
১. ২০ জানুয়ারি প্রথম রুগী সনাক্ত হয় ওয়াশিংটন স্টেটে। সনাক্ত হওয়ার ৫ দিন আগে সে ওয়াহান থেকে এসেছিল।

২. ৪ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় ডায়মন্ড প্রিন্সেস নামের একটা প্রমোদ তরীতে। এই প্রমোদ তরীটি জাপানের পানি সীমায় ছিল। এতে যাত্রী ছিল ৩ হাজার ৬০০ জন। তার মধ্যে ৭ শত জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। আবার এই ৭ জনের মধ্যে ৪২৮ জন আমেরিকান। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রমোদ তরীটিকে জাপানের ইউকোহামা বন্দরে সব যাত্রী সহ আটক করে রাখা হয়েছে।

৩. ২৫ ফেব্রুয়ারি রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র বা Centers for Disease Control and Prevention বা CDS সরকারি ভাবে করোনাভাইরাস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার ঘোষণা প্রদান করে।

৪. ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াশিংটন স্টেট করোনাভাইরাসে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। তার বয়স ৫০ বছর ছিল।

৫. ১ মার্চে নিউ ইয়র্কে প্রথম একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রুগী সনাক্ত হয়।
৬. ৪ মার্চে ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে একজন মারা যায়। সে প্রিন্সেস প্রমোদ তরীতে করে ফেব্রুয়ারি মাসে সান ফ্রান্সিস্কো থেকে মক্সিকোতে গিয়েছিল।
৭. ৪ মার্চ গ্র্যান্ড প্রিন্সেস নামের আরেকটি প্রমোদ তরীকে ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে ৩ হাজার ৫ শত যাত্রী সহ আটক করা হয়েছে। এতে ২১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত।
৮. ৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে প্রথম মৃত্যু। ফ্লোরিডাতে ২ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
৯. ৭ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রথম আঘাত। ৫০ বছর বয়সের একজন রুগী সনাক্ত হয়েছে সে করোনাভাইরাস আক্রান্ত।
১০. ৮ মার্চ (আজকে এই লেখা পর্যন্ত) যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা ৪০০ জন।

১১. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেটের সিয়াটল অবস্থিত লাইফ কেয়ার সেন্টার নামের একটা নার্সিং হোম থেকে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ঐ নার্সিং হোমেরে কমপক্ষে ১৪ জন মারা গেছে। ঐ নার্সিং হোমের বাকি ৬৩ জনকে গৃহবন্দী করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

১২. সব শেষে আতংকিত হবেন না। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। এইগুলি তথ্য। জানার অধিকার আপনার আছে।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


