somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসেন বাংলাদেশেরে ধ্বংস করি নিজের হাতে

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টিভির সামনে বসতেই কানে-চোখে এলো মার্কিণ দূতের মন্তব্য: এদেশের জন্য জঙ্গীবাদ এখনো হুমকী। স্বভাবতই বিরোধী দলকে ঘায়েল করার আরো একটি মোক্ষম অস্ত্র পেয়ে সরকারী দল সমর্থিত মিডিয়াগুলো খবরটাকে খুব হাইলাইট করছে। আমার প্রচন্ড রাগ হচ্ছে। রাগ হচ্ছে এদের কান্ডঞ্জান নিয়ে। এত স্বস্তাদরের রাজনীতিটা না করলেওতো চলে। এর আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং তারো আগের বি এন পি-জামাত সরকার সবাইকেই দেখেছি মার্কিণ সরকারের কোন মন্তব্যকে এমনভাবে হাইলাইট করে যেন কোরআনের আয়াত নাযিল হইছে। অথচ নিজস্ব কুটকৌশলের বাইরে তারা কোন মন্তব্য করেনা। সবকিছুই তারা করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে। অথচ আমাদের রাজনীতির ধরন এবং প্র্যাকটিসটা এমন হয়েছে যে, মার্কিন কর্তাব্যক্তির হস্তপদ চুম্বন-লেহন করতে পারাকে এক মহান কর্ম হিসেবে ধরা হয়। আর তাকে দিয়া যদি নিজের পক্ষে একটি মন্তব্য আদায় করা যায় তবে তো মেট্টিক পাশের সাটিফিকেট পাইয়া যাবার অবস্থা।

আমার ক্যালকুলেশন হচ্ছে- ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশের পালা। পাকিস্তান যেরকম নিজেরা নিজেদের মারছে আর দুর থেকে এ খেলা দেইখা তৃপ্তির হাসি হাসতাছে ভারত আর আমেরিকা ঠিক সেরকম এই হাসি হাসবে বাংলাদেশেরে দেইখা।

পারভেজ মোশাররফ যেরকম মার্কিন বাবারে তুষ্ট করতে যাইয়া আজকে পাকিস্তানেরে ল্যাংটা কইরা দিছে ঠিক সেই মতন বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রকর্ণধার দুইদিন বাদে বাংলাদেশেরে ল্যাংটা কইরা দিবো।

অচিরেই বাংলাদেশে বড়সড় জঙ্গিবাদের আবির্ভাব ঘটবে বলে আমার ধারনা। কারন তাতে আওয়ামীলীগ, মার্কিণ আর ভারতের বক্তব্য সত্য প্রমানীত হবে। আর তাদেরকে ধরার জন্য শুরু হবে ব্যাপক আত্মঘাতি লড়াই। সরকারপ্রধান আব্বাদের কাছ থেকে ধইন্যবাদ পাওয়ার আশায় শুরু করবে ব্যাপক ধরপাকড় আর চিল্রাচিল্রি। ব্যাপক একটা কেওয়াজ শুরু হবে চারিদিকে। মিডিয়া গুলো ইনোসেন্ট ভাব করে আগুনে ঢেলে যাবে ঘি। জাতি হিসেবে আমরা আরো শক্তভাবে বিভক্ত হয়ে যাব আওয়ামীলীগ, বি এন পি আর জামাতে। অন্যদিকে নিরাপদ দুরত্বে বসে আমাদের কান্ডকারখানা দেখে খিক খিক হাসিতে ফেটে পড়বে ইন্ডি-মার্কি গং এন্ড তাদের দালাল'স।

আসেন ভাই সকলে মিল্লা আবাজ তুলি:

রাজাকারের আস্তানা- জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও।
একটা দুইটা লীগ ধর, সকাল বিকাল নাস্তা কর।
বি এন পি'র গালে গালে, জুতা মার তালে তালে.........
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯



Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×