একজন ইংরেজ নাকি চিন্তা করে বসে বসে, ফরাসিরা দাঁড়িয়ে, আমেরিকানরা পায়চারি করতে করতে চিন্তা করলেও তাদের চিন্তা পূর্ণতা পায় যখন তারা টয়লেটে গিয়ে বসে। শুধু আইরিশ এবং বাংলাদেশীরা চিন্তা করে কাজ শেষ করার পর। তবে অতীতের ইংরেজ এবং বর্তমানের মার্কিনরা নাকি কখনো অন্যায় করে না!
তাদের সব কাজে থাকে আদর্শ।
তারা যুদ্ধ করে দেশপ্রেমের জন্য, লুট করে ব্যবসার খাতিরে [যেমনটা ইরাকে করছে] এবং মানুষকে দাস বানায় রাজতন্ত্র বা তেলতন্ত্ররক্ষাকল্পে।
আর বাংলাদেশের মানুষের কাছে বহুল পরিচিত বই অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট-এর লেখক এরিক মারিয়া রেমার্কের মতে, আমেরিকান উপন্যাসে প্রথম থেকেই একজন আরেকজনকে চায়; কিন্তু বই শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা মিলতে পারে না। ফরাসি উপন্যাসে গল্পের শুরুতেই দু'জনে মিলে যায়, তারপর বই শেষ হওয়া পর্যন্ত কেউ কাউকে চায় না। রাশিয়ান উপন্যাসে নায়ক-নায়িকা পরস্পরকে চায় না, পায়ও না। এরপর আটশ' পৃষ্ঠা ধরে তা-ই নিয়ে বিমর্ষ চিন্তা-ভাবনা চলে। আর বাংলাদেশী উপন্যাসে গাদাগাদা নায়ক-নায়িকা থাকলেও বাস্তবে দুই নারী ছাড়া নাকি অন্য কারও অস্থিত্ব নেই। এই দুই ঝগড়াটে মহিলা নিয়ে কেউ উপন্যাস লেখে না বলে ড. হুমায়ুন আজাদ এদেশের শতকরা 99 ভাগ উপন্যাসকে বলেন 'অপন্যাস!'
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


