somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে

৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকদিন আগে 'খাইবার মেল' নামে একটা সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। সেই সিনেমার বিজ্ঞাপনের ভাষাটি ছিল চমৎকার।সেটি ছিল এরকম_'মেল আসবে, মেল যাবে কিন্তু খাইবার মেল অনন্তকাল ধরে চলতে থাকবে।' সে আমলে ছবির পাশাপাশি বিজ্ঞাপনটাও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অন্যদিকে মাত্র কিছুদিন আগে মুক্তি পাওয়া 'নিষিদ্ধ নারী' ছবিটির বিজ্ঞাপনের ভাষাটা অনেককে চমকে দিয়েছিল। বিজ্ঞাপনটির ভাষা ছিল এরকম_'অশ্নীলতার কোনো সংজ্ঞা নেই। আর নগ্গতাই অশ্নীলতা নয়!' বাস্তবতা হচ্ছে, অশ্নীলতার দায়ে সেন্সর বোর্ড 'নিষিদ্ধ নারী'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

বিখ্যাতজন ও বিজ্ঞাপন
সুলেখা কালি দিয়ে লেখালেখি করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এ কালি ব্যবহার করে তুষ্ট হয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে চিঠি লিখেছিলেন এভাবে_'তোমার কালি ব্যবহার করলাম, ইহা কলঙ্কের চেয়েও কালো।' মালিকপক্ষ পরবতর্ী সময়ে তার এ মন্তব্য সহকারে তাদের সুলেখা কালি বাজারে ছাড়ে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
আরেকবার পাশ্চাত্যের একটি শহরে দেয়ালে একটি বিজ্ঞাপনী পোস্টার লাগানো হলো যার ভাষা এরকম_'আগামী শুক্রবার এই শহরে একজন প্রখ্যাত বেহালা বাদকের আগমন ঘটবে। অপেক্ষায় থাকুন।' সারা শহরের লোকজন শুক্রবার দিন রেলস্টেশনে উপস্থিত। তারা অধীর প্রতীক্ষায় বেহালা বাদকের। একসময় সব জল্পনা আর কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেহালা হাতে যিনি ট্রেন থেকে নেমে এলেন তিনি আর কেউই নন, বিশ্বমাতানো বৈজ্ঞানিক আলবার্ট আইনস্টাইন।
কথিত আছে, সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসটির যে বিজ্ঞাপন ফ্রান্সে প্রচার করা হয়েছিল তার ভাষা ছিল এরকম_'ফ্রান্সে এখন একজনের সঙ্গে আর একজনের দেখা হলেই বলে_আপনি কি সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর 'লালসালু' পড়েছেন?' আর একবার একটি দোকানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিখ্যাত শিল্পী সালভেদর দালি একটি কাচের জারের ভেতর ন্যাংটো হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঘটনাটা দেখার জন্য ভিড় জমে যায়। দোকানটা প্রথমদিনই ব্যাপক পরিচিতি পায়। বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য আসলে তাই।

বাস্তবতা
পণ্যের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপনের আশ্রয় নেয়া হয়। কিন্তু মিডিয়া 'নিয়ন্ত্রণ' করার বড় হাতিয়ারও বিজ্ঞাপন। সরকারি বিজ্ঞাপন দিয়ে পত্রিকা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারটা শিল্পে পরিণত হয়েছিল এরশাদ আমলে। এখনও যে তেমনটি নেই তা কিন্তু নয়। সরকারি বিজ্ঞাপন সেসব পত্রিকাই বেশি পায় যারা সরকারের পদলেহন বেশি করতে পারে। আন্ডারগ্রাউন্ড বা আলু পত্রিকার পুঁজি এই সরকারি বিজ্ঞাপন। দশ-এগারোটা জাতীয় দৈনিকের কথা হয়তো পাঠকরা বলতে পারবেন। কিন্তু এই ঢাকা থেকেই প্রতিদিন নাকি একশ' তেহাত্তরটি দৈনিক বের হয়! ভাবা যায়? অবৈধভাবে পাওয়া সরকারি বিজ্ঞাপনই তাদের পুঁজি। হয়তো তিন কপি পত্রিকা ছাপানো হয়। এক কপি মালিকের আর দুই কপি জমা হয় ডিএফপিতে।
পরিস্থিতি অবশ্য কয়েক বছর ধরে ভিন্ন। বেসরকারিকরণের এই যুগে বেসরকারি বিজ্ঞাপনই রমরমা। এক মিনিটের কলচার্জ সাত টাকা! গলা কেটে কিংবা রক্ত চুষে নিয়ে যাচ্ছে মোবাইল কোম্পানিগুলো। পারবেন তাদের বিরুদ্ধে কিছু লিখতে? কেন একবার ইনকামিং ফ্রি করে দিয়ে পুনরায় ইনকামিং চার্জ বসিয়েছিল একটি মোবাইল কোম্পানি? বিতর্কিত কয়েকজন ভূমিদসু্য করছে প্লট বা অ্যাপার্টমেন্টের ব্যবসা। তারাই বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞাপনে ভরিয়ে দিচ্ছে পত্রিকাগুলো। ওইসব ভূমিদসু্যর কোম্পানি নিয়ে তাই পত্রিকাগুলো সহসা লিখতে চায় না কিংবা লিখতে পারে না। নিয়ন্ত্রণটা এখানেই।
আবার প্রতারণার হাতিয়ারও হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিজ্ঞাপন। চটকদার বিজ্ঞাপনের কথায় ভুলে বিশুদ্ধ বা পুষ্টিকর ভেবে জুস খাচ্ছেন। পরে জানা গেল, এসব শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পাত্রী চাই, নাটক বা সিনেমায় নতুন মুখ, অমুক হুজুর কিংবা তমুক সাধু বাবার চ্যালেঞ্জ_এসব বিজ্ঞাপন পত্রিকার পাতায় ছাপা হয়। এসবই প্রতারণার হাতিয়ার।
আরো আছে আগ্রাসন। আগে লাক্সের মডেল হতেন সুবর্ণা মুস্তাফারা। পরে শমী কায়সার কিংবা অপি করিমরাও মডেল হয়েছেন। সবাইকে ম্লান করে দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া। বাংলাদেশী লাক্সের বিজ্ঞাপনেও ঐশ্বরিয়া। পেপসির বিজ্ঞাপনে আছেন অমিতাভ বা শাহরুখ। বিটিভিসহ বিভিন্ন চ্যানেল দেখুন। দেখবেন, বিদেশি নায়ক-নায়িকানির্ভর বিজ্ঞাপনচিত্রই বেশি প্রচারিত হচ্ছে।
তারপরও এই বিজ্ঞাপনই পত্রিকার প্রাণ। একজন বিখ্যাত সম্পাদক তার এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, পত্রিকার কমপক্ষে ষাট ভাগ আয়তন জুড়েই বিজ্ঞাপন থাকা জরুরি। নাহলে ছয় কিংবা আট টাকায় পত্রিকা বিক্রিকরে সারভাইভ করা সম্ভব নয়! আবার বেশি বিজ্ঞাপন ছাপা হলে পাঠকরা মন খারাপ করেন।

বয়ে চলে বিজ্ঞাপন
আজকাল পণ্যের বিজ্ঞাপন টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা পত্রিকার পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন আজকাল বাস-মিনিবাসের গায়ে করে বয়ে বেড়ায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। এতে যেমনি কোম্পানির প্রচার হয় তেমনি হয় বাস কোম্পানির বাড়তি আয়। আজ থেকে দশ বছর আগে রিকশা ও ঘোড়ার গাড়িতে করে বিজ্ঞাপনের ঘুরে বেড়ানোর ব্যাপারটা থাকলেও বাস-মিনিবাসের ব্যাপারটা কিন্তু চিন্তাও করা যেত না। তবে বয়ে চলা বিজ্ঞাপন দেখা যায় বাসের সিটেও। মাঝে মাঝে দেখবেন বাসের সিটে লেখা_'সুন্দর মনের মানুষ চাই_আশিক, মোবাইল ...., 'বান্ধবী চাই_রবিন' প্রভৃতি। তবে সব বিজ্ঞাপনের একটা পজেটিভ প্রতিক্রিয়া থাকলেও এ ধরনের বিজ্ঞাপনের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে যথেষ্ট। এ ধরনের একটা ঘটনা বলি। ভলবো বাসে করে বনানী থেকে একদিন ফিরছি। সিটে বসার পরপরই চোখ গেল সামনের সিটের পেছনের দিকে। সেখানে কোনো একজন লিখে দিয়েছে 'মৌ, তুমি কোথায়? আমাকে ভুলে গিয়ে আজকাল অন্যজনের সঙ্গে... করছো। মনে রেখো, আমি তোমাকে আজো খুঁজি বাস থেকে বাসে ঘুরে। সোহেল-01783465...।'
যাই হোক। আগে দেয়াল বা গাছের কান্ডে এসব লেখা হতো। বাসের সিটে লেখা সেদিক দিয়ে আধুনিক, ভ্রাম্যমাণ ও বেশি নজরকাড়া।

বিজ্ঞাপনের ভাষা
বিজ্ঞাপনের ভাষা অন্যরকম। কোনো এক সাবান দিয়ে গোসল করে অফিসে গেলেই প্রেম হয়ে যায়। আবার কোনো কিছু মুখে মাখলেই এয়ার হোস্টেসের চাকরি বা ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার হয়ে যাওয়া যায়। অন্যদিকে বিজ্ঞাপনের ভাষা নিয়ে রয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। পশ্চিমা কালচারের নেংটো ভূতটা আজকাল আমাদের ঘাড়ে এসেও ভর করেছে। বিজ্ঞাপনে যেমনি এসেছে বাংলিশ (বাংলা+ইংলিশ) শব্দের ব্যবহার, তেমনি এসেছে অকল্পনীয় কথাবার্তা। কঠিন ভাব, জটিল মুড, এক্সট্রা খাতির, আজাইরা পঁ্যাচাল, পুররা ফ্রি। বিজ্ঞাপনের ভাষাটা সাময়িক সময়ের জন্য জনপ্রিয়তা পেলেও এটা কি আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি থেকে একটু দুরে ঠেলে দিচ্ছে না? তাছাড়া ইদানীং আমাদের বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলেও ভিনদেশিদের দিয়ে বাংলা শব্দের উচ্চারণভঙ্গিও যোগ করা হচ্ছে। একটি ডিটারজেন্ট কোম্পানির জিঙ্গেলে বলা হচ্ছে_'এ কৌন নতুন সাদা'। এসব উচ্চারণভঙ্গিকে এখনি না থামালে হয়তো একসময় বিজ্ঞাপনে আমাদের নিজস্ব স্বকীয়তা অর্থাৎ এদেশের শিল্প-সাহিত্য এবং সংস্কৃতির আদলে তৈরি বিজ্ঞাপন যেগুলো আমাদের টেনে নিয়ে যায় দেশ, মাটি ও মানুষের কাছে, সেগুলো হারাতে হবে।
মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে
কবিতায় আছে_
একলা আমি দাঁড়িয়ে আছি
অন্ধকারে গলির কোনে
ভাবছি তোমায় মুখ দেখাব
মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে
এখন বিজ্ঞাপনের আড়ালেই সবকিছু ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। ঢাকা পড়ে যাচ্ছে বাস্তবতা। একটি গল্প বলে বিদায় নিই (অবশ্য এই গল্পটি মাসিক উন্মাদে বিজ্ঞাপন বিষয়ক একটি লেখাতে আহসান কবির ভাই ব্যবহার করেছিলেন!) এক লোক গেল পরপারে। তাকে আমন্ত্রণ জানাল প্রহরী। প্রহরী বলল, ভাই আপনি স্বর্গ ও নরক ঘুরে দেখুন। এরপর যেখানে থাকতে ভালো লাগে আপনি সেখানেই যাবেন।
লোকটি স্বর্গে গেল। সবকিছু সাজানো-গোছানো। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন। ছবির মতো। সবাই শুধুই হাসছে। লোকটির কেন যেন খুব একটা ভালো লাগল না। সে গেল নরকে। সেখানের অবস্থা পৃথিবীর মতো। সব নায়ক-নায়িকা, মডেল, রাজনীতিবিদ সেখানেই। একসঙ্গে হাসছে সবাই। আবার কাঁদছেও। লোকটির ভালো লেগে গেল। সে বলল, আমি নরকেই থাকব। সঙ্গে সঙ্গে প্রহরী তাকে ভীষণ জোরে এক লাথি মারল। শুন্যে ভাসতে ভাসতে লোকটি এসে পড়ল জ্বলন্ত কড়াইয়ের ভেতর। পুড়ে সেদ্ধ হওয়ার আগে কোনোক্রমে ওই লোক জানতে চাইল_আমি তো এমন নরক দেখিনি। প্রহরী চিৎকার করে বলল, আপনাকে আসলে নরকের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুপ্তদের সকল অপকর্মের তদন্ত হোক....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮


সময় যত যাচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে অস্বস্তিকর সত্য!
সময় গড়িয়ে যাচ্ছে- আর অতীতের অনেক ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষ্য ও তথ্য সামনে আসছে-
যেখানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত ইব্রাহীমের (আ.) কুরাইশ আহলে বাইতের মধ্যে হযরত আলীর (রা.) মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের সময় সবচেয়ে কম

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৯



সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষকের মর্যাদা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩


কবিতাটার কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×