সিদ্দিকী ভাই, আপনার কণ্ঠস্বর কেমন যেন পোলাপাইন মার্কা।
তো?
না বললাম আর কী। ভড়াট কণ্ঠস্বর আমার ভাল লাগে।
কণ্ঠস্বর টা মূখ্য না সিস্টার। আপনি এই কন্ঠ, মুখ কী ভাবে ব্যবহার করছেন, সেটাই আসল। খেয়াল করে দেখবেন, অনেক মানুষের কন্ঠ খুবই শ্রুতিমধুর, ভরাট, মিস্টি। কিন্তু যখন কথা বলে, তখন খিস্তি বাদে কথা বলতে পারে না। কথা শুরু করে খিস্তি দিয়ে শেষও করে ওই দিয়ে। আপোষে যখন খিস্তি আউড়ানো হলে আল্লাহর রহমত সেখান থেকে উঠে যায়।
আপোষে খিস্তি, গালাগালি মানে কী ভাইয়া।
ধরেন, আপনার সাথে কথা বলার সময় একটা গালি দিয়ে কথা শুরু করা হল। আবার আপনি এর প্রতি উত্তরে তাকেও একটা গালি দিয়ে কথা শুরু করলেন। দেখা গেল এই গালি দেওয়া আপনাদের মনে কোন অনুভূতিই সৃষ্টি করে নাই। আপনারা দুজনেই এই খারাপ কথা বলা টা আপষেই মেনে নিচ্ছেন। এটাকেই আপোষে গালাগালি করা বলে।
ও।
মানুষ মাঝে মাঝে এমন কথা বলে, তা শ্রবণ করার পর শ্রবণকারীর মনে হয় যদি তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করা হত তবে বর্শার সেই ক্ষত ভাল হত কিন্তু যেই কথা তাকে বলে হল তার ক্ষত মড়ে গেলেও শুকাবে না।
ও।
আপনি কী কথা বলছেন সেটাই আসল। চুপ থাকলেই মুক্তি। বেশী প্যচাল পাড়লেই ধরা। আপনার কথা বলার মাঝেই সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য লুকিয়ে আছে।
ও।
যদি দেখেন কোন আড্ডায় খারাপ কথা হচ্ছে, তাহলে মুখ ফিরায় নেন বা ভদ্রতার এবং গাম্ভীর্যের সাথে সেই স্থান ত্যাগ করাই আপনার জন্য ভাল হবে। তবে যদি আপনার শক্তি থেকে তবে বন্ধ করার চেষ্টা করেন। সেটা আরও ভাল হবে।
ও।
সিস্টার খালি ও ও করেন কেন?
আপনার কথা শুনি। ভড়াট কণ্ঠস্বর আমার ভাল লাগে। আপানর কন্ঠ ভাল না। এই কথাই ভড়াট কন্ঠধারী কোন মানুষ আমাকে বললে ভাল লাগতো।
তাহলে আমার কোন কিছু করার নাই। আপনি নিজে এমন একজন খুজে বের করে, দিনভর তার কথা বৈধ উপায়ে শুনেন। কোন আপত্তি নাইক্কা। আর আজেবাজে কথা বেশী বলে থাকলে, ১০০ বার তওবা করে নিয়েন। তাইলেই মামলা ডিসমিস।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




