স্তম্ভিত হয়ে গেলাম, হাত পা গুলো কেমন জানি অবশ হয়ে আসতে লাগল। বব উলমারের মৃতু্যতে শোকের বাতাস হালকা হতে না হতেই আর একটি মৃতু্য। এটা কেমন কথা। এটা কি সত্যি! না সত্যি নয়।
উপরের লেখা গুলো বাস্তবের কোন ঘটনা কিংবা প্রত্রিকায় প্রকাশিতও নয়। কাল শ্রীলংকার সাথে ভারতের খেলায় ভারতের পরাজয়ে এমনই একটি আশংকা নিয়ে যখন রাত্রে ঘুমোতে যাই তারপরেই স্বপ্নটা দেখি।
সমপ্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত পাকিস্তানের কোন বব উলমারের মৃতু্যর রহস্য এখনও ধুম্রজাল, তারপরের যা যা প্রকাশ পেয়েছে তাতে বিশ্ব স্তম্ভিত কিংবা প্রকম্পিত হওয়ারই কথা। বিশ্বা ভাতৃত্বের প্রত্যয় নিয়ে একই ছায়াতলে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনা যে কাউকেই এক মুহুর্তেও জন্য হলেও অন্য ভাবনায় ভাবালেও ভাবাতে পারে!
আমরা কি তাহলে আশংকা করতে পারিনা যে আরও একটি হত্যকান্ড ঘটলেও ঘটতে পারে ক্রিকেট বিশ্বে। শোকের বাতার ভারি হয়ে মেঘ হবে, মেঘ হয়ে বৃষ্টি হবে, তারপর ঝড়, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, সাইক্লোন ধ্বংস করে দিবে ক্রিকেটের শান্তিময় মহৎ বিশ্বকে। আমাদের স্মৃতিতে থাকবে শুধু অতীত।
স্বপ্ন স্বপ্নই, বাস্তবের সাথে কোথাও কি কখনো স্বপ্নকে বাস্তবে খুঁজে পাওয়া যায়? পাওয়া গেলেও যেতে পারে। এমন সময়ে কি মনে হতে পারেনা স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিলেও নিতে পারে?
এমন আশংকা কি অবচেতন মনে জাগতে পারেনা?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




