somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বইমেলা>আত্মস্বীকৃতি>উন্নয়ন

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বইমেলা>আত্মস্বীকৃতি>উন্নয়ন
__________________
বিদ্যা কি জোর করে গেলানো যায়?অনেকদিন ধরেই গবেষণা করছি সত্যিই যায় কিনা?এর উৎস অবশ্য বড় বড় সাহিত্যিকদের লেখা থেকেই নিয়েছি।ওরাও বলার চেষ্টা করেছে যে বিদ্যা জোর করে গেলানো যাবেনা তবে আজকাল আর ঐ কথার মাঝে আর তেমন সীমাবদ্ধতা খুব একটা খুঁজে পাইনা।মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করতে আগ্রহী হোক আর না হোক তাকে জোর করে হলেও শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে দরকার হলে অনুনয় বিনয়াবনতা করতেও পিছপা হওয়া চলবেনা। আজকাল কার কিছু লেখককে এটাই করতে দেখি,, দেখছি সামনের দিন গুলোতেও দেখবো বিশেষ করে ফেসবুক কেন্দ্রিক যারা লেখক আছে(সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এদের পদার্পণ আনাগোনাটা একটু বেশীই।পাঠক সব সময় স্বাধীন ও মুক্তচিন্তার অধিকারী তার কোনটা ভাল লাগবে কিংবা লাগবেনা এটা একান্তই তার ভাবনার বিষয় সেখানে যদি পাঠককে অনুরোধে ঢেঁকি গেলানো হয় তাতে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দেয়া যায়না।আজ অবধি অনেক গুণীজনের(লেখক সম্প্রদায়) সাথে চলেছি উঠছি বসছি খেয়েছি।গতকালও অনেকটা সময় ওনাদের সঙ্গে কাটিয়েছি ওনাদের বই নিয়ে একে অন্যের মতামত পাঠক প্রিয়তা নিয়ে কথা বলেছি।যারা অনেক আগে থেকেই লেখক কবি তকমা পেয়ে এসেছেন।ওনাদের কাছ থেকে সব সময়ই শেখার চেষ্টা করেছি ওনাদের প্রতিটি কথা খুবই মনযোগের সহিত শুনেছি তাদেরকেও বলতে শুনেছি ভাল লেখার কদর আজো বিদ্যমান আছে।আর এই লেখা পড়ানোর জন্য মানুষকে আহবান জানাতে কিংবা অনুরোধ করতে হয়না পাঠক নিজে থেকেই সংগ্রহ করে নেয়।এমন ও দেখলাম সেই ধামরাই থেকে পাঠক বই কিনতে বই মেলায় এসে লেখিকার জন্য স্টলে দাঁড়িয়ে থেকেছেন বহুক্ষণ বেচারা ১৫ টি বই নিবেন লেখকের অটোগ্রাফ সহ কিন্তু বিধিবাম সেইদিন লেখকের একটি কপি ছাড়া সমস্ত কপি বিক্রি হয়ে যায়।কি আর করার একটি কপি নিয়েই পাঠক চলে গেল পরের দিন এসে সংগ্রহ করবে বলে।
::
আমি এমন অনেক লেখককেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনি ও জানি যারা নিজে নিজেদের লেখাকে ভাঙে সমালোচনা করে সেটিকে আরো কতটা যুগোপযোগী করা যায় তা নিয়ে ভাবে।নিজের লেখাকে বিভিন্ন ছাঁচে ফেলে তারপর ইচ্ছে প্রকাশ করে একটা বই বের করার।বই প্রকাশ করলেই কি কবি কিংবা লেখক তকমা পাওয়া যায়?আমি বলি কি নিজ কেন্দ্রিক যায় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যায়না।যদি তাই হত তাহলে প্রতি বছর শত শত লেখকের পয়দা হত বাংলার জমিনে।অনেক আগে থেকেই সাহিত্যের অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত লেখককে দেখেছি এখনো একটা বই বের করার সাহস পায়না।কারণ এনারা চিন্তা করে নিজের সম্মানকে নিয়ে।যেনতেন বই প্রকাশ করে সাহিত্যকে জঞ্জালে পরিণত করার মাঝে কোন স্বার্থকতা থাকেনা।অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে আজ যারা বই প্রকাশ করেছে তারা সত্যিকারেই আজ সাফল্য পাচ্ছে দূর দুরান্ত থেকে মানুষরা এসে খুঁজে নিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রিয় বই গুলোকে।তাতে পাঠক পাচ্ছে ভাল বই লেখক পাচ্ছে তার পরিশ্রমের মূল্য।ঢেঁকি নাকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। এই কথাটা যে কোন যুক্তির উপর লেখক দাঁড় করিয়েছেন আজো এর কোন হদীস খুঁজে পাইনি।আসলেই কি ঢেঁকি স্বর্গে যাবে নাকি এটা নিছকই কথার কথা কিংবা প্রবাদ প্রবচন
আমার মত উকিলের মস্তিষ্কে এইরূপ ভাবনা অমূলকই বটে।
::
আজ অবধি এই ১৮ দিনে বইমেলায় প্রায় তিনহাজার বই প্রকাশিত হয়েছে।যার বেশীর ভাগেরই ক্রেতা আত্মীয়স্বজন বন্ধু বান্ধব চক্ষুলজ্জা হেতু কিনতে হয় বলে কিনছে।যার মাঝে প্রায় ছয়শতাধিক কাব্যগ্রন্থ। আশার কথা এই যে দেশে লেখকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে এতে করে সাহিত্যের ক্ষতি হচ্ছে নাকি লাভ হচ্ছে তা সময় গেলেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে।লাভ যে হচ্ছেনা তা বলছিনা লাভও হচ্ছে প্রচুর এই সুযোগে দেশের অর্থনীতিতে বেশ একটা মোটা অংকের টাকা জিডিপিতেও যোগ হবে।এতে অবশ্য সরকার সহ আপামরজনসাধারণ এর জন্য মঙ্গলই বটে এর পিছনে কিন্তু প্রকাশকদের ভূমিকা অপরিসীম তবে এনাদের লাভের পরিমাণও কিন্তু কম নয়।আশাকরি দেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধশালী ও আরো ফুলেফেঁপে উঠে তাড়াতাড়ি পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবার প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান সম্পন্ন হবে।অর্থনীতিতে অবশ্য এটাকে সুযোগ ব্যয় বলে,,,একটি বিকল্প ভাল কিছুর আউটপুট পেতে হলে বিকল্প কিছু ভাল জিনিষের যে কিছু অংশ বিসর্জন দিতেই হবে।এটা আমার মতো অর্থনীতির টপিক শেষ করে আসা গোবেচারা টাইপের মানুষরা ভালই জানে।
'
'
'
পুনশ্চ:-অল্প কথায় কাজ হইলে বেশী কথার প্রয়োজন কি?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৪১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×