somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ভর্তি নীতিঃ মেধার অবমূল্যায়ন

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক সময় ভর্তি পরীক্ষার যুদ্ধ হতো। ভর্তি যুদ্ধে তুলনামূলক ভাবে মেধাবীরাই ভর্তির সুযোগ পেত। এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা জিপিএ'র ভিত্তিতে। এই নীতি খুবই যুগউপোযুগী একটি উত্তম নীতি। কিন্তু.......
আমাদের দেশের পাবলিক পরীক্ষায় যে ভাবে দূর্ণীতির(নকল) মাধ্যমে টুল-টেবিল পাশ করে; যে ছাত্র পাওয়ার কথা ২.৫০ সেও পায় ৪.৫০।
জৈনক এক স্কুল শিক্ষকের সাথে সাক্ষাতের সুবাদে তিনি বললেন- আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের অবস্থা যাই ছিল; কিন্তু ছাত্রদের অবস্থা এমন ছিল যে আমরা শিক্ষকরা খুবই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গেলাম, এবার না জানি কতজন পাশ করে? কিন্তু পরীক্ষার অসহযোগিতায় এবং রেজাল্টেতো আমরা অবাক দু-চারজন ছাড়া সবাই পাশ তাও ৪.০০ কম কেউ নয়। তারা এত দুষ্টামী করত ঠিকমত অধিকাংশই শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকত না। বাড়ীর কাজ দেওয়ার হার ছিল সর্বোচ্চ ৩০%। এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়- তারা পূর্বের পরীক্ষার রেজাল্ট ও পূর্বের ছাত্রদের মান বিচার করে বলে পাশ করা এখন খুব সহজ। পড়ালেখা বেশি করে কি লাভ? তাদের মানসিকতা চলে যায় পড়া ফাঁকির দিকে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার যে নীতি অবলম্বন করেছে- তা তখনই কার্যকরী ভূমিকা হতো; যখন মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হতো অসহযোগীতা ও দূর্ণীতি ছাড়া। যে শিক্ষা অর্জন করে সে হিসাবে পরীক্ষায় অবতীর্ন হয়ে রেজাল্ট অর্জন করা।
এখন ছাত্র-ছাত্রীরা যেভাবে একে অপর থেকে হেল্প নিয়ে পরীক্ষা দেয়। শিক্ষক হেল্প করে। নকল হেল্প করে। এই হেল্পার শিক্ষা দিয়ে শিক্ষার মান কিভাবে অর্জন করা সম্ভব। এমনও অনেক ছাত্র আছে যারা কারো কাছ থেকে হেল্প ছাড়া পরীক্ষা দেয়; তাদের জিপিএ হেল্প নিয়ে শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেকাংশে কম হতে পারে। ভর্তি পরীক্ষাটাও যদি শিক্ষার সঠিক মান প্রশ্নে হতো, তাহলে মেধাবীরা কমপক্ষে একটূ শান্তনা পেত। এখন যে নীতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা মেধার সঠিক অবমূল্যায়ন ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে বরাবরই হেল্পার শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাবে।
https://www.facebook.com/alamgiruc/posts/1007644305942055
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর সেই ভাষণ। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×