জোকস কমন পড়লে ও পড়তে পারে......................।
২৮।রচনা: ছাত্রজীবন
স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখবো কীভাবে।
২৯।নকল
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কিরে, পরীক্ষা কেমন হলো?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিলো ৫ নম্বর ! আমি তাই পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আঁচড়ও দিইনি ! ৫ নম্বর তো নিশ্চিত পাবো।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- আমি ও তো তোরই মতো পরীার খাতায় কলমের একটা আঁচড়ও দিইনি !
আমাদের দুই জনের খাতা একই রকম দেখলে- টিচার আবার মনে করবেন না তো যে আমরা দুজনে নকল করেছি!
৩০।অংকের টিউটর
বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
ছেলেঃ বল্লেন যে তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে।
বাবাঃ মানে?
ছেলেঃ মানে তুমি হোমওয়ার্কের যে অংকগুলো করে দিয়েছিলে, সব ভুল ছিলো
৩১।ফাঁকিবাজ
রিমন খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে কাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, রিমন, এতো দেরি হলো কেনো?
রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে?
রিমন: কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!
৩২।পড়ালেখা
একদিন স্কুল থেকে ফিরে ছোট্ট রিমন খুব রাগ করে বলছে
রিমন: বাবা, কাল থেকে আমি আর স্কুলে যাবো না।
বাবা: কেন বাবা, কী হলো হঠাৎ করে? স্কুলে যাবে না কেন? লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
রিমন: তা নয়। স্কুলের টিচাররা কিচ্ছু জানে না। খালি ছাত্রদের কাছেই পড়া জানতে চায়।
৩৩।ক্রেডিট কার্ড
এক কৃপণ লোকের ড্রাইভার, লোকটিকে তার বেতন বাড়ানোর কথা বলার পর লোকটি ড্রাইভারকে বলছে, ‘বুঝলে হে, জীবনে টাকাটাই শেষ কথা নয়।’
ড্রাইভার: সে তো বটেই স্যার। এখন তো আবার ক্রেডিট কার্ডের যুগ। আপনি না হয় আমাকে একটা ক্রেডিট কার্ডই করে দিন। ব্যালেন্সটা খালি বাড়িয়ে দেবেন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



