somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ভূমিকা

১৩ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ৩:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত, চীন, রাশিয়া, কাজাখিস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত এবং পাকিস্তান নিয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা। এর লক্ষ্য হচ্ছে ইউরেশীয় অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বৃদ্ধি করা।

যদিও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থাকে আমেরিকা এবং তার আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি সম্ভাব্য পাল্টা জোট হিসাবে দেখা হয়েছে, তবে চীন এবং রাশিয়ার এটিকে সরাসরি বা প্রকাশ্যে আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যবহার করার কোন সম্ভাবনা নাই। পরিবর্তে তারা সংস্থাটিকে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ চীন সাগর এবং আফগানিস্তানের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের অবস্থান সমন্বয় করতে এবং তাদের আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যবহার করছে।

তবে চীন এবং রাশিয়ার একটা গোপন লক্ষ্য হচ্ছে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থাকে ব্যবহার করে ভবিষ্যতে যৌথভাবে আমেরিকার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া বা এই অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন সংস্থানগুলিতে আমেরিকার প্রবেশে বাধা দেয়া। তাছাড়া তাদের আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে পরোক্ষভাবে অন্যান্য ইস্যুতে তাদের অবস্থান সমন্বয় করে বা আমেরিকার শত্রু দেশগুলিকে সমর্থন করে আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করা।

চীন ও রাশিয়া সাংহাই সহযোগিতা সংস্থাকে কতটুকু সফল ভাবে আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে তা নির্ভর করছে এই অঞ্চলের পরিবর্তনশীল কৌশলগত পরিবেশ এবং আমেরিকা-চীন সম্পর্কের ওপর। তা সত্ত্বেও, ভবিষ্যতে আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা চীন ও রাশিয়ার একটি সম্ভাব্য হাতিয়ার।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ৩:১৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×