somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঢাকার সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে কি একচল্লিশ বৎসরের পুরানো প্রস্তাব দিয়ে ?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকার সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে কি
একচল্লিশ বৎসরের পুরানো প্রস্তাব দিয়ে ?


সূচনাঃ
ঢাকার সবচেয়ে বড় ও মারাত্মক এবং বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা যে যাতায়াত সমস্যা তা এই দেশের সবাই জানে । সাধারণ নিয়মে আমরা জানি, যাতায়াত সমস্যার কারনে আমাদের যাতায়াতে বেশী সময় লাগে এবং এই কারণে অনেক শ্রম ঘন্টা নষ্ট হয় । কিন্তু এর বাইরেও এই সমস্যাটি অনেক মারাত্মক সমস্যার জন্ম দিয়ে থাকে । যেমন, আপনি একজনকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এক স্থানে আসতে বললেন । যাতায়াত সমস্যা আছে এই জেনে সে হয়তো একটু ‘আগে’ই সেই উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো । এই ‘আগে’র কিন্তু একটা গ্রহনযোগ্য সীমা আছে । যেমন, এটা এক ঘন্টা হতে পারে । কিন্তু ঢাকার যাতায়াতে “ট্রাফিক জ্যাম” নামে যে নতুন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে তাতে এক দুই ঘন্টা নয়, এমনকি চার পাঁচ ঘন্টা পরেও যদি কেউ গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারে তাতে আশ্চর্য্য হবার কিছু নেই । ক্রমে ক্রমে এই সমস্যার বিষয় সবার জানা হয়ে যাবে এবং সবাইকে এটা মেনে নিতে হবে । তখন শুরু হবে নতুন উপসর্গ, এটা হলো একাউন্ট্যাবিলিটি বা দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত সমস্যা । আগে যিনি আপনার কথামত ঠিক সময়ে উপস্থিত হবার জন্য এক ঘন্টা আগেই রওয়ানা হতেন, এখন তিনি যানজটের সুযোগে দু ঘন্টা পরে রওয়ানা হতে পারেন । তিনি চারঘন্টা পরে পৌঁছলেও এখন আপনার তাকে চেপে ধরার কোন সুযোগ থাকবে না । কারন ঢাকার যান জটের বিষয় তো আপনার অজানা নয় । ক্রমে ক্রমে বেশী সংখ্যায় মানুষ এই সুযোগ নিতে শুরু করবে । মানুষকে দায়িত্বপালনে ব্যর্থ হবার এই কারণ প্রথমে সৃষ্টি করা এবং পরে এই সুযোগ গ্রহন করে দায়িত্বপালনে অবহেলা করার এই যে প্রথা, যা খুব শীঘ্রই আমাদের জাতীয় চরিত্রে পরিনত হবে তার জন্মদাতা পিতা এই যাতায়াত সমস্যা ও ট্রাফিক জ্যাম।

সমস্যার সমাধান হয় নি কেন ?
প্রশ্ন উঠতে পারে, ঢাকা শহরে তো আর একদিনে এই সমস্যার সৃষ্টি হয় নি । স্বাধীনতার পরে কেটে গিয়েছে দীর্ঘ চুয়াল্লিশ বৎসর । এই সময়ে প্রজাতন্ত্রের সেবা করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও বিপুল সুবিধাভোগকারী নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং বেতনভূক আমলাদের সমন্বয়ে গঠিত সরকার এদেশে ছিল, শহরের উন্নয়নের জন্য তাদের বড় বড় বাজেট ছিল । তাহলে কি ধরে নিতে হবে এরা সমস্যার সমাধানের পরিবর্তে দিনে দিনে তা বাড়িয়ে দিয়েছে ? উত্তরটা অবশ্যই “হ্যা”। অনেকের কাছে উত্তরটা অদ্ভূত মনে হবে । কিন্তু বাস্তবে তাই ঘটেছে । এখন আমরা রাজধানী শহরের সমস্যার সমাধানের জন্য বিপুল টাকা খরচ করার পর সমস্যার সমাধানের বদলে তা কেন বাড়লো তার প্রেক্ষিত আলোচনা করবো ।

সমাধানের স্থলে সমস্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ ও পটভূমিঃ
আমাদের দেশে ১৯৭১ সন থেকে ১৯৭৪ পর্য্যন্ত চলেছিল সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশের অরাজক পরিস্থিতি । এই সময়কালে দেশে গনতান্ত্রিক শাসনতন্ত্র প্রণীত ও প্রবর্তিত হয় । কিন্তু ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গনতন্ত্র বিতারিত হয় । সেই থেকে এ পর্য্যন্ত নানা নামে শাসন চললেও তা কোনদিনই প্রকৃত গনতন্ত্র ছিল না । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অগনতান্ত্রিক সরকারগুলি টিকে থাকার জন্য কখনও ধর্ম, আবার কখনও দলীয় পেটোয়া বাহিনীকে ব্যবহার করে । এছাড়া প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আর সশস্ত্রবাহিনীর উপর নির্ভরশীল হতে হয় । বলা বাহুল্য অনৈতিক নির্বাচন বা অন্য কোন ভাবে গদীতে টিকে থাকার জন্য তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আর সশস্ত্রবাহিনীকে যে কোন উপায়ে খুশী রাখতে হয়। এই খুশী রাখার অন্যতম উপায়, প্রচুর ভৌত কাজ করা, যা থেকে অনেকে লাভবান হতে পারে । বাংলাদেশের ১৯৭৫ পরবর্তী সরকারগুলিও এই পদ্ধতিতে পেটোয়া বাহিনী, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আর সশস্ত্রবাহিনীকে খুশী রেখে ক্ষমতায় টিকে থেকেছে এবং শাসন চালিয়ে গেছে ।

দেখা যাচ্ছে, গনতান্ত্রিক সরকারের যেখানে দেশের সাধারন মানুষের মঙ্গলকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেবার কথা, অগনতান্ত্রিক সরকারকে সেখানে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সর্বক্ষন দলীয় পেটোয়া বাহিনী, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আর সশস্ত্রবাহিনীর মঙ্গলের কথা চিন্তা করতে হয়, যার জন্য তাদের প্রয়োজন হয় প্রচুর টাকা খরচ করা যায় এমন সব প্রকল্প । এই টাকা সংগ্রহের সহজতম পথ হলো বেশী বেশী হারে জনগনের উপর ট্যাক্স ধরা । এছাড়া আছে দেশের বড় বড় ধনীদের কাছে থেকে বৈধ বা অবৈধ ভাবে টাকা নেয়া । আর এই সব বড় বড় ব্যাবসায়ীরা হাসিমুখে টাকা দিয়ে দেবে যদি সরকার তাদের সুবিধা দেয় । “ব্যাবসায়ী বান্ধব সরকার” বলতে এক সময় বোঝানো হতো এমন সরকার যারা জনগনের মঙ্গলের পরিবর্তে ব্যাবসায়ীদের স্বার্থ বেশি দেখে । এই কাজটি বিবেচিত হতো একটি অনৈতিক কাজ রূপে । আজকাল অনেক সরকার নিজেদেরকে “ব্যাবসায়ী বান্ধব সরকার” বলতে গর্ববোধ করে ।

অগনতান্ত্রিক সরকারের আরও একটি কাজ হলো দেশের পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষায় অর্থ ব্যয় না করে এগুলিকে অর্থউপার্জনের কাজে ব্যবহার করা এবং পরিনামে ধংস করে ফেলা । পেটোয়া বাহিনীকে পুষতে এধরনের সরকারের প্রচুর অপ্রকাশ্য অর্থের প্রয়োজন হয় । অনেক সরকার অবৈধ লেনদেনের গোপনীয়তার স্বার্থে এমন ধরনের প্রকল্প গ্রহন করে যেগুলি দেশীয় কোম্পানী করতে পারে না । এধরনের সরকার সহজবোধ্য কারনে আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নানা ভাবে দূরে রাখার চেষ্টা করে । কারণ দেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্য্যক্রম কাজ চালু থাকলে দূর্নীতির কথা আন্তর্জাতিক স্তরে জানাজানি হবার সম্ভাবনা থাকে । এধরনের কর্ম পরিকল্পনার ফলে রাস্ট্রের সূদুর প্রসারী উন্নয়ন ব্যহত হয় । এধরনের সরকারের পক্ষে কোনভাবেই দেশে শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না । এর ফলে মানুষ দেশে থাকা নিরাপদ বোধ করে না এবং সুযোগ পেলেই দেশ থেকে সম্পদ বিদেশে পাচার করে থাকে। দেশে দীর্ঘদিন দেশে এ ধরনের শাসন চলতে থাকার কারনেই ঢাকা শহরের সমস্যা কমার পরিবর্তে বরং বেড়ে গিয়েছে ।

যানজট সমস্যার সমাধানে লুপ পদ্ধতির প্রস্তাবঃ
শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে ফ্লাই-ওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (নির্মীয়মান আছে মেট্রো রেল, প্রস্তাবে আছে টানেল) নির্মান করার কারণ উপরে বলা হয়েছে । এগুলি যে সমস্যার সমাধান করবে না বিশেষজ্ঞরা তা আগেই বলেছেন । তবে কোন সরকার যখন বিশেষ বিশেষ প্রকল্প নির্মান করতে চায় তখন সেগুলির পক্ষে “হ্যা” বলার কি বিশেষজ্ঞ সব সময়ই সব দেশে পাওয়া যায়। যাই হোক, ইদানীং পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে সরকার ট্রাফিক জ্যাম কমানোর উদ্দেশ্যে রাজধানীর সাত রাস্তার মোড় থেকে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট পর্য্যন্ত লুপ পদ্ধতি প্রয়োগ করবে । ঢাকার সন্মানিত মেয়র এ বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন । এদিকে লুপ পদ্ধতি কে প্রথম “আবিষ্কার” করেছে তা নিয়ে কিছু কথাবার্তাও শোনা যাছে । কেউ কেউ বলেছেন, একজন বেবী ট্যাক্সীচালক এটি তৈরী করেছে । যারা ঐ বেবী ট্যাক্সীচালকের প্রস্তাব ভালো ভাবে দেখেছেন তারা জানেন, তার প্রস্তাবটি একটি অকার্য্যকারী প্রস্তাব এবং সেটি বর্তমান লুপ পদ্ধতি নয় । বুয়েটের কোনঙ্কোন শিক্ষক কেন সেই প্রস্তাবটির সমর্থনে বলেছিলেন সেটি একটি রহস্য । এর বাইরে কেউ কেউ এটি বুয়েট বা চুয়েট উদ্ভাবিত বলে দাবী করছেন । এ প্রসঙ্গে একটি মজার তথ্য এখানে না দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না ।

আজ থেকে প্রায় চুয়াল্লিশ বৎসর আগে (১৯৭৪ সনে) আমি যখন বুয়েটের ছাত্র তখন লুপ পদ্ধতির উপর একটি প্রস্তাব আমি নিজ নামে বাংলাদেশ অবজার্ভার পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম । পুরানো ফাইল ঘেঁটে আমি এটির একটি কপি পেয়েছি । সনটি ঠিক আছে, কিন্তু তারিখটি বের করতে পারি নি । প্রয়োজনে বাংলাদেশ অবজার্ভারের ফাইল ঘেঁটে তারিখ পাওয়া যাবে । এখানে স্ক্যান করে এটি সংযুক্ত করা হলো । ১৯৭৪ সনের আগে কেউ কোথাও লুপ পদ্ধতির প্রস্তাব করেছেন কিনা আমার জানা নেই । যাই হোক, এটির উদ্ভাবক দাবী করা বা এই ধরনের বিষয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই । যদি আমি অত আগে এমন একটি প্রস্তাব দিতে পারি যা ঢাকা শহরের মতন একটি ঐতিহ্যবাহী শহরের সন্মানিত মেয়র এবং বিশেষজ্ঞবৃন্দ আজকের এই যুগে প্রয়োগ করার কথা ভাবতে পারেন তাহলে আমি কিছুটা আত্ম প্রসাদ লাভ করতে পারি বৈ কি । তবে এই প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই, অত দিন আগে আমি যখন ঐ প্রস্তাব রাখি তখন ঢাকা শহরের যাতায়াত সমস্যা বর্তমানের তূলনায় ছিল একেবারে নস্যি । আমি মনে করি, ঐ সময় এটি বাস্তুবায়িত হলে ঐ সময়ের যাতায়াত সমস্যার সমাধান হতো । সেই সঙ্গে আমি প্রায় নিশ্চিত, আজকের যুগে এটি ঢাকার যাতায়াতের সমস্যার বিন্দুমাত্র সমাধান করবে না । ঢাকা শহরের আজকের যাতায়াতের সমস্যার নেচার (বাংলা শব্দ পাওয়া গেল না ) একেবারে ভিন্ন, তাই এর সমাধানও হবে একেবারে ভিন্নভাবে । আর সেটা হবে তখনই যখন গনতান্ত্রিক সরকার আন্তরিকভাবে তা চাইবেন ।

অধ্যাপক বিজন বিহারী শর্মা, স্থাপত্য বিভাগ, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ।

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৯
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×