প্রস্থানের বাঁশি বাজে, দলছুট মাছি একা
ডাকছে হর্দ্দ; কোমলক্লান্তির ঘনমেঘ
জমেছে, বিষণ্ণ হাওয়ার ডানায়;
আমাকে কেড়ে নিচ্ছে নিঃসঙ্গতা।
জেগে উঠছে তেপান্তরে অন্ধকার
ঘন কুয়াশার পথ; সেখানে মৃত্যুর শ্লেজে
দু'পায়ের ছাপ, আঁকছে নক্সীর গান।
বৃদ্ধবটের বাঁকলে স্মৃতিচিহ্নে
অতীতের রোদ এসে পোঁড়ায়
দেহঘ্রাণ; স্বযত্নে মুছে নিও কেউ
এই অবেলার তিমিরকালো
মানবিক আর্ত্মনাদ।
তোমার হাতে থাক রোদ্দুর;
আগামীর গান। শাবকের স্বপ্নে তুমি
ভেসে যেও ইচ্ছেনদীর ঘাটে।
প্রজাপতির রং মেখে
ছবি এঁকো আমার নিঃসঙ্গরাত।
অভিমান শেষ হলে, একদিন
খুলে দেখো আমার অভিলাষ
নিষিদ্ধকর্পূরের গন্ধে ছুঁয়ে দিও
আমার না-থাকা ছায়া, কয়েকটি
বিবর্ণ শব্দে গাঁথা সামান্য ভালোবাসা;
ভিখারীর ক্ষুধার্ত চোখের মতো প্রেম
সারসের গ্রীবায় বেঁধে রাখা ভুতূমের রাত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


