গতকালের প্রায় সব সংবাদপত্রে আজমেরী আক্তার সুপ্তির উদ্ধার কাহিনী পড়েছি। আজকে ও আবার প্রায় সব পত্রিকায় আজমেরী আক্তার সুপ্তির কাহিনী।
১/সুপ্তিকে ঘিরে নানা রহস্য : অনর্গল ইংরেজি বলছেন আমার দেশ
২/সুপ্তির স্বেচ্ছাবন্দি রহস্য বের হয়নি আমাদের সময়
৩/সেগুনবাগিচার ভুতুড়ে ফ্ল্যাট নিয়ে রহস্য কাটছে না নয়া দিগন্ত
এই সব খবরে নানান কিচ্ছা কাহিনী লিখা হচ্ছে। কিন্তু কেউই বলছেন না যে আসল কাহিনীটা কি?এটা কি সাংবাদিক ভাইদের অজ্ঞতা, নাকি পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর ফন্দি?এতে সাধারন মানুষকে একটা ধোকার মধ্যে রাখা হচ্ছে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশে আমরা মানসিক রুগী বলতে রাস্তার অর্ধ উলংগ পাগলকেই মনে করি। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। সিজোফ্রেন, ডিপ্রেশন, ফোবীয়া এই সমস্ত রোগ নিয়ে আমাদের আশেপাশে বহু মানুষ ভুগছেন; সামজিক , ধর্মীয় বা লজ্জা যে কারনেই হোক আমরা তা অবজ্ঞা করি। অথচ শুরুতেই রোগ নির্ণয় করতে পারলে অল্পতেই সেরে যায়।
আজমেরী আক্তার সুপ্তি ও সেই সিজোফ্রেন রুগী, যিনি বলেন কোনো অদৃশ্য শক্তি বৈদ্যুতিক রশি নিক্ষেপ করে তার সন্তানদের মেরে ফেলছে। , অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলছেন। কিছুক্ষণ পর হঠাত্ করে কেঁপে উঠছেন। এই সবই সিজোফ্রেন রোগীর নমুনা।
আশা করি উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন কর্মকর্তারা ও বাংলাদেশের পুলিশ ও চিকিত্সক ভাইয়েরা এই সহজ কথাটা বুঝবেন এবং তার চিকিৎসার ব্যাবস্হা করবেন।
নোটঃ আমি মানসিক ডাক্তার নই, কিন্তু মানসিক রোগ (সাইকোথেরাপিস্ট এর কাজ করি) নিয়েই আমি কাজ করি।
পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


