somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেই তুমি # অণুগল্প

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৮:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইদানিং শিহাবকে কেন যেন দূর্বোধ্য লাগছে কণার কাছে।
সেই একই মানুষ... কাছে আসার সময়টাতেও সেই চিরচেনা,তবুও হঠাৎ হঠাৎ কেন এমন অচেনা মনে হয়?

সেদিন চশমার দোকানে গেল দু'জনে। পরিচিত দোকানদার দু'জনের জন্য চা আনালো পিচ্চিকে দিয়ে। শিহাব ধীরে ধীরে তার নিজেরটা শেষ করে কণার জন্য 'সানগ্লাস' পছন্দ করায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কণাকে এক একটা চোখে দিতে বলে, আর নিজে দেখে ওকে কেমন দেখায়। এই অবসরে কাউন্টারের উপরে রাখাকণার চায়ের কাপ শেষ হয়েছে মনে করে পিচ্চিটা নিয়ে যায়।

একটা 'গ্লাস' পছন্দ হওয়াতে শিহাব ওটাই নিতে বলে। কণা এবার ওর চায়ের কাপের দিকে নজর দিতেই শূন্য কাউন্টারটা ওকে উপহাস করে যেন। শিহাবের জন্য একটা 'এন্টি রিফ্লেক্টিভ গ্লাস' পছন্দ করা ফ্রেমে সেট করছিল। কিছুটা সময় সেখানে লাগে। ওরা দু'জন অপেক্ষা করে। কণা শিহাবকে জানায় ওর চা টা শেষ না হতেই পিচ্চিটা নিয়ে গেছে। শিহাব মৃদু হাসে। তবে কণা কি বলল, সে শুনলেও আসলেই কি অনুভব করে?

কিছুক্ষণ পরে শিহাব দোকানদারকে জিজ্ঞেস করে, ' চা এর স্টলটা কোথায়?' পিচ্চিটা ওকে সেখানে নিয়ে যায়। শিহাব একটা সিগ্রেট টেনে আবার দোকানে ফিরে আসে। কণা মনে করে শিহাব ওর জন্য হয়তো চা নিয়ে আসবে। শিহাবকে খালি হাতে আসতে দেখে কিছুটা ম্রিয়মান হয় কণা। ফস করে বলেও ফেলে, 'সিগ্রেট টেনে আসলে? আমি মনে করেছিলাম হয়তো চায়ের অর্ডার করতে গেছ।'

শিহাব কিছুটা লজ্জা পায়। বলে, 'আচ্ছা নিয়ে আসছি... এই পিচ্চি' কথার মাঝে কণা বলে, ' থাক, লাগবে না।'
ইত্যবসরে শিহাবের গ্লাস রেডি হয়ে যায়। সেটা নিয়েই সে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কণার এবং ওর চায়ের কথা কিভাবে যেন ভুলে যায়।

এভাবেই কাটছে কণার দিনকাল। অথচ সেই প্রথম দিকে কণার জন্য... ওকে একটু মুগ্ধ করার জন্য... কণার সকল চাহিদা যেন শিহাবের কাছে সকল কিছুর উর্ধে ছিল।
অথচ আজ!
কেন এমন হয়?
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মানুষের মধ্যে এমন কেউ কী আছেন, যাঁরা AI-এর কাছে নিজেদের জ্ঞান, লেখার দক্ষতা কিংবা সৃজনশীলতার শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর ভয় পাচ্ছেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৪




এআইকে বলে ছিলাম- তুমি বলতে গেলে একটা গেদা বাচ্চার মত। এর মধ্যে অনেক মানুষ তোমাকে হিংসা করে। বিষয়টা কি?

উত্তরে এআই বলল- হা হা! আপনার কথাটা শুনে হাসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুজুরের কি শরিয়াহ আইনে বিচার হবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২


মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমীর জন্য খারাপ লাগছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ এবং এ নিয়ে লাইভ করার অভিযোগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×