
স্কটল্যান্ডের এভারডীন নগড়ীর প্রায় কেন্দ্র স্থলে ৪৪ একর জমির উপর মনোরম ধুতি পার্ক । লেডি মিস এলিজাবেথ ধুতি নামক একজন স্কটিশ নারী তার ভাই ও চাচার স্মৃতি ধরে রাখার জন্য ১৮৮০ সনে ৩০০০০ পাউন্ডে ( যে জমির বর্তমান বাজার মূল্য বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকার উপরে) উক্ত জমি ক্রয় করে সিটি কাউনসিলের কাছে হস্তান্তর করে দেন সেখানে একটি পার্ক করে সর্বসাধারণের কাছে উম্মোক্ত করে দেয়ার জন্য ।

ডী ( DEE) নদীর কুল ঘেসে পাকৃতিক নয়নাভিরাম পরিবেশে অবস্থিত ভুমিতে ১৮৮৩ সনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সৃজন করে মনোরম পার্কে পরিনত করে সর্বসাধারণের জন্য উম্মোক্ত করে দেয়া হয় । এই পার্কের বিশেষত্ব হলো পরবর্তীতে এখানে নির্মিত “ডেভিড ওয়েল্স উইনটার গার্ডেন”। এটি বৃহৎ আকারের একটি গ্রীন হাউজ/গ্লাস হাউজ , নিয়ন্ত্রিত জলহাওয়ায় ও তাপমাত্রায় এটিতে রয়েছে বিভিন্ন দুর্লভ গ্রীস্মমন্ডলীয় ফুল, লতাগুল্ফ , ঔষধী ও কেকটাস জাতীয় উদ্ভিদ এর সমাহার । এতে আছে বিভিন্ন প্রজাতির ব্রমেলিয়াড উদ্ভিদ ও জায়ান্ট ক্যাকটি ।
এবার চলে যাই উইনটার গার্ডেনের গ্রীন হাউজের ছবি ব্লগে
২। গ্রীন হাউজ

৩। অভ্যন্তরস্থ ফুল গাছের সমাহার

৪।শীতকালে বাহিরে প্রচন্ড ঠান্ডায় যখন প্রকৃতি বরফাচ্ছন্য তখনো গ্রীন হাউজে ফুলের সমারোহ

৫।গ্রীস্ম মন্ডলীয় ফুলের সমারোহ ( ভিতরে একটি ছোট শিমুল গাছও আছে )

৬।গ্রীস্ম মন্ডলীয় উদ্ভিদ সমাহার ( এমনকি বাংলাদেশি কচুগাছও আছে )

৭। গ্রীন হাউজের ভিতরে কৃত্রিম জলাধারে রঙ্গীন কচ্ছপ

৮।ভিক্টোরিয়ান করিডোরে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ( সারা বছরই কোন না কোন ফুল জন্মায়)

৯।রিফ্লেটিং করিডোরে বিভিন্ন প্রজাতীর ফুল

১০) ওয়েলস করিডোরে বিভিন্ন প্রজাতীর ফুল ও পাতাবাহার

১১। ট্রপিকেল লতাগুল্ফ ও ফুল ( বাংলাদেশী রক্তজবাও আছে )

১২।পাতার উপর হলুদ পাতা তার বুকে সাদা ফুল

১৩।গ্রীন হাউজে গজানো সবরী কলা গাছ ( গাছে পাকা কলা ঝুলে আছে)

১৪। গ্রীন হাউজে বয়ে যাওয়া ছোট খাল

১৫। বাচ্চাদের জন্য দর্শনীয় কিছু দৃশ্যমালা

১৬। গ্রীন হাউজের নান্দনিক পরিবেশে Get Married Wedding spot

১৭। ক্যাকটি ব্লগ -১

১৮।ক্যাকটি ব্লগ-২

১৯।ক্যাকটি ব্লগ-৩

২০। ক্যাকটি ব্লগ -৪

২১।ক্যাকটি ব্লগ-৫

২২। তবে যত কিছুই হোক না কেন বলা, জম্মভুমি রমনা পার্কের কৃঞ্চচূড়া সে যে সকল দেশের সেরা

ছবি : গুগল নেট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

