কে বলা হতো কলঙ্কিনী।
সেই চাঁদ আজ জোয়ার ভাটার নেপথ্যে।
চাঁদ, সূর্য, শনি কিংবা বৃহস্পতি।
কি আসে যায় ছায়াপথ যদি সেখানে প্রাণ না থাকে!
কিন্তু মানুষ! সে আর কত বছর?
অনেক তো হলো, এবার ?
সভ্যতার বিকাশে পৃথিবীটা একটা বিস্ফোরণের অপেক্ষায় আছে।
হয়তো বা অতিকায় হস্তির ন্যায় আমরাও একদিন মুছে যাবো।
আবার হয়তো তৃণভোজী প্রাণি আর শিকারী প্রাণির
দাপটে মুক্ত হবে পৃথিবী। কিন্তু মানুষের কি আরেক টা সুযোগ পাওয়া উচিৎ না?
মানুষ কি আবার পাখির গান গাইবে নাকি হন্য হয়ে ধংসে মেতে উঠবে আবার।
মানুষ কি পাখির কবিতা হতে পারবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




